বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ভ্যানচালককে গলা কেটে হত্যার দায়ে দুই যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ মো. রবিউল ইসলাম আসামিদের অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এই মামলার অপর দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
ভ্যানচালক ওবায়দুল সিকদার (৩০) হত্যার সাত বছর পর এই রায় দিলেন আদালত। নিহত মো. ওবায়দুল সিকদার জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার কড়াবৌলা গ্রামের জহর সিকদারের ছেলে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার মোহনপুর গ্রামের মুনসুর শেখের ছেলে ইমরান শেখ (২৭) এবং একই গ্রামের বাবুল সিকদারের ছেলে ইব্রাহিম সিকদার (৩০)। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন ইমরুল শেখ ও উজ্জ্বল।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহম্মদ আলী বলেন, ২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল মোরেলগঞ্জ উপজেলার কড়াবৌলা গ্রামের ভ্যানচালক মো. ওবায়দুল সিকদার রোজগারের জন্য বাড়ি থেকে বের হন। ওই দিন থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর ৬ মে পাশের দাসখালী গ্রামের মনির সরদারের বাগান থেকে ওবায়দুলের জবাই করা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই দিন নিহতের বাবা জহর সিকদার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মোরেলগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সিআইডির পরিদর্শক কানাই লাল মজুমদার তদন্তে নেমে ইমরান শেখকে গ্রেপ্তার করলে তিনি ওবায়দুলের ভ্যানটি ছিনতাই করতে তাঁকে জবাই করে হত্যা করার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক কানাই লাল মজুমদার দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার ২০২২ সালের ২৭ আগস্ট ইমরান, ইব্রাহিম, ইমরুল ও উজ্জ্বল—এই চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালতের বিচারক ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে দুজনকে যাবজ্জীবন ও দুজনকে খালাস দিয়ে এই রায় ঘোষণা করেন।
আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী সাহা অসীম কুমার।

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ভ্যানচালককে গলা কেটে হত্যার দায়ে দুই যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বাগেরহাট জেলা ও দায়রা জজ মো. রবিউল ইসলাম আসামিদের অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এই মামলার অপর দুই আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
ভ্যানচালক ওবায়দুল সিকদার (৩০) হত্যার সাত বছর পর এই রায় দিলেন আদালত। নিহত মো. ওবায়দুল সিকদার জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার কড়াবৌলা গ্রামের জহর সিকদারের ছেলে।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার মোহনপুর গ্রামের মুনসুর শেখের ছেলে ইমরান শেখ (২৭) এবং একই গ্রামের বাবুল সিকদারের ছেলে ইব্রাহিম সিকদার (৩০)। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন ইমরুল শেখ ও উজ্জ্বল।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহম্মদ আলী বলেন, ২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল মোরেলগঞ্জ উপজেলার কড়াবৌলা গ্রামের ভ্যানচালক মো. ওবায়দুল সিকদার রোজগারের জন্য বাড়ি থেকে বের হন। ওই দিন থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজের এক সপ্তাহ পর ৬ মে পাশের দাসখালী গ্রামের মনির সরদারের বাগান থেকে ওবায়দুলের জবাই করা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ওই দিন নিহতের বাবা জহর সিকদার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মোরেলগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
সিআইডির পরিদর্শক কানাই লাল মজুমদার তদন্তে নেমে ইমরান শেখকে গ্রেপ্তার করলে তিনি ওবায়দুলের ভ্যানটি ছিনতাই করতে তাঁকে জবাই করে হত্যা করার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক কানাই লাল মজুমদার দীর্ঘ তদন্ত শেষে মামলার ২০২২ সালের ২৭ আগস্ট ইমরান, ইব্রাহিম, ইমরুল ও উজ্জ্বল—এই চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালতের বিচারক ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে দুজনকে যাবজ্জীবন ও দুজনকে খালাস দিয়ে এই রায় ঘোষণা করেন।
আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন আইনজীবী সাহা অসীম কুমার।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪১ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে