
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির গহিন অরণ্যে দুর্বৃত্তদের আস্তানায় হানা দিয়ে আটটি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুল অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজমের একটি ইউনিট। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় উপজেলার ছাগলখাইয়া এলাকার মনিরুলের পাহাড় নামের এলাকা থেকে এসব অস্ত্র-সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি পিস্তলসহ আটটি পাহাড়ি আগ্নেয়াস্ত্র, শটগানের ১১টি গুলি, শটগানের গুলির ১০টি খোসা, একটি ধারালো অস্ত্র, দুটি বাইনোকুলার, একটি গ্যাস মাস্ক, একটি চার্জার লাইট, একটি ব্যাটারি, দুটি ওয়াকিটকি, চার্জার দুটি, চার লিটার অ্যাসিড, এক বস্তা প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম। অভিযানটি পরিচালনা করেন ঢাকার ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ ইমরান হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন অভিযানকারী দলের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা।
ওই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের জানান, এটি সন্ত্রাসীদের আস্তানা। সেখানে অস্ত্রও তৈরি করত তারা। গত কদিন ধরে অনুসন্ধানের পর এই অভিযান পরিচালনা করেন। তবে খবর পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। কিন্তু অস্ত্র-গোলাবারুদ ও অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম তখনই নিয়ে যেতে পারেনি সন্ত্রাসীরা।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম, ছবির আহমদ ও কবির মিয়া জানান, তাদের এই এলাকা ও আশপাশের এলাকায় আরও আস্তানা রয়েছে। আর এসব আস্তানায় শতাধিক সদস্য রয়েছে, যাদের কাছে এলাকার মানুষ জিম্মি, যারা নাইক্ষ্যংছড়ি ও রামুর পাহাড়ি জনপদগুলোতে নানা অপরাধ করে পার পাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। এই পরিস্থিতিতে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজমের বিশেষ দলটি অভিযান পরিচালনা করায় এলাকাবাসী খুবই খুশি।

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির শায়খুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক। তিনি বলেছেন, অবিলম্বে গণভোটের রায় কার্যকর ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। জনগণের রায়কে অবজ্ঞা করে কোনো সরকার দীর্ঘমেয়াদে জনসমর্থন ধরে রাখতে পারে না। গণ
৫ মিনিট আগে
রংপুরের পীরগাছায় একটি পুকুর থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার চণ্ডীপুর মৌলভীপাড়ার গোলাম মোস্তফার পুকুর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
১৬ মিনিট আগে
দুপুরে বন্ধুদের সঙ্গে আলাই বিলে গোসল করতে নামে রাতুল। গোসল শেষে সঙ্গীরা পানি থেকে উঠে এলেও রাতুল উঠে আসেনি। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন ও পরিবারের সদস্যরা বিলে নেমে তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
২০ মিনিট আগে
এসব উড়োজাহাজ দেশে পৌঁছাতে ১০ বছরের মতো সময় লাগবে। ২০৩১ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে উড়োজাহাজগুলো আসা শুরু হবে এবং ২০৩৬ থেকে ২০৩৭ সাল পর্যন্ত দেশে পৌঁছাবে। ভবিষ্যতের চাহিদা মেটাতে এবং পরিবহন ব্যবস্থা সচল রাখতে এখন থেকেই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে।
২৫ মিনিট আগে