বাগেরহাট প্রতিনিধি

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগর স্টেশনের তেইশের ছিলা-শাপলার বিল এলাকায় লাগা আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে আজ (সোমবার) সন্ধ্যার পরেও বনের বিভিন্ন স্থানে ধোঁয়া দেখা গেছে। সম্পূর্ণ আগুন নেভাতে রাতভর কাজ করতে হবে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস ও বন বিভাগ।
আগুনে বনের কতটা এলাকা পুড়েছে, সে বিষয়ে বন বিভাগ থেকে স্পষ্ট করে কিছু না বললেও স্থানীয়রা জানান, শাপলার বিল ও কলমতেজী এলাকার প্রায় ১০ একর বনভূমি পুড়ে গেছে।
ভাটায় নদী শুকিয়ে যাওয়ার কারণে আজ বেলা দেড়টা থেকে পাম্প চালাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস। নদীতে জোয়ার আসায় রাত ৮টার পর আবারও পানি ছিটানো শুরু হয়েছে বলে জানান জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের উপসহকারী পরিচালক সাকরিয়া হায়দার।

তিনি বলেন, আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি এখানে ইউনিট কাজ করছে। এখানে সব থেকে বড় সংকট হচ্ছে, শুধু জোয়ারের সময় পাম্প চালানো যায়। আজকে বেলা দেড়টা থেকে রাত প্রায় ৮টা পর্যন্ত পাম্প বন্ধ রাখতে হয়েছে। এখন আবার পাম্প চালু করেছি, পানি ছিটানো হচ্ছে। অল্প কিছু জায়গা থেকে ধোঁয়া উড়ছে, আশা করি, রাতে পানি দিতে পারলে সম্পূর্ণরূপে আগুন নেভানো সম্ভব হবে।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিম বলেন, ‘বনের কোথাও এখন জ্বলন্ত আগুন নেই, কিছু ধোঁয়া আছে। সেসব স্থান ও গাছের গোড়ায় গোড়ায় পানি দেওয়া হচ্ছে। আজও সারা রাত কাজ চলবে। রাতের মধ্যেই আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা তাঁর।

এর আগে শনিবার সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের ধানসাগর স্টেশনের কলমতেজী বন টহল ফাঁড়ির টেপার বিলে আগুনের সূত্রপাত হয়। রোববার আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। সুপ্ত আগুন ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী খুঁজতে বন বিভাগ ড্রোন ব্যবহার করে। তখন কলমতেজী এলাকা থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে তেইশের ছিলা-শাপলার বিলে আগুনের অস্তিত্বের খোঁজ পায় বন বিভাগ।
তাৎক্ষণিকভাবে বন বিভাগ, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক, ভিটিআরটি, সিপিজি সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখান থেকে যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য ফায়ার লাইন তৈরি করা হয়। আগুনের স্থল থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে ভোলা নদীতে পাম্প বসিয়ে রাতেই পানি ছিটানো শুরু করে ফায়ার সার্ভিস ও বন বিভাগ।

তবে ভোলা নদীতে পানি কম থাকা এবং ভাটার সময় শুকিয়ে যাওয়ায় নিরবচ্ছিন্নভাবে পানি ছিটাতে পারেননি ফায়ার ফাইটাররা। সে কারণে সোমবারও রাতভর কাজ করতে হবে বন বিভাগ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের।
এদিকে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের তেইশের ছিলা-শাপলার বিল এলাকায় আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দিপন চন্দ্র দাসকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বন বিভাগ। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এই নিয়ে বনের আগুনের ঘটনা তদন্তে দুটি কমিটি করল বন বিভাগ।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগর স্টেশনের তেইশের ছিলা-শাপলার বিল এলাকায় লাগা আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে আজ (সোমবার) সন্ধ্যার পরেও বনের বিভিন্ন স্থানে ধোঁয়া দেখা গেছে। সম্পূর্ণ আগুন নেভাতে রাতভর কাজ করতে হবে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস ও বন বিভাগ।
আগুনে বনের কতটা এলাকা পুড়েছে, সে বিষয়ে বন বিভাগ থেকে স্পষ্ট করে কিছু না বললেও স্থানীয়রা জানান, শাপলার বিল ও কলমতেজী এলাকার প্রায় ১০ একর বনভূমি পুড়ে গেছে।
ভাটায় নদী শুকিয়ে যাওয়ার কারণে আজ বেলা দেড়টা থেকে পাম্প চালাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস। নদীতে জোয়ার আসায় রাত ৮টার পর আবারও পানি ছিটানো শুরু হয়েছে বলে জানান জেলা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের উপসহকারী পরিচালক সাকরিয়া হায়দার।

তিনি বলেন, আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি এখানে ইউনিট কাজ করছে। এখানে সব থেকে বড় সংকট হচ্ছে, শুধু জোয়ারের সময় পাম্প চালানো যায়। আজকে বেলা দেড়টা থেকে রাত প্রায় ৮টা পর্যন্ত পাম্প বন্ধ রাখতে হয়েছে। এখন আবার পাম্প চালু করেছি, পানি ছিটানো হচ্ছে। অল্প কিছু জায়গা থেকে ধোঁয়া উড়ছে, আশা করি, রাতে পানি দিতে পারলে সম্পূর্ণরূপে আগুন নেভানো সম্ভব হবে।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিম বলেন, ‘বনের কোথাও এখন জ্বলন্ত আগুন নেই, কিছু ধোঁয়া আছে। সেসব স্থান ও গাছের গোড়ায় গোড়ায় পানি দেওয়া হচ্ছে। আজও সারা রাত কাজ চলবে। রাতের মধ্যেই আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা তাঁর।

এর আগে শনিবার সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের ধানসাগর স্টেশনের কলমতেজী বন টহল ফাঁড়ির টেপার বিলে আগুনের সূত্রপাত হয়। রোববার আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। সুপ্ত আগুন ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী খুঁজতে বন বিভাগ ড্রোন ব্যবহার করে। তখন কলমতেজী এলাকা থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে তেইশের ছিলা-শাপলার বিলে আগুনের অস্তিত্বের খোঁজ পায় বন বিভাগ।
তাৎক্ষণিকভাবে বন বিভাগ, স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক, ভিটিআরটি, সিপিজি সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান। সেখান থেকে যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য ফায়ার লাইন তৈরি করা হয়। আগুনের স্থল থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে ভোলা নদীতে পাম্প বসিয়ে রাতেই পানি ছিটানো শুরু করে ফায়ার সার্ভিস ও বন বিভাগ।

তবে ভোলা নদীতে পানি কম থাকা এবং ভাটার সময় শুকিয়ে যাওয়ায় নিরবচ্ছিন্নভাবে পানি ছিটাতে পারেননি ফায়ার ফাইটাররা। সে কারণে সোমবারও রাতভর কাজ করতে হবে বন বিভাগ ও ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের।
এদিকে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের তেইশের ছিলা-শাপলার বিল এলাকায় আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) দিপন চন্দ্র দাসকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বন বিভাগ। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এই নিয়ে বনের আগুনের ঘটনা তদন্তে দুটি কমিটি করল বন বিভাগ।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে