
১৯ বছর ধরে গ্রেনেডের স্প্লিন্টার পায়ে বয়ে বেড়াচ্ছেন সিদ্দিক তালুকদার (৫০)। প্রায়ই ব্যথায় কাতরে ওঠেন। তিনি বরগুনার তালতলী উপজেলার পচাকোড়ালিয়া ইউনিয়নের ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। কলারং গ্রামের নুরুল ইসলাম তালুকদারের ছেলে সিদ্দিক। ২০০৪ সালে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় অন্যদের সঙ্গে তিনিও আহত হন।
সম্প্রতি আজকের পত্রিকার সঙ্গে কথা হলে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কাছে সাহায্যের আবেদন করেন সিদ্দিক। তাঁর চাওয়া একটাই—চিকিৎসা করে যেন স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন। সিদ্দিক জানান, টাকার অভাবে তিনি চিকিৎসা করাতে পারছেন না।
সিদ্দিক জানান, ১৯৯৬ সালের দিকে জীবিকার খোঁজে ঢাকায় যান তিনি। রাজধানীতে শুরু করেন রিকশা চালানো। কিশোর বয়স থেকেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভক্ত সিদ্দিক। আওয়ামী লীগের সভা-সমাবেশের খবর শুনলেই ছুটে যেতেন। এখনো সেই অভ্যাস রয়ে গেছে তাঁর। আওয়ামী লীগের সমর্থন করায় বিএনপি জোট সরকারের আমলে হামলা-মামলার শিকারও হয়েছেন।
গ্রেনেড হামলায় আহত সিদ্দিক তালুকদার বলেন, ‘২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিকেলে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশ হয়। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য শুরুর পরপরই চারদিকে বিকট শব্দে কানে তালা লেগে যাওয়ার দশা। শুরু হয় মানুষের দিগ্বিদিক ছোটাছুটি। গ্রেনেডের স্প্লিন্টার তাঁর পায়ে বিদ্ধ হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় এক ব্যক্তি তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। দুই দিন সেখানে চিকিৎসা বাড়ি ফিরে আসেন। এরপর আর ঢাকায় যাননি।
নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়ে সিদ্দিক বলেন, ‘পায়ের স্প্লিন্টার এখন মাংসের সঙ্গে মিশে গেছে। প্রায়ই পায়ে প্রচণ্ড ব্যথা শুরু হয়। টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারি না। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে সাহায্যের দাবি জানাই। তিনি সাহায্য করলে আমি হয়তো পুরোপুরি সেরে উঠতে পারব।’
সিদ্দিকের প্রতিবেশী আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার নামে এক ব্যক্তি বলেন, ‘গ্রেনেড হামলায় সিদ্দিকের আহত হওয়ার খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছুটে যাই। ওই হাসপাতালে তাঁর পাশে থেকে সেবা-শুশ্রূষা করেছি।’
তালতলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. রেজবি-উল কবির জোমাদ্দার বলেন, সিদ্দিক পচাকোড়ালিয়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সঙ্গে জড়িত। গ্রেনেড হামলায় আহত সিদ্দিককে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগ সমাবেশ আয়োজন করে নিজেরাই শিকার হয়েছিল ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার। সেদিনকার মূল লক্ষ্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেঁচে গেলেও জীবন দিতে হয়েছিল নারীনেত্রী আইভী রহমানসহ ২৪ জন নেতা-কর্মীকে।
তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে করা এই হামলার তদন্ত নিয়ে অনেক জলঘোলা/// শেষে হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তাঁদের দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উঠে আসে এই হামলার পরিকল্পনাসহ ভয়াবহ সব তথ্য।

রোববার (২৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মুহিদুল ইসলাম অন্য পাঁচ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে তদন্ত কমিটি দৌলতদিয়া বাস টার্মিনালে রাখা দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি পরিদর্শন করে।
২ মিনিট আগে
শুক্রবার রাত ১২টা থেকে শনিবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতুর ওপর দিয়ে ৪২ হাজার ৩৭৪টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ১৮ হাজার ৩৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ২৪ হাজার ৪৫০ টাকা। অপর দিকে ঢাকাগামী ২৪ হাজার ৩৩৮টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খালেক সরদারের তিন ছেলে খলিল সরদার, সহিদ সরদার ও আলাউদ্দিন সরদার। জীবিত অবস্থায় খালেক সরদার একটি গ্রামীণ টাওয়ার নির্মাণের জন্য জমি দেন। ওই টাওয়ারের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রতিবছর এককালীন টাকা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, পঞ্চগড় থেকে বেশ কিছু যাত্রী নিয়ে হেরিটেজ স্লিপার নামের একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকায় যাচ্ছিল। পথে চন্ডিপুর এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বালুবাহী ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই বাসের চালকের সহকারী ও এক যাত্রীর মৃত্যু হয়।
২ ঘণ্টা আগে