থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি

র থানচি উপজেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বাতিল করেছে প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।
গত ৪ ডিসেম্বর রোয়াংছড়ি, রুমা, ও থানচি এই তিন উপজেলায় আগামী ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি জানানো হয়েছিল। তবে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে থানচিতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বাতিল হলো। তবে রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলা ভ্রমণে আগামী ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
এর আগে গত ১৮ অক্টোবর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বান্দরবানের রোয়াংছড়ি ও রুমা উপজেলায় পর্যটক ভ্রমণে অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এরপর গত ২৩ অক্টোবর জেলার থানচি ও আলীকদম উপজেলায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এরপর গত ৩০ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় মেয়াদ বাড়ানো হয়। তৃতীয় দফায় ৪ নভেম্বর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ৮ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। চতুর্থ দফায় ৮ নভেম্বর ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা এবং ১২ নভেম্বর পঞ্চম দফায় নিষেধাজ্ঞা মেয়াদ বাড়ানো হয়। এ ছাড়া ১৬ নভেম্বর ষষ্ঠ দফায় বাড়ানো মেয়াদ ২০ নভেম্বর শেষ হয়। সপ্তম দফায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত ছিল। পরে অষ্টম দফায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়ে ২৭ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর করা হয়। ওই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থানচি ও আলীকদম উপজেলা ছিল না। তবে পরে ৪ ডিসেম্বর ফের ৭ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। সে সময় থানচি উপজেলাকেও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাখা হয়।
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহা. আবুল মনসুর বলেন, ‘বান্দরবান জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে থানচিতে। চলতি শীত মৌসুমে পায়ে হেঁটে ট্রাইকিং করা, নদীতে বোট ভ্রমণ খুবই আনন্দদায়ক। জননিরাপত্তা বিষয়ে চিন্তা করে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল, পর্যটকদের সাময়িক অসুবিধা জন্য প্রশাসন পক্ষ থেকে আমরা অনুতপ্ত। উপজেলা প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আমরা আজ থেকে থানচি উপজেলা ভ্রমণকারী পর্যটকদের সবদিক থেকে সহযোগিতা করে যাব।’

র থানচি উপজেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বাতিল করেছে প্রশাসন। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।
গত ৪ ডিসেম্বর রোয়াংছড়ি, রুমা, ও থানচি এই তিন উপজেলায় আগামী ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি জানানো হয়েছিল। তবে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে থানচিতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বাতিল হলো। তবে রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলা ভ্রমণে আগামী ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা থাকবে।
এর আগে গত ১৮ অক্টোবর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বান্দরবানের রোয়াংছড়ি ও রুমা উপজেলায় পর্যটক ভ্রমণে অনির্দিষ্টকালের নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এরপর গত ২৩ অক্টোবর জেলার থানচি ও আলীকদম উপজেলায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এরপর গত ৩০ অক্টোবর দ্বিতীয় দফায় মেয়াদ বাড়ানো হয়। তৃতীয় দফায় ৪ নভেম্বর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ৮ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। চতুর্থ দফায় ৮ নভেম্বর ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা এবং ১২ নভেম্বর পঞ্চম দফায় নিষেধাজ্ঞা মেয়াদ বাড়ানো হয়। এ ছাড়া ১৬ নভেম্বর ষষ্ঠ দফায় বাড়ানো মেয়াদ ২০ নভেম্বর শেষ হয়। সপ্তম দফায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত ছিল। পরে অষ্টম দফায় নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়ে ২৭ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর করা হয়। ওই নিষেধাজ্ঞার আওতায় থানচি ও আলীকদম উপজেলা ছিল না। তবে পরে ৪ ডিসেম্বর ফের ৭ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। সে সময় থানচি উপজেলাকেও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাখা হয়।
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহা. আবুল মনসুর বলেন, ‘বান্দরবান জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে থানচিতে। চলতি শীত মৌসুমে পায়ে হেঁটে ট্রাইকিং করা, নদীতে বোট ভ্রমণ খুবই আনন্দদায়ক। জননিরাপত্তা বিষয়ে চিন্তা করে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল, পর্যটকদের সাময়িক অসুবিধা জন্য প্রশাসন পক্ষ থেকে আমরা অনুতপ্ত। উপজেলা প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আমরা আজ থেকে থানচি উপজেলা ভ্রমণকারী পর্যটকদের সবদিক থেকে সহযোগিতা করে যাব।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে