নাইক্ষ্যংছড়ি (বান্দরবান) প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মিয়ানমারে গুলির বিকট শব্দে কেঁপে উঠেছে এ পারের লেবুছড়ি বাহিরমাঠ গ্রাম। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে এ শব্দ শুনতে পান এলাকার বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল আলম, শফিক আহমদ ও গুরামিয়া জানান, তারা নিজ নিজ বাড়িতে ছিলেন। বাহির মাঠ এলাকার গৃহিণীরা পারিবারিক কাজে ব্যস্ত তখন। শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে, ঠিক সেই মুহূর্তে পরপর তিনটি বিকট শব্দের গুলির আওয়াজে সবাই ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন।
তারা আরও জানান, ৫০ নম্বর পিলারের সীমান্ত গেট পয়েন্ট এলাকায় এ শব্দ তারা শোনেন। যা ওই পারের জান্তা সরকারবিরোধী গোষ্ঠী আরকান আর্মি (এএ) নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আর সেখান থেকে অপর বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরএসও এর অবস্থানও রয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে, পরস্পরের মধ্যকার আধিপত্য বিস্তারের জন্য তারা সীমান্তের জিরো পয়েন্টে গোলাগুলি করে থাকে। কারণ উভয় বিদ্রোহী গোষ্ঠী এখন বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থান করছে। জান্তা সরকার এ সীমান্ত এলাকা হারিয়েছে গত দেড় বছর আগে।
৪৫ নম্বর পিলার এলাকার বাসিন্দা ও ইউপি সদস্য সাবের আহমদ বলেন, ‘সীমান্ত এখন আতঙ্কের নাম। কখনো গোলার আওয়াজ আবার কখনো যুদ্ধ বিমানের। সাধারণ মানুষ খুবই আতঙ্কে থাকেন এ সব কারণে। কিন্তু হতদরিদ্র হওয়ায় তারা অন্যত্র চলেও যেতে পারছেন না।’
এ বিষয়ে জানতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (১১ বিজিবি) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে সংযোগ না পাওয়া তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাঠ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি যেহেতু মিয়ানমার অংশের সেহেতু তাদের করার বা বলার কিছু নাই। তাই কোন বক্তব্য দেওয়াও সম্ভব না।’

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মিয়ানমারে গুলির বিকট শব্দে কেঁপে উঠেছে এ পারের লেবুছড়ি বাহিরমাঠ গ্রাম। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে এ শব্দ শুনতে পান এলাকার বাসিন্দারা।
স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল আলম, শফিক আহমদ ও গুরামিয়া জানান, তারা নিজ নিজ বাড়িতে ছিলেন। বাহির মাঠ এলাকার গৃহিণীরা পারিবারিক কাজে ব্যস্ত তখন। শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে, ঠিক সেই মুহূর্তে পরপর তিনটি বিকট শব্দের গুলির আওয়াজে সবাই ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েন।
তারা আরও জানান, ৫০ নম্বর পিলারের সীমান্ত গেট পয়েন্ট এলাকায় এ শব্দ তারা শোনেন। যা ওই পারের জান্তা সরকারবিরোধী গোষ্ঠী আরকান আর্মি (এএ) নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আর সেখান থেকে অপর বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরএসও এর অবস্থানও রয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে, পরস্পরের মধ্যকার আধিপত্য বিস্তারের জন্য তারা সীমান্তের জিরো পয়েন্টে গোলাগুলি করে থাকে। কারণ উভয় বিদ্রোহী গোষ্ঠী এখন বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থান করছে। জান্তা সরকার এ সীমান্ত এলাকা হারিয়েছে গত দেড় বছর আগে।
৪৫ নম্বর পিলার এলাকার বাসিন্দা ও ইউপি সদস্য সাবের আহমদ বলেন, ‘সীমান্ত এখন আতঙ্কের নাম। কখনো গোলার আওয়াজ আবার কখনো যুদ্ধ বিমানের। সাধারণ মানুষ খুবই আতঙ্কে থাকেন এ সব কারণে। কিন্তু হতদরিদ্র হওয়ায় তারা অন্যত্র চলেও যেতে পারছেন না।’
এ বিষয়ে জানতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (১১ বিজিবি) কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করে সংযোগ না পাওয়া তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে মাঠ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি যেহেতু মিয়ানমার অংশের সেহেতু তাদের করার বা বলার কিছু নাই। তাই কোন বক্তব্য দেওয়াও সম্ভব না।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে