বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনায় বৃদ্ধা মায়ের ভরণপোষণ না দেওয়া এবং জমি আত্মসাতের অভিযোগে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বরগুনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন সদর উপজেলার এম. বালিয়াতলী ইউনিয়নের জেলখানা গ্রামের মৃত খবির মুসুল্লির স্ত্রী মোসা. হাসিনা বেগম। আজ শনিবার বিকেলে বাদীর আইনজীবী অ্যাড. হাবিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার আসামি মো. আল আমিন একটি বাহিনীতে কর্মরত আছেন।
আইনজীবী অ্যাড. হাবিবুর রহমান বলেন, বাদীকে তাঁর ছেলে ভরণপোষণ না দিয়ে বিভিন্ন সময় নির্যাতন ও স্বামীর জমিজমা থেকে বঞ্চিত করে কৌশলে তা আত্মসাৎ করে ঘর থেকে বের করে দেয়। এ অভিযোগে গত বুধবার বরগুনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী হয়ে ছেলে আল আমিনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন মা হাসিনা বেগম। গত বৃহস্পতিবার আদালত মামলাটি আমলেও নিয়েছেন। আশা করি শিগগিরই আদালতের মাধ্যমে বাদী তার ন্যায় বিচার পাবেন।
বাদী হাসিনা বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, আমার স্বামীর মৃত্যুর পরে জমিজমা বর্গা দিয়ে আমি জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলাম। সকল জমিজমা কৌশলে আমার ছেলে তার নামে দলিল করে নিয়ে এখন আমাকে চিকিৎসাসহ ভরণপোষণ থেকে বঞ্চিত করছে। আমি বৃদ্ধ মানুষ, ভরণপোষণ ও জমি ফেরত চাওয়ায় আমাকে মারধর করে আমার ছেলে ও তার স্ত্রী ঘর থেকে বের করে দিয়েছে। তাই বিচার চেয়ে আমি এ মামলা করেছি। বর্তমানে বড় মেয়ের জামাইয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি। সেখান থেকেও তুলে নিতে পাঁয়তারা করছেন ছেলে আল আমিন।
এ বিষয় জানতে যোগাযোগ করা হলে হাসিনা বেগমের ছেলে মো. আল আমিন মুঠোফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, আমি ব্যস্ত আছি। এ বিষয় আমি বক্তব্য দিতে প্রস্তুত না। পরে আপনাকে জানাব।

বরগুনায় বৃদ্ধা মায়ের ভরণপোষণ না দেওয়া এবং জমি আত্মসাতের অভিযোগে ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বরগুনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন সদর উপজেলার এম. বালিয়াতলী ইউনিয়নের জেলখানা গ্রামের মৃত খবির মুসুল্লির স্ত্রী মোসা. হাসিনা বেগম। আজ শনিবার বিকেলে বাদীর আইনজীবী অ্যাড. হাবিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার আসামি মো. আল আমিন একটি বাহিনীতে কর্মরত আছেন।
আইনজীবী অ্যাড. হাবিবুর রহমান বলেন, বাদীকে তাঁর ছেলে ভরণপোষণ না দিয়ে বিভিন্ন সময় নির্যাতন ও স্বামীর জমিজমা থেকে বঞ্চিত করে কৌশলে তা আত্মসাৎ করে ঘর থেকে বের করে দেয়। এ অভিযোগে গত বুধবার বরগুনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বাদী হয়ে ছেলে আল আমিনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন মা হাসিনা বেগম। গত বৃহস্পতিবার আদালত মামলাটি আমলেও নিয়েছেন। আশা করি শিগগিরই আদালতের মাধ্যমে বাদী তার ন্যায় বিচার পাবেন।
বাদী হাসিনা বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, আমার স্বামীর মৃত্যুর পরে জমিজমা বর্গা দিয়ে আমি জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলাম। সকল জমিজমা কৌশলে আমার ছেলে তার নামে দলিল করে নিয়ে এখন আমাকে চিকিৎসাসহ ভরণপোষণ থেকে বঞ্চিত করছে। আমি বৃদ্ধ মানুষ, ভরণপোষণ ও জমি ফেরত চাওয়ায় আমাকে মারধর করে আমার ছেলে ও তার স্ত্রী ঘর থেকে বের করে দিয়েছে। তাই বিচার চেয়ে আমি এ মামলা করেছি। বর্তমানে বড় মেয়ের জামাইয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছি। সেখান থেকেও তুলে নিতে পাঁয়তারা করছেন ছেলে আল আমিন।
এ বিষয় জানতে যোগাযোগ করা হলে হাসিনা বেগমের ছেলে মো. আল আমিন মুঠোফোনে আজকের পত্রিকাকে বলেন, আমি ব্যস্ত আছি। এ বিষয় আমি বক্তব্য দিতে প্রস্তুত না। পরে আপনাকে জানাব।

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১৪ মিনিট আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১৯ মিনিট আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তা ছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
৩৩ মিনিট আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩৯ মিনিট আগে