নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে আজ সোমবার হঠাৎ কালবৈশাখীতে বরিশাল জিলা স্কুলকেন্দ্রের কয়েকটি কক্ষে বৃষ্টির পানি ঢোকে। কক্ষগুলোতে জানালার গ্লাস না থাকায় বৃষ্টির পানি ঢুকে খাতা ও প্রশ্নপত্র আংশিক ভিজে যায় বলে অভিযোগ পরীক্ষার্থীদের। এতে পরীক্ষায় বিঘ্ন ঘটেছে বলে জানান অভিভাবকেরা।
জানা গেছে, আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দমকা হাওয়া ও বৃষ্টির সঙ্গে ঝড় শুরু হয়। এ সময় গণিত পরীক্ষা চলছিল। বরিশাল জিলা স্কুলকেন্দ্রের ১১০,১১১, ১১২ নম্বর কক্ষে হঠাৎ বৃষ্টির পানি ঢুকে পড়ে। এর কারণ জানালার গ্লাস নেই। আবার কোনো কোনোটায় নেই কপাটও।
পরীক্ষার্থীরা বলছে, বৃষ্টির পানির ঝাপটায় বেঞ্চ ও টেবিল ভিজে যাওয়ায় তাদের খাতাপত্র ও প্রশ্নপত্র আংশিক ভিজে গেছে। ১০ থেকে ১৫ মিনিট চলা এই অবস্থায় পরীক্ষায় বিঘ্ন ঘটে। এ সময় ওই সব কক্ষের পরীক্ষার্থীরা সময় বাড়িয়ে দেওয়ার দাবি জানায়। কিন্তু কক্ষ পরিদর্শক তাতে ভ্রুক্ষেপই করেননি।
পরীক্ষা শেষে একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করেন, কক্ষে জানালার গ্লাস নেই। পরীক্ষা নেওয়ার আগে এসব কক্ষ প্রস্তুত করা উচিত ছিল। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে পরীক্ষার্থীরা যে প্রশ্ন পারে, তারও উত্তর দিতে পারেনি সময়ের অভাবে। ওই কেন্দ্রে উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও অক্সফোর্ড মিশন স্কুলের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিয়েছে।
বরিশাল জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্রসচিব অনিতা রানী হালদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, কিছু জানালার গ্লাস ভেঙে গেছে। খাতাপত্রে কোনো বৃষ্টির ফোঁটা পড়েনি। তিনি বলেন, অভিভাবকেরা বাহির থেকে কত কথাই তো বলবেন। পরীক্ষার্থীদের সময় বাড়িয়ে দেওয়ার দাবি করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কক্ষ পরিদর্শকেরা এ বিষয় তাঁকে জানায়ইনি। সময় বাড়িয়ে দেওয়ার তারাই বা কে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউনুস আলী সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে জানান, জিলা স্কুলকেন্দ্রের সচিবের সঙ্গে এ বিষয়ে তিনি কথা বলেছেন। তিনি (কেন্দ্রসচিব) বলেছেন, ঝড়ে কোনো সমস্যা হয়নি। বৃষ্টির সময় বেঞ্চ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। খাতা কিংবা প্রশ্নপত্র ভিজে যাওয়ার তথ্য সঠিক নয়।

এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে আজ সোমবার হঠাৎ কালবৈশাখীতে বরিশাল জিলা স্কুলকেন্দ্রের কয়েকটি কক্ষে বৃষ্টির পানি ঢোকে। কক্ষগুলোতে জানালার গ্লাস না থাকায় বৃষ্টির পানি ঢুকে খাতা ও প্রশ্নপত্র আংশিক ভিজে যায় বলে অভিযোগ পরীক্ষার্থীদের। এতে পরীক্ষায় বিঘ্ন ঘটেছে বলে জানান অভিভাবকেরা।
জানা গেছে, আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দমকা হাওয়া ও বৃষ্টির সঙ্গে ঝড় শুরু হয়। এ সময় গণিত পরীক্ষা চলছিল। বরিশাল জিলা স্কুলকেন্দ্রের ১১০,১১১, ১১২ নম্বর কক্ষে হঠাৎ বৃষ্টির পানি ঢুকে পড়ে। এর কারণ জানালার গ্লাস নেই। আবার কোনো কোনোটায় নেই কপাটও।
পরীক্ষার্থীরা বলছে, বৃষ্টির পানির ঝাপটায় বেঞ্চ ও টেবিল ভিজে যাওয়ায় তাদের খাতাপত্র ও প্রশ্নপত্র আংশিক ভিজে গেছে। ১০ থেকে ১৫ মিনিট চলা এই অবস্থায় পরীক্ষায় বিঘ্ন ঘটে। এ সময় ওই সব কক্ষের পরীক্ষার্থীরা সময় বাড়িয়ে দেওয়ার দাবি জানায়। কিন্তু কক্ষ পরিদর্শক তাতে ভ্রুক্ষেপই করেননি।
পরীক্ষা শেষে একাধিক অভিভাবক অভিযোগ করেন, কক্ষে জানালার গ্লাস নেই। পরীক্ষা নেওয়ার আগে এসব কক্ষ প্রস্তুত করা উচিত ছিল। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে পরীক্ষার্থীরা যে প্রশ্ন পারে, তারও উত্তর দিতে পারেনি সময়ের অভাবে। ওই কেন্দ্রে উদয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নুরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও অক্সফোর্ড মিশন স্কুলের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিয়েছে।
বরিশাল জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্রসচিব অনিতা রানী হালদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, কিছু জানালার গ্লাস ভেঙে গেছে। খাতাপত্রে কোনো বৃষ্টির ফোঁটা পড়েনি। তিনি বলেন, অভিভাবকেরা বাহির থেকে কত কথাই তো বলবেন। পরীক্ষার্থীদের সময় বাড়িয়ে দেওয়ার দাবি করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কক্ষ পরিদর্শকেরা এ বিষয় তাঁকে জানায়ইনি। সময় বাড়িয়ে দেওয়ার তারাই বা কে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউনুস আলী সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে জানান, জিলা স্কুলকেন্দ্রের সচিবের সঙ্গে এ বিষয়ে তিনি কথা বলেছেন। তিনি (কেন্দ্রসচিব) বলেছেন, ঝড়ে কোনো সমস্যা হয়নি। বৃষ্টির সময় বেঞ্চ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। খাতা কিংবা প্রশ্নপত্র ভিজে যাওয়ার তথ্য সঠিক নয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে