বরগুনা ও আমতলী প্রতিনিধি

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বরগুনার আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভার কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে আমতলী উপজেলা প্রশাসন ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।
আজ রোববার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আবু জাহের অননুমোদিত সভার কার্যক্রম বন্ধ করে দেন।
আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রোববার সকাল ১০টার দিকে বিশেষ বর্ধিত সভার আয়োজন করে উপজেলা আওয়ামী লীগ। সকাল ১০ টায় পৌর শহরের আব্দুল্লাহ মার্কেটে সভা শুরু হয়। দলীয় সভা হলেও সভা স্থানে ছয়টি মাইক ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও সভা সফল করতে গুলিশাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাড. এইচএম মনিরুল ইসলাম মনি, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সোবাহান লিটন ও পৌর কাউন্সিলর রিয়াজ উদ্দিন মৃধাসহ অন্যদের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো লোক মিছিল নিয়ে সভাস্থলে আসেন।
সভার শুরুতে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মেয়র মতিয়ার রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশ যারা নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচন করছেন তাদের তালিকা করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকবে না, অন্যান্য প্রার্থীদের সঙ্গে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।’
বরগুনা-১ (আমতলী-তালতলী ও বরগুনা সদর) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু উপস্থিতিতেই তিনি এমন বক্তব্য দেন।
বর্ধিত সভার নামে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর প্রচারণা সভা ও উসকানিমূলক বক্তব্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সরোয়ার ফোরকান সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আচরণবিধি লঙ্ঘনের মৌখিক অভিযোগ করেন।
অননুমোদিত সভা করে জনসমাগম ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের খবর পেয়ে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও যুগ্ম জেলা জজ আহম্মদ সাইদ সভাস্থালে উপস্থিত হন। তার নির্দেশে আচরণবিধি লঙ্ঘিত হওয়ায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বর্ধিত সভার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন।
পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আবু জাহের সভাস্থলে উপস্থিত হয়ে কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। পরে সংক্ষিপ্ত পরিসরে মাইক বাদ দিয় তরিঘরি করে সভা শেষ করা হয়। এ ঘটনার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সরোয়ার ফোরকান প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এতে মতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে ‘১৮ তারিখের পরে কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মাঠে থাকবে না, যদি থাকে তাদের পিটিয়ে নির্বাচনী মাঠ থেকে বিতারিত করা হবে, এমনকি কোনো এজেন্টও দিতে পারবে না’ এমন উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় শাস্তির দাবি জানানো হয়।
স্বতন্ত্র প্রার্থী বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগ সাবেক সদস্য গোলাম সরোয়ার ফোরকান বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগ বর্ধিত সভার নামে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। দলীয় নেতা কর্মীরা মিছিল নিয়ে সভামঞ্চে এসেছেন। এটা আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আচরণবিধিতে মাইক ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তারা তা মানছেন না। অনেক মাইক ব্যবহার করে বর্ধিত সভা করেছেন। ওই সভায় মেয়র মতিয়ার রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকবে না বলে হুমকি দেন। এটা আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন।’ এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান বলেন, ‘বিশেষ বর্ধিত সভা আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ সভা ছিল। ওই সভায় প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাওয়া হয়নি বা আচরণবিধি লঙ্ঘন হয় এমন কোনো কার্যক্রম করা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসন আমাদের মাইক ব্যবহার বন্ধ করতে ও জন সমাগম কমাতে বলেছেন। আমরা প্রশাসনের নির্দেশ মত মাইক বন্ধ করেছি।’ পরবর্তীতে সংক্ষিপ্ত পরিসরে সভার কার্যক্রম শেষ করেছি।
আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনা (ভূমি) আব্দুল্লাহ আবু জাহের আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অননুমোদিত নির্বাচনী সভায় জনসমাগম, আচরণবিধি লঙ্ঘন ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় সভার কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছি।’
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির ১০৯ বরগুনা-১, চেয়ারম্যান ও যুগ্ম জেলা জজ আহম্মদ সাইদ বলেন, ‘আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারনে উপজেলা প্রশাসনকে সভার কার্যক্রম বন্ধের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশ দিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ ব্যাপারে পরবর্তীতে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বরগুনার আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভার কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে আমতলী উপজেলা প্রশাসন ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।
আজ রোববার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আবু জাহের অননুমোদিত সভার কার্যক্রম বন্ধ করে দেন।
আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রোববার সকাল ১০টার দিকে বিশেষ বর্ধিত সভার আয়োজন করে উপজেলা আওয়ামী লীগ। সকাল ১০ টায় পৌর শহরের আব্দুল্লাহ মার্কেটে সভা শুরু হয়। দলীয় সভা হলেও সভা স্থানে ছয়টি মাইক ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও সভা সফল করতে গুলিশাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাড. এইচএম মনিরুল ইসলাম মনি, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সোবাহান লিটন ও পৌর কাউন্সিলর রিয়াজ উদ্দিন মৃধাসহ অন্যদের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো লোক মিছিল নিয়ে সভাস্থলে আসেন।
সভার শুরুতে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মেয়র মতিয়ার রহমান বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশ যারা নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচন করছেন তাদের তালিকা করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকবে না, অন্যান্য প্রার্থীদের সঙ্গে আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।’
বরগুনা-১ (আমতলী-তালতলী ও বরগুনা সদর) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু উপস্থিতিতেই তিনি এমন বক্তব্য দেন।
বর্ধিত সভার নামে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর প্রচারণা সভা ও উসকানিমূলক বক্তব্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সরোয়ার ফোরকান সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আচরণবিধি লঙ্ঘনের মৌখিক অভিযোগ করেন।
অননুমোদিত সভা করে জনসমাগম ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের খবর পেয়ে নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির চেয়ারম্যান ও যুগ্ম জেলা জজ আহম্মদ সাইদ সভাস্থালে উপস্থিত হন। তার নির্দেশে আচরণবিধি লঙ্ঘিত হওয়ায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বর্ধিত সভার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেন।
পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আবু জাহের সভাস্থলে উপস্থিত হয়ে কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। পরে সংক্ষিপ্ত পরিসরে মাইক বাদ দিয় তরিঘরি করে সভা শেষ করা হয়। এ ঘটনার পর স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম সরোয়ার ফোরকান প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এতে মতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে ‘১৮ তারিখের পরে কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মাঠে থাকবে না, যদি থাকে তাদের পিটিয়ে নির্বাচনী মাঠ থেকে বিতারিত করা হবে, এমনকি কোনো এজেন্টও দিতে পারবে না’ এমন উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় শাস্তির দাবি জানানো হয়।
স্বতন্ত্র প্রার্থী বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগ সাবেক সদস্য গোলাম সরোয়ার ফোরকান বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগ বর্ধিত সভার নামে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। দলীয় নেতা কর্মীরা মিছিল নিয়ে সভামঞ্চে এসেছেন। এটা আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আচরণবিধিতে মাইক ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তারা তা মানছেন না। অনেক মাইক ব্যবহার করে বর্ধিত সভা করেছেন। ওই সভায় মেয়র মতিয়ার রহমান স্বতন্ত্র প্রার্থী থাকবে না বলে হুমকি দেন। এটা আচরণবিধির চরম লঙ্ঘন।’ এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি পৌর মেয়র মতিয়ার রহমান বলেন, ‘বিশেষ বর্ধিত সভা আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ সভা ছিল। ওই সভায় প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাওয়া হয়নি বা আচরণবিধি লঙ্ঘন হয় এমন কোনো কার্যক্রম করা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসন আমাদের মাইক ব্যবহার বন্ধ করতে ও জন সমাগম কমাতে বলেছেন। আমরা প্রশাসনের নির্দেশ মত মাইক বন্ধ করেছি।’ পরবর্তীতে সংক্ষিপ্ত পরিসরে সভার কার্যক্রম শেষ করেছি।
আমতলী উপজেলা সহকারী কমিশনা (ভূমি) আব্দুল্লাহ আবু জাহের আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অননুমোদিত নির্বাচনী সভায় জনসমাগম, আচরণবিধি লঙ্ঘন ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ায় সভার কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছি।’
নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির ১০৯ বরগুনা-১, চেয়ারম্যান ও যুগ্ম জেলা জজ আহম্মদ সাইদ বলেন, ‘আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারনে উপজেলা প্রশাসনকে সভার কার্যক্রম বন্ধের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশ দিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এ ব্যাপারে পরবর্তীতে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে