নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

আট বছর হয়ে যাচ্ছে, এখনো বরিশাল জেলা ও মহানগর যুবদল ভারমুক্ত হতে পারেনি। এর মধ্যে কারও বালুমহাল-কাণ্ডে পদ স্থগিত, কেউ কেউ নিষ্ক্রিয়, এমনকি শীর্ষ পদের কেউ মারাও গেছেন। ২০১৭ সাল থেকে এভাবেই চলছে যুবদল। এই পরিস্থিতিতে নতুন কমিটি দেওয়ার আলোচনায় পুরোনোরাই প্রাধান্য পাচ্ছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। সংগঠনটির অনেকে বলছেন, পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, যুবদলের নেতৃত্বে যুবাদের আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
২০১৭ সালের ২৭ এপ্রিল বরিশাল জেলা ও মহানগর যুবদলের কমিটি গঠিত হয়। ওই সময় মহানগর যুবদলের সভাপতি ছিলেন আক্তারুজ্জামান শামীম এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মাসুদ হাসান মামুন। পরে শামীমকে অব্যাহতি দিয়ে মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা হয় মাসুদ রাঢ়ীকে। তিনিও বালুমহাল কেলেঙ্কারিতে পদ হারান। ২০২০ সালে মহানগরের সম্পাদক মামুন বহিষ্কৃত হলে মাজহারুল ইসলাম জাহানকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
জানতে চাইলে নগর যুবদলের সভাপতি প্রার্থী মাসুদ হাসান মামুন বলেন, শিগগির কমিটি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নেতৃত্বে কারা আসবেন, তা সিদ্ধান্তের ভার কেন্দ্রের।
অপর সভাপতি প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম জাহান বলেন, তিনি আগে থেকেই শুনে আসছেন, কমিটি হবে। কেন্দ্রীয় সভাপতি লন্ডনে যাচ্ছেন। হয়তো দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সম্মতি সাপেক্ষে দেশে ফিরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
যুবদলের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা যুবদল একীভূত করে জেলা যুবদল গঠিত হচ্ছে। যে কারণে জেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাও বেড়েছে। তবে আগে যাঁরা পদে ছিলেন, তাঁদের শীর্ষ নেতৃত্বে রেখেই নতুন কমিটি করার তোড়জোড় চলছে এ মাসেই। এই পরিস্থিতিতে নগর যুবদলের সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আছেন অনেকে। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাবেক ছাত্রনেতা অহিদুল ইসলাম রুবেল, নগর ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম রনি, সাবেক ছাত্রনেতা আরিফুর রহমান মুন্না, রিয়াজুর রহমান রিয়াজ, রফিকুল ইসলাম জনি প্রমুখ।
সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী অহিদুল ইসলাম রুবেল বলেন, ‘বয়সের কারণে বি এম কলেজ এবং মহানগর ছাত্রদল থেকে বাদ পড়েছি। ২০ বছর ধরে পদবিহীন অবস্থায় দলের কর্মী হিসেবে কাজ করছি। আমরা মনে করি, যুবদলে নতুন নেতৃত্ব সৃস্টি হোক যুবদল কর্মীদের দিয়েই। শোনা যায়, বিএনপি নেতারা যুবদলে আসতে চান। এমনটা হলে দলের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হবে।’
২০২১ সালে যুবদলের বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) শাখার সভাপতি হন পারভেজ আকন বিপ্লব এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন এইচ এম তসলিম উদ্দিন। ২০২১ সালে বিপ্লব মারা গেলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হন মামুন রেজা খান। জানা গেছে, জেলা যুবদলের সভাপতি প্রার্থী হতে যাচ্ছেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এইচ এম তছলিম উদ্দিন, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন রেজা খান এবং উত্তরের সদস্যসচিব গোলাম মোর্শেদ মাসুদ। এই প্রসঙ্গে যুবদল নেতা তছলিম উদ্দিন বলেন, কমিটি তো হওয়ার কথা ছিল। হয়তো সারা দেশের কয়েকটি ইউনিট নিয়ে একসঙ্গে কমিটি দেবে।
অপরদিকে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হচ্ছেন জেলা যুবদলের (উত্তর) যুগ্ম আহ্বায়ক কায়সার আহমেদ, জেলা দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ আহমেদ বাবলু এবং উত্তরের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন পিপলু।
জেলার সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী কায়সার আহমেদ বলেন, ‘উত্তর ও দক্ষিণ যুবদল এক করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে কেন্দ্র। যে কারণে জেলা যুবদলের নেতৃত্বে আসা আমাদের অধিকার।’ তিনি বলেন, ‘সামনে নির্বাচন। যে নেতারা টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, সুবিধাবাদীতে ছিল, তারা যেন যুবদলের কমিটিতে না আসে। পুরোনো-নতুন মিলিয়ে কমিটি হোক। তা না হলে একচেটিয়া হয়ে দল দুর্বল হবে।’
নতুন কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) আকন কুদ্দুসুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, যুবদলের নতুন কমিটি গঠনের কথাবার্তা চলছে। শিগগির কমিটি প্রকাশ করবে কেন্দ্র। যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে নবীন এবং পুরোনোদের সমন্বয়ে যাতে কমিটি হয়, সে বিষয়ে আহ্বান জানাবেন।

আট বছর হয়ে যাচ্ছে, এখনো বরিশাল জেলা ও মহানগর যুবদল ভারমুক্ত হতে পারেনি। এর মধ্যে কারও বালুমহাল-কাণ্ডে পদ স্থগিত, কেউ কেউ নিষ্ক্রিয়, এমনকি শীর্ষ পদের কেউ মারাও গেছেন। ২০১৭ সাল থেকে এভাবেই চলছে যুবদল। এই পরিস্থিতিতে নতুন কমিটি দেওয়ার আলোচনায় পুরোনোরাই প্রাধান্য পাচ্ছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। সংগঠনটির অনেকে বলছেন, পরিস্থিতি যেদিকে যাচ্ছে, যুবদলের নেতৃত্বে যুবাদের আসার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
২০১৭ সালের ২৭ এপ্রিল বরিশাল জেলা ও মহানগর যুবদলের কমিটি গঠিত হয়। ওই সময় মহানগর যুবদলের সভাপতি ছিলেন আক্তারুজ্জামান শামীম এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মাসুদ হাসান মামুন। পরে শামীমকে অব্যাহতি দিয়ে মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি করা হয় মাসুদ রাঢ়ীকে। তিনিও বালুমহাল কেলেঙ্কারিতে পদ হারান। ২০২০ সালে মহানগরের সম্পাদক মামুন বহিষ্কৃত হলে মাজহারুল ইসলাম জাহানকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
জানতে চাইলে নগর যুবদলের সভাপতি প্রার্থী মাসুদ হাসান মামুন বলেন, শিগগির কমিটি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নেতৃত্বে কারা আসবেন, তা সিদ্ধান্তের ভার কেন্দ্রের।
অপর সভাপতি প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম জাহান বলেন, তিনি আগে থেকেই শুনে আসছেন, কমিটি হবে। কেন্দ্রীয় সভাপতি লন্ডনে যাচ্ছেন। হয়তো দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সম্মতি সাপেক্ষে দেশে ফিরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।
যুবদলের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা যুবদল একীভূত করে জেলা যুবদল গঠিত হচ্ছে। যে কারণে জেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাও বেড়েছে। তবে আগে যাঁরা পদে ছিলেন, তাঁদের শীর্ষ নেতৃত্বে রেখেই নতুন কমিটি করার তোড়জোড় চলছে এ মাসেই। এই পরিস্থিতিতে নগর যুবদলের সম্ভাব্য সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আছেন অনেকে। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাবেক ছাত্রনেতা অহিদুল ইসলাম রুবেল, নগর ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম রনি, সাবেক ছাত্রনেতা আরিফুর রহমান মুন্না, রিয়াজুর রহমান রিয়াজ, রফিকুল ইসলাম জনি প্রমুখ।
সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী অহিদুল ইসলাম রুবেল বলেন, ‘বয়সের কারণে বি এম কলেজ এবং মহানগর ছাত্রদল থেকে বাদ পড়েছি। ২০ বছর ধরে পদবিহীন অবস্থায় দলের কর্মী হিসেবে কাজ করছি। আমরা মনে করি, যুবদলে নতুন নেতৃত্ব সৃস্টি হোক যুবদল কর্মীদের দিয়েই। শোনা যায়, বিএনপি নেতারা যুবদলে আসতে চান। এমনটা হলে দলের ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হবে।’
২০২১ সালে যুবদলের বরিশাল জেলা (দক্ষিণ) শাখার সভাপতি হন পারভেজ আকন বিপ্লব এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন এইচ এম তসলিম উদ্দিন। ২০২১ সালে বিপ্লব মারা গেলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হন মামুন রেজা খান। জানা গেছে, জেলা যুবদলের সভাপতি প্রার্থী হতে যাচ্ছেন বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এইচ এম তছলিম উদ্দিন, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন রেজা খান এবং উত্তরের সদস্যসচিব গোলাম মোর্শেদ মাসুদ। এই প্রসঙ্গে যুবদল নেতা তছলিম উদ্দিন বলেন, কমিটি তো হওয়ার কথা ছিল। হয়তো সারা দেশের কয়েকটি ইউনিট নিয়ে একসঙ্গে কমিটি দেবে।
অপরদিকে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হচ্ছেন জেলা যুবদলের (উত্তর) যুগ্ম আহ্বায়ক কায়সার আহমেদ, জেলা দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজ আহমেদ বাবলু এবং উত্তরের আহ্বায়ক সালাউদ্দিন পিপলু।
জেলার সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী কায়সার আহমেদ বলেন, ‘উত্তর ও দক্ষিণ যুবদল এক করার সিদ্ধান্ত দিয়েছে কেন্দ্র। যে কারণে জেলা যুবদলের নেতৃত্বে আসা আমাদের অধিকার।’ তিনি বলেন, ‘সামনে নির্বাচন। যে নেতারা টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, সুবিধাবাদীতে ছিল, তারা যেন যুবদলের কমিটিতে না আসে। পুরোনো-নতুন মিলিয়ে কমিটি হোক। তা না হলে একচেটিয়া হয়ে দল দুর্বল হবে।’
নতুন কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) আকন কুদ্দুসুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, যুবদলের নতুন কমিটি গঠনের কথাবার্তা চলছে। শিগগির কমিটি প্রকাশ করবে কেন্দ্র। যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলে নবীন এবং পুরোনোদের সমন্বয়ে যাতে কমিটি হয়, সে বিষয়ে আহ্বান জানাবেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৬ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৬ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৬ ঘণ্টা আগে