সোহেল মারমা ও জমির উদ্দিন, বান্দরবান থেকে

থমথমে পরিস্থিতির মধ্যে বান্দরবানের সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি ইতিমধ্যে ঢাকা থেকে রওনা দিয়েছেন। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বান্দরবানের রুমায় পৌঁছানোর কথা তাঁর।
এর আগে গতকাল শুক্রবার মন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বান্দরবান সফরের এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘শনিবার (৬ এপ্রিল) ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে বান্দরবানে যাবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি জেলার রুমা উপজেলায় পৌঁছাবেন। পরে মন্ত্রী বান্দরবানের রুমাসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন।’
এ সময় তিনি বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। আজ দুপুরেই বান্দরবান সার্কিট হাউসে মতবিনিময় শেষে ঢাকার উদ্দেশে তাঁর যাত্রা করার কথা রয়েছে।
এদিকে বান্দরবানের রুমায় ব্যাংক ডাকাতি, ব্যাংকের ব্যবস্থাপককে অপহরণ ও থানচিতে থানা লক্ষ্য করে গুলির পর পুরো বান্দরবানে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনার পর বান্দরবানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ি উপজেলার মানুষ বেশি আতঙ্কে রয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। দোকানপাটে জনসমাগম কমে গেছে। থানচির দিকে বাস চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও রোয়াংছড়ির দেবতাখুমের দিকে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। কাউকে ওইদিকে যেতে দিচ্ছে না প্রশাসন।
সিএনজির অটোরিকশাচালক মো. সিরাজুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঘটনার পর থেকেই রোয়াংছড়ির দেবতাখুমের দিকে গাড়ি চলাচল করতে দিচ্ছে না। রোয়াংছড়ি পর্যন্ত শুধু যেতে দিচ্ছে।
থানচির দিকে চলাচল করা বাসের লাইনম্যান মো. শহীদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, থানচির দিকে বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যাত্রী আগের চেয়ে কমে গেছে।
এ বিষয়ে বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) মো. শাহ আলম বলেন, সব জায়গায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

থমথমে পরিস্থিতির মধ্যে বান্দরবানের সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে আসছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি ইতিমধ্যে ঢাকা থেকে রওনা দিয়েছেন। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বান্দরবানের রুমায় পৌঁছানোর কথা তাঁর।
এর আগে গতকাল শুক্রবার মন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আলমগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বান্দরবান সফরের এ তথ্য জানানো হয়।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ‘শনিবার (৬ এপ্রিল) ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে বান্দরবানে যাবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি জেলার রুমা উপজেলায় পৌঁছাবেন। পরে মন্ত্রী বান্দরবানের রুমাসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন।’
এ সময় তিনি বান্দরবানের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। আজ দুপুরেই বান্দরবান সার্কিট হাউসে মতবিনিময় শেষে ঢাকার উদ্দেশে তাঁর যাত্রা করার কথা রয়েছে।
এদিকে বান্দরবানের রুমায় ব্যাংক ডাকাতি, ব্যাংকের ব্যবস্থাপককে অপহরণ ও থানচিতে থানা লক্ষ্য করে গুলির পর পুরো বান্দরবানে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনার পর বান্দরবানে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে রুমা, থানচি ও রোয়াংছড়ি উপজেলার মানুষ বেশি আতঙ্কে রয়েছে। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। দোকানপাটে জনসমাগম কমে গেছে। থানচির দিকে বাস চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও রোয়াংছড়ির দেবতাখুমের দিকে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। কাউকে ওইদিকে যেতে দিচ্ছে না প্রশাসন।
সিএনজির অটোরিকশাচালক মো. সিরাজুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঘটনার পর থেকেই রোয়াংছড়ির দেবতাখুমের দিকে গাড়ি চলাচল করতে দিচ্ছে না। রোয়াংছড়ি পর্যন্ত শুধু যেতে দিচ্ছে।
থানচির দিকে চলাচল করা বাসের লাইনম্যান মো. শহীদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, থানচির দিকে বাস চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে যাত্রী আগের চেয়ে কমে গেছে।
এ বিষয়ে বান্দরবানের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) মো. শাহ আলম বলেন, সব জায়গায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে