বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে একটি বিয়ে বাড়িসহ দুই পরিবারের ১৬ সদস্যকে অজ্ঞান করে টাকা ও মালামাল লুট করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ শনিবার সকালে গুরুতর অবস্থায় তাঁদেরকে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাতে মোরেলগঞ্জ উপজেলার বানিয়াখালী বাজার সংলগ্ন এলাকার হাবিবুর রহমান ও নারায়ণ চকিদারের পরিবারের এই ঘটনা ঘটেছে। অসুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামছউদ্দিন বলেন, ‘ঘটনা শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা হলেন হাবিবুর রহমান (৬৫), মো. শাহ আলম (৭০), ফিরোজা বেগম (৫০), আখি আক্তার (২০), মারিয়া আক্তার (২২), হাদান হাওলাদার (২৮), আশরাফুল (১২), নাইম হাওলাদার (২৬), শাফিকুল (১০), ফেরদাউসি আক্তার (৩০), হিরা আক্তার (২০), শাফিয়া আক্তার (২০), নারায়ণ চন্দ্র (৭০), শ্যামলী রানী (৬০), জীবন (৩২) শম্পা (২৭)। তাঁদের মধ্যে অন্তত ৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক রয়েছে।
হাবিবুর রহমানের পরিবারের দাবি, গতকাল শুক্রবার রাতে নববিবাহিত মেয়ে-জামাইসহ আত্মীয়-স্বজন নিয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলার বানিয়াখালী বাজার সংলগ্ন হাবিবুর রহমার তোতা মিয়ার পরিবারে ছিল উৎসবের আমেজ। এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা হয়তো খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়েছে। সেই খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন নববিবাহিত জামাই-মেয়েসহ পরিবারের ১২ সদস্য।
চেতনানাশক মেশানো খাবার খেয়ে হাবিবুর রহমানের প্রতিবেশী নারায়ণ চন্দ্রের বাড়ির চার সদস্য অসুস্থ হয়েছেন। দুই বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তবে কী পরিবান স্বর্ণালংকার ও টাকা খোয়া গেছে সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পরিবার দুটি।
হাবিবুর রহমানের আত্মীয় মো. মনির তালুকদার বলেন, ‘১৫ এপ্রিল হাবিবুর রহমানের মেয়ের সঙ্গে আমার ছেলের বিয়ে হয়। আমার ছেলে ও ছেলের বউসহ বেশ কিছু আত্মীয়-স্বজন হাবিবুর রহমানের বাড়িতে ছিল। সকালে অচেতন অবস্থায় সবাইকে আমরা হাসপাতালে ভর্তি করেছি।’
মো. মনির তালুকদার আরও বলেন, ‘বাড়ির সবকিছু লুটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বেশ কিছু স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫ লক্ষাধিক টাকা ছিল ঘরে, সেসব পাওয়া যায়নি। সবাই সুস্থ হলে কী পরিমাণ মালামাল খোয়া গেছে তা জানা যাবে।’
নারায়ণ চন্দ্রের ছেলে জীবন চন্দ্র বলেন, ‘কীভাবে, কী হলো জানি না। বাবা-মা এখনো সুস্থ হয়নি। আমাদের মালামাল ফেরত চাই আমরা।’
শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আশফাক আহমেদ বলেন, ‘দুটি পরিবারের ১৬ জন অসুস্থ অবস্থায় এসেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাঁদেরকে চেতনানাশক খাওয়ানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।’

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে একটি বিয়ে বাড়িসহ দুই পরিবারের ১৬ সদস্যকে অজ্ঞান করে টাকা ও মালামাল লুট করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ শনিবার সকালে গুরুতর অবস্থায় তাঁদেরকে শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার রাতে মোরেলগঞ্জ উপজেলার বানিয়াখালী বাজার সংলগ্ন এলাকার হাবিবুর রহমান ও নারায়ণ চকিদারের পরিবারের এই ঘটনা ঘটেছে। অসুস্থ ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সামছউদ্দিন বলেন, ‘ঘটনা শুনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
হাসপাতালে ভর্তি রোগীরা হলেন হাবিবুর রহমান (৬৫), মো. শাহ আলম (৭০), ফিরোজা বেগম (৫০), আখি আক্তার (২০), মারিয়া আক্তার (২২), হাদান হাওলাদার (২৮), আশরাফুল (১২), নাইম হাওলাদার (২৬), শাফিকুল (১০), ফেরদাউসি আক্তার (৩০), হিরা আক্তার (২০), শাফিয়া আক্তার (২০), নারায়ণ চন্দ্র (৭০), শ্যামলী রানী (৬০), জীবন (৩২) শম্পা (২৭)। তাঁদের মধ্যে অন্তত ৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক রয়েছে।
হাবিবুর রহমানের পরিবারের দাবি, গতকাল শুক্রবার রাতে নববিবাহিত মেয়ে-জামাইসহ আত্মীয়-স্বজন নিয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলার বানিয়াখালী বাজার সংলগ্ন হাবিবুর রহমার তোতা মিয়ার পরিবারে ছিল উৎসবের আমেজ। এই সুযোগে দুর্বৃত্তরা হয়তো খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়েছে। সেই খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন নববিবাহিত জামাই-মেয়েসহ পরিবারের ১২ সদস্য।
চেতনানাশক মেশানো খাবার খেয়ে হাবিবুর রহমানের প্রতিবেশী নারায়ণ চন্দ্রের বাড়ির চার সদস্য অসুস্থ হয়েছেন। দুই বাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তবে কী পরিবান স্বর্ণালংকার ও টাকা খোয়া গেছে সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পরিবার দুটি।
হাবিবুর রহমানের আত্মীয় মো. মনির তালুকদার বলেন, ‘১৫ এপ্রিল হাবিবুর রহমানের মেয়ের সঙ্গে আমার ছেলের বিয়ে হয়। আমার ছেলে ও ছেলের বউসহ বেশ কিছু আত্মীয়-স্বজন হাবিবুর রহমানের বাড়িতে ছিল। সকালে অচেতন অবস্থায় সবাইকে আমরা হাসপাতালে ভর্তি করেছি।’
মো. মনির তালুকদার আরও বলেন, ‘বাড়ির সবকিছু লুটে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বেশ কিছু স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫ লক্ষাধিক টাকা ছিল ঘরে, সেসব পাওয়া যায়নি। সবাই সুস্থ হলে কী পরিমাণ মালামাল খোয়া গেছে তা জানা যাবে।’
নারায়ণ চন্দ্রের ছেলে জীবন চন্দ্র বলেন, ‘কীভাবে, কী হলো জানি না। বাবা-মা এখনো সুস্থ হয়নি। আমাদের মালামাল ফেরত চাই আমরা।’
শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আশফাক আহমেদ বলেন, ‘দুটি পরিবারের ১৬ জন অসুস্থ অবস্থায় এসেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাঁদেরকে চেতনানাশক খাওয়ানো হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে