Ajker Patrika

সড়কে ১৪ জন নিহত: মামলা দায়ের, তদন্ত শুরু

বাগেরহাট প্রতিনিধি
সড়কে ১৪ জন নিহত: মামলা দায়ের, তদন্ত শুরু
বাগেরহাটের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের কবরস্থানে আজ রোববারও স্বজনেরা দোয়া মোনাজাত করেন। ছবি: আজকের পত্রিকা

শোক কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন বাগেরহাটের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা। মোংলা উপজেলার শেহালাবুনিয়ায় নিহত ব্যক্তিদের বাড়িতে আসা আত্মীয়স্বজনেরা আজ রোববার বিকেল থেকে নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন। স্বজনদের আশা, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন এই পরিবারের সদস্যরা।

আজ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আশরাফুল ইসলাম জনি ও তাঁর অন্য স্বজনদের বারবার কবরস্থানে যেতে দেখা গেছে।

এদিকে মর্মান্তিক এই সড়ক দুর্ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে রামপাল থানায় মামলা করেছেন নিহত আব্দুর রাজ্জাকের বড় ছেলে আশরাফুল ইসলাম জনি। মামলায় জনি অভিযোগ করেন, দ্রুতগতিতে গাড়ি চালিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তদন্তপূর্বক বিচারের দাবি জানান তিনি। রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, বেলাইব্রিজ এলাকায় দুর্ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে গঠিত তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন কমিটির প্রধান বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মেজবাহ উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করেছি। তথ্য বিশ্লেষণ চলছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছিল।

তবে একটু সময় লাগবে। কারণ, এই সড়কে বারবার দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন। এ জন্য একজন বিশেষজ্ঞ পেতে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটকে চিঠি দিয়েছি। তারা বিশেষজ্ঞ দিলে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়া সম্ভব হবে।’

আশরাফুল ইসলাম জনি বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবরে সবাই এসেছিলেন। আজকে থেকে নিজ নিজ বাড়িতে যাওয়া শুরু করেছেন। আত্মীয়স্বজনেরা কাছে থাকায় মা কিছুটা শান্ত ছিলেন। আমরা তো সব হারিয়েছি। এখন আল্লাহর ওপর ভরসা করে বেঁচে আছি।’

কাটাখালী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহমেদ বলেন, ‘নিহতদের পক্ষ থেকে রামপাল থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। আমরা তদন্ত শুরু করেছি।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত