আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

ঢাকা থেকে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার জন্য সংযোগকারী ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এক বিমানে ওঠেন নজরুল ইসলাম ডাকুয়া (৪৭)। ট্রানজিটের জন্য ফ্লাইটটি হংকংয়ে অবতরণ করলেও তিনি সিট থেকে নামছিলেন না। বিষয়টি দেখতে পেয়ে বিমান কর্তৃপক্ষ তাঁর কাছে গিয়ে দেখতে পায় তিনি অচেতন অবস্থায় রয়েছেন। তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নজরুল ইসলাম ডাকুয়ার বাড়ি বরগুনার তালতলী উপজেলার ছোটবগী গ্রামে। চলতি বছরের জুলাইয়ে স্ত্রী-দুই সন্তান নিয়ে আমেরিকা যাওয়ার ভিসা পেয়েছিলেন। তাঁর চার ভাই ও মা সেখানেই থাকেন। যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে একাই রওনা দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মাঝপথে তাঁর মৃত্যু হলো।
পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ডিগ্রি কলেজের ইসলাম ইতিহাসের প্রভাষকের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। আজকের পত্রিকার বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলা প্রতিনিধি মো. হোসাইন আলী কাজীর খালাতো ভাই তিনি।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তালতলী উপজেলার ছোটবগী গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেন ডাকুয়ার বড় ছেলে মো. তোফাজ্জেল হোসেন। ১৯৯৫ সালে তিনি গ্রিন কার্ড লটারির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে যান। এর পাঁচ বছরের মাথায় তিনি তাঁর মা ফাতেমা বেগমকেও আমেরিকা নিয়ে যান।
এরপর একেক করে তোফাজ্জেল তাঁর তিন ভাই মোজাম্মেল ডাকুয়া, মো. মিজানুর রহমান ও মনিরুল ইসলামকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান। এ বছর জুলাই মাসে সেজো ভাই নজরুল ইসলাম ডাকুয়া, তাঁর স্ত্রী লায়ল আক্তার (৪০), ছেলে জিহাদুল ইসলাম ইহান (৯) ও মেয়ে নওরিন ইসলাম ইভা (১৮) যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার ভিসা পান। গত সোমবার একাই যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি ত্যাগ করেন।
গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। তাঁকে বহনকারী বিমানটি আজ বুধবার সকাল ৮টায় হংকং বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ওই বিমানবন্দর থেকে তাঁর অন্য বিমানে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু তিনি বিমান থেকে নামছিলেন না। বিমান কর্তৃপক্ষ তাঁকে তাঁর সিটে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তারা তাঁকে উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়।
ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে মৃত ঘোষণা করেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বর্তমানে তাঁর মরদেহ হংকং বিমানবন্দরের একটি হাসপাতালে রয়েছে। এ খবর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর স্বজনদের মাঝে পৌঁছালে স্বজনেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এদিকে নজরুলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে হংকং অবস্থানরত বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
আজ বিকেলে তাঁর গ্রামের বাড়ি ঘুরে দেখা গেছে, স্বজনদের আহাজারি থামছেই না।
স্ত্রী লায়ল কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আল্লাহর নেওয়ার ইচ্ছাই যখন ছিল, এভাবে নিল কেন? বাড়িতে বসে নিয়ে যেত।’
অপর দিকে মা ফাতেমা বেগম পুত্রশোকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ছেলে তোফাজ্জেলের স্ত্রী মরিয়ম বেগম।
যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বড় ভাই মো. তোফাজ্জেল হোসেন ডাকুয়া বলেন, ‘আমার ভাই বিমানে মারা গেছে। কীভাবে মারা গেছে তা আমি এখনো নিশ্চিত না। তবে বিমান কর্তৃপক্ষ অবহিত করেছে হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়েছে।’

ঢাকা থেকে যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার জন্য সংযোগকারী ফ্লাইটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এক বিমানে ওঠেন নজরুল ইসলাম ডাকুয়া (৪৭)। ট্রানজিটের জন্য ফ্লাইটটি হংকংয়ে অবতরণ করলেও তিনি সিট থেকে নামছিলেন না। বিষয়টি দেখতে পেয়ে বিমান কর্তৃপক্ষ তাঁর কাছে গিয়ে দেখতে পায় তিনি অচেতন অবস্থায় রয়েছেন। তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
নজরুল ইসলাম ডাকুয়ার বাড়ি বরগুনার তালতলী উপজেলার ছোটবগী গ্রামে। চলতি বছরের জুলাইয়ে স্ত্রী-দুই সন্তান নিয়ে আমেরিকা যাওয়ার ভিসা পেয়েছিলেন। তাঁর চার ভাই ও মা সেখানেই থাকেন। যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে একাই রওনা দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু মাঝপথে তাঁর মৃত্যু হলো।
পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ডিগ্রি কলেজের ইসলাম ইতিহাসের প্রভাষকের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। আজকের পত্রিকার বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলা প্রতিনিধি মো. হোসাইন আলী কাজীর খালাতো ভাই তিনি।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তালতলী উপজেলার ছোটবগী গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেন ডাকুয়ার বড় ছেলে মো. তোফাজ্জেল হোসেন। ১৯৯৫ সালে তিনি গ্রিন কার্ড লটারির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে যান। এর পাঁচ বছরের মাথায় তিনি তাঁর মা ফাতেমা বেগমকেও আমেরিকা নিয়ে যান।
এরপর একেক করে তোফাজ্জেল তাঁর তিন ভাই মোজাম্মেল ডাকুয়া, মো. মিজানুর রহমান ও মনিরুল ইসলামকে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে যান। এ বছর জুলাই মাসে সেজো ভাই নজরুল ইসলাম ডাকুয়া, তাঁর স্ত্রী লায়ল আক্তার (৪০), ছেলে জিহাদুল ইসলাম ইহান (৯) ও মেয়ে নওরিন ইসলাম ইভা (১৮) যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার ভিসা পান। গত সোমবার একাই যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি ত্যাগ করেন।
গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন। তাঁকে বহনকারী বিমানটি আজ বুধবার সকাল ৮টায় হংকং বিমানবন্দরে অবতরণ করে। ওই বিমানবন্দর থেকে তাঁর অন্য বিমানে ওঠার কথা ছিল। কিন্তু তিনি বিমান থেকে নামছিলেন না। বিমান কর্তৃপক্ষ তাঁকে তাঁর সিটে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়। পরে তারা তাঁকে উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়।
ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে মৃত ঘোষণা করেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বর্তমানে তাঁর মরদেহ হংকং বিমানবন্দরের একটি হাসপাতালে রয়েছে। এ খবর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর স্বজনদের মাঝে পৌঁছালে স্বজনেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এদিকে নজরুলের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে হংকং অবস্থানরত বাংলাদেশ দূতাবাসে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
আজ বিকেলে তাঁর গ্রামের বাড়ি ঘুরে দেখা গেছে, স্বজনদের আহাজারি থামছেই না।
স্ত্রী লায়ল কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আল্লাহর নেওয়ার ইচ্ছাই যখন ছিল, এভাবে নিল কেন? বাড়িতে বসে নিয়ে যেত।’
অপর দিকে মা ফাতেমা বেগম পুত্রশোকে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী ছেলে তোফাজ্জেলের স্ত্রী মরিয়ম বেগম।
যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বড় ভাই মো. তোফাজ্জেল হোসেন ডাকুয়া বলেন, ‘আমার ভাই বিমানে মারা গেছে। কীভাবে মারা গেছে তা আমি এখনো নিশ্চিত না। তবে বিমান কর্তৃপক্ষ অবহিত করেছে হার্ট অ্যাটাকে তার মৃত্যু হয়েছে।’

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
১২ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
২৪ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে