নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে হাতপাখার মেয়র প্রার্থী মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে টাকা ছড়ানোসহ নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে দুটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার নৌকার প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দুটি করেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তাকে দেওয়া নৌকার প্রার্থীর নির্বাচনী প্রধান এজেন্ট আফজালুল করিম স্বাক্ষরিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, হাতপাখার প্রার্থীর পক্ষে বহিরাগত একদল বোরকা পরা রহস্যময়ী নারী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। তাঁরা বস্তিবাসী, বর্ধিত এলাকার ধর্মভীরু ও কম শিক্ষিতদের টার্গেট করে কোরআন শরীফ মাথায় রেখে অর্থের বিনিময়ে ভোটারদের প্রভাবিত করছেন। যা আচরণবিধির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
অপর এক অভিযোগে হাতপাখার অনুসারী মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কালিজিরায় প্রচারণাকালে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ আনেন আফজালুল করিম।
এ ব্যাপারে নৌকার নির্বাচনী প্রধান এজেন্ট আফজালুল করিম বলেন, হাতপাখার মেয়র প্রার্থী ও তাঁর লোকজন আচরণবিধি লঙ্ঘন করে যাচ্ছেন। তিনি এর প্রতিকার চেয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দুটি অভিযোগ দিয়েছেন। হাতপাখার নারী কর্মীরা ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ধর্মভীরু মানুষকে টাকা দিয়ে প্রভাবিত করছেন। তাঁদের সমর্থকেরা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানছেন। এ জন্য তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আইনানুগ ব্যবস্থা চেয়েছেন।
তবে হাতপাখার প্রার্থীর মিডিয়া উপ-কমিটির সদস্য নাসির উদ্দিন নাইস আজকের পত্রিকার কাছে দাবি করেন, হাতপাখার সম্ভাব্য বিজয় দেখে আওয়ামী লীগের লোকজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। এখন তারা মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। টাকা ছড়ানো প্রমাণ দিতে পারলে উপযুক্ত পুরস্কার দেওয়া হবে। তিনি উল্টো সরকার দলীয় লোকজন অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, যতই ষড়যন্ত্র হোক, হাতপাখার বিজয় ভোটের মাধ্যমে দেখিয়ে দেওয়া হবে।

বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে হাতপাখার মেয়র প্রার্থী মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিমের বিরুদ্ধে টাকা ছড়ানোসহ নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে দুটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার নৌকার প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দুটি করেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তাকে দেওয়া নৌকার প্রার্থীর নির্বাচনী প্রধান এজেন্ট আফজালুল করিম স্বাক্ষরিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, হাতপাখার প্রার্থীর পক্ষে বহিরাগত একদল বোরকা পরা রহস্যময়ী নারী প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন। তাঁরা বস্তিবাসী, বর্ধিত এলাকার ধর্মভীরু ও কম শিক্ষিতদের টার্গেট করে কোরআন শরীফ মাথায় রেখে অর্থের বিনিময়ে ভোটারদের প্রভাবিত করছেন। যা আচরণবিধির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
অপর এক অভিযোগে হাতপাখার অনুসারী মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কালিজিরায় প্রচারণাকালে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ আনেন আফজালুল করিম।
এ ব্যাপারে নৌকার নির্বাচনী প্রধান এজেন্ট আফজালুল করিম বলেন, হাতপাখার মেয়র প্রার্থী ও তাঁর লোকজন আচরণবিধি লঙ্ঘন করে যাচ্ছেন। তিনি এর প্রতিকার চেয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দুটি অভিযোগ দিয়েছেন। হাতপাখার নারী কর্মীরা ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে ধর্মভীরু মানুষকে টাকা দিয়ে প্রভাবিত করছেন। তাঁদের সমর্থকেরা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানছেন। এ জন্য তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আইনানুগ ব্যবস্থা চেয়েছেন।
তবে হাতপাখার প্রার্থীর মিডিয়া উপ-কমিটির সদস্য নাসির উদ্দিন নাইস আজকের পত্রিকার কাছে দাবি করেন, হাতপাখার সম্ভাব্য বিজয় দেখে আওয়ামী লীগের লোকজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। এখন তারা মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে। টাকা ছড়ানো প্রমাণ দিতে পারলে উপযুক্ত পুরস্কার দেওয়া হবে। তিনি উল্টো সরকার দলীয় লোকজন অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, যতই ষড়যন্ত্র হোক, হাতপাখার বিজয় ভোটের মাধ্যমে দেখিয়ে দেওয়া হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে