বরগুনা প্রতিনিধি

দলীয় নেতা-কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংখ্যালঘু নারীকে মারধর, সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি দখলের অভিযোগসহ নানা কারণে বিতর্কিত বরগুনা-২ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের ১৩ নেতা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে লড়তে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন তাঁরা।
এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর তালিকা আগামীকাল ঘোষণা করা হতে পারে। এরই মধ্যে বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলার সংসদীয় আসনে কারা মনোনয়ন পাচ্ছেন, তাদের একটি তালিকা গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা যায়, বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য রিমনের জায়গায় সংরক্ষিত নারী আসনের (৩১৫, বরগুনা) সংসদ সদস্য সুলতানা নাদিরার নাম। এই তালিকার সূত্র ধরে নির্বাচনী এলাকায় অনেকে উচ্ছ্বসিত। ফেসবুকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন অনেকে; কেউ কেউ মিষ্টি বিতরণও করেছেন।
এই আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য গোলাম সবুর ২০১৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলে উপনির্বাচনে নৌকা প্রতীকে শওকত হাচানুর রহমান রিমন নির্বাচিত হন। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি জয়ী হন।
বরগুনা-২ আসনে রিমনের বিপরীতে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের ১৩ জন নেতা। এদের মধ্যে আছেন পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাবির হোসেন, বামনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইতুল ইসলাম লিটু, বেতাগী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম গোলাম কবীর। এছাড়াও যুবলীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সুভাষ চন্দ্র হাওলাদারও প্রার্থী হতে চান।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নানা কারণে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ রিমনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। কেন তাঁর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কথায় উঠে এসেছে। তবে এ বিষয়ে শওকত হাচানুর রহমান রিমনের মন্তব্য পাওয়া পাওয়া যায়নি।
পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাবির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দলীয় এমপির বিরুদ্ধে দলীয় নেতা-কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, সংখ্যালঘু নারীসহ বিভিন্ন ব্যক্তির গায়ে হাত তোলা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও সরকারি জমি দখলের মতো নানাবিধ অভিযোগে আমরা বিব্রত। গত পাঁচ বছরে তিনি দলীয় কর্মসূচিতেও অনিয়মিত ছিলেন। বরং এলাকায় তিনি নিজস্ব বলয় গঠন করেছেন, যার বেশিরভাগই জামায়াত-বিএনপির সমর্থক। দলীয় এমপি হয়েও দলবিরোধী কর্মকাণ্ড করায় রিমনকে নিয়ে আমরা বিপদে আছি। এসব কারণেই এবার সংসদ সদস্য রিমনের বিপক্ষে ১৩ জন নেতা এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।’
মুক্তিযুদ্ধের সময় রিমনের বাবা বরগুনা মহকুমা শান্তি কমিটির কমান্ডার ছিলেন- এ তথ্য তুলে পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন বলেন, ‘রিমন মনোনয়ন পাওয়ার পর আমরা বিব্রত ছিলাম। গত পাঁচ বছরে এমপি রিমন অনেক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করেছেন।’
বামনা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম জোমাদ্দার বলেন, রিমন আওয়ামী লীগ করা লোক নন, ছিলেন একজন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান।
পাথরঘাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল খালেক বলেন, এমপি রিমনের বাবা ‘খলিলুর রহমান বহু মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করেছেন, অগ্নিসংযোগ-লুটপাট চালিয়েছেন। রিমন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার পর আমরা ভেতরে-ভেতরে অনেক কষ্ট পেয়েছি এবং ক্ষুব্ধ ছিলাম। রিমন কখনোই মুক্তিযোদ্ধাদের ভালোভাবে দেখতে পারতেন না। গত পাঁচ বছরে তিনি দলের অনেক ক্ষতি করেছেন।’
এসব বিষয়ে মন্তব্য জানতে বরগুনা ২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি। তার হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

দলীয় নেতা-কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংখ্যালঘু নারীকে মারধর, সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি দখলের অভিযোগসহ নানা কারণে বিতর্কিত বরগুনা-২ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের ১৩ নেতা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার প্রার্থী হিসেবে তাঁর বিরুদ্ধে লড়তে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন তাঁরা।
এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর তালিকা আগামীকাল ঘোষণা করা হতে পারে। এরই মধ্যে বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলার সংসদীয় আসনে কারা মনোনয়ন পাচ্ছেন, তাদের একটি তালিকা গত শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা যায়, বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য রিমনের জায়গায় সংরক্ষিত নারী আসনের (৩১৫, বরগুনা) সংসদ সদস্য সুলতানা নাদিরার নাম। এই তালিকার সূত্র ধরে নির্বাচনী এলাকায় অনেকে উচ্ছ্বসিত। ফেসবুকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন অনেকে; কেউ কেউ মিষ্টি বিতরণও করেছেন।
এই আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য গোলাম সবুর ২০১৩ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলে উপনির্বাচনে নৌকা প্রতীকে শওকত হাচানুর রহমান রিমন নির্বাচিত হন। ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি জয়ী হন।
বরগুনা-২ আসনে রিমনের বিপরীতে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের ১৩ জন নেতা। এদের মধ্যে আছেন পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাবির হোসেন, বামনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইতুল ইসলাম লিটু, বেতাগী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম গোলাম কবীর। এছাড়াও যুবলীগের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সুভাষ চন্দ্র হাওলাদারও প্রার্থী হতে চান।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নানা কারণে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ রিমনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। কেন তাঁর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, মনোনয়নপ্রত্যাশীদের কথায় উঠে এসেছে। তবে এ বিষয়ে শওকত হাচানুর রহমান রিমনের মন্তব্য পাওয়া পাওয়া যায়নি।
পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাবির হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দলীয় এমপির বিরুদ্ধে দলীয় নেতা-কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, সংখ্যালঘু নারীসহ বিভিন্ন ব্যক্তির গায়ে হাত তোলা, বিভিন্ন ব্যক্তি ও সরকারি জমি দখলের মতো নানাবিধ অভিযোগে আমরা বিব্রত। গত পাঁচ বছরে তিনি দলীয় কর্মসূচিতেও অনিয়মিত ছিলেন। বরং এলাকায় তিনি নিজস্ব বলয় গঠন করেছেন, যার বেশিরভাগই জামায়াত-বিএনপির সমর্থক। দলীয় এমপি হয়েও দলবিরোধী কর্মকাণ্ড করায় রিমনকে নিয়ে আমরা বিপদে আছি। এসব কারণেই এবার সংসদ সদস্য রিমনের বিপক্ষে ১৩ জন নেতা এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।’
মুক্তিযুদ্ধের সময় রিমনের বাবা বরগুনা মহকুমা শান্তি কমিটির কমান্ডার ছিলেন- এ তথ্য তুলে পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন বলেন, ‘রিমন মনোনয়ন পাওয়ার পর আমরা বিব্রত ছিলাম। গত পাঁচ বছরে এমপি রিমন অনেক বিতর্কিত কর্মকাণ্ড করেছেন।’
বামনা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম জোমাদ্দার বলেন, রিমন আওয়ামী লীগ করা লোক নন, ছিলেন একজন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান।
পাথরঘাটা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল খালেক বলেন, এমপি রিমনের বাবা ‘খলিলুর রহমান বহু মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করেছেন, অগ্নিসংযোগ-লুটপাট চালিয়েছেন। রিমন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার পর আমরা ভেতরে-ভেতরে অনেক কষ্ট পেয়েছি এবং ক্ষুব্ধ ছিলাম। রিমন কখনোই মুক্তিযোদ্ধাদের ভালোভাবে দেখতে পারতেন না। গত পাঁচ বছরে তিনি দলের অনেক ক্ষতি করেছেন।’
এসব বিষয়ে মন্তব্য জানতে বরগুনা ২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি ধরেননি। তার হোয়াটসঅ্যাপে খুদে বার্তা পাঠিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে