বান্দরবান প্রতিনিধি

প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে বান্দরবান সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আলটিমেটাম দিয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এ কে এম জাহাঙ্গীর।
আজ সোমবার বান্দরবান শহরের হোটেল প্লাজার কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীর বলেন, ‘নির্বাচনে আমাকে প্রাণনাশের দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমার সমর্থনে যারা কাজ করছে, তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি ছয়টি ইউনিয়নে আমি কাজ করতে পারছি না।’
কারা হুমকি দিয়েছে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সেটা সময় হলে বলে দেব। পরিস্থিতি এখন এমন যে হয়তো নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াব, তখন সব বলব। এখন আপনারা খুঁজে বের করেন বাস্তবতা কী। তবে আমাকে এবং আমার সমর্থনে যারা কাজ করছে, তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে—এ জন্য অনেকে কাজ করতে মাঠে নামতে ভয় পাচ্ছে।’
জানা যায়, উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করে কিছু না জানালেও নিজ দলের নেতা-কর্মীদের ইঙ্গিত করেছেন বলে জানান তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতা। দলের নেতা-কর্মীদের বিরোধিতার কারণে শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন বলে জানান তাঁরা।
এ ছাড়া পাহাড়ে চলমান কেএনএফ সমস্যার কারণে বম অধ্যুষিত কয়েকটি পাড়ার মানুষ এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে। তারা ভোটকেন্দ্রে আসবে কি না, সেটি নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন এই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।

প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে বান্দরবান সদর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আলটিমেটাম দিয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এ কে এম জাহাঙ্গীর।
আজ সোমবার বান্দরবান শহরের হোটেল প্লাজার কনফারেন্স রুমে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
জাহাঙ্গীর বলেন, ‘নির্বাচনে আমাকে প্রাণনাশের দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমার সমর্থনে যারা কাজ করছে, তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এমনকি ছয়টি ইউনিয়নে আমি কাজ করতে পারছি না।’
কারা হুমকি দিয়েছে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সেটা সময় হলে বলে দেব। পরিস্থিতি এখন এমন যে হয়তো নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াব, তখন সব বলব। এখন আপনারা খুঁজে বের করেন বাস্তবতা কী। তবে আমাকে এবং আমার সমর্থনে যারা কাজ করছে, তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে—এ জন্য অনেকে কাজ করতে মাঠে নামতে ভয় পাচ্ছে।’
জানা যায়, উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট করে কিছু না জানালেও নিজ দলের নেতা-কর্মীদের ইঙ্গিত করেছেন বলে জানান তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতা। দলের নেতা-কর্মীদের বিরোধিতার কারণে শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন বলে জানান তাঁরা।
এ ছাড়া পাহাড়ে চলমান কেএনএফ সমস্যার কারণে বম অধ্যুষিত কয়েকটি পাড়ার মানুষ এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছে। তারা ভোটকেন্দ্রে আসবে কি না, সেটি নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেন এই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে