জামিনে মুক্তি পেয়ে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দাম বাগেরহাটের জেলারের বিরুদ্ধে ‘ঘুষ চাওয়ার’ অভিযোগ তুলেছেন।
যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে বেরিয়ে গতকাল বুধবার সন্ধ্যার পর বাগেরহাটে পৌঁছান জুয়েল। এ সময় স্ত্রী-সন্তানের কবর জিয়ারত করে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এই অভিযোগ করেন। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বাগেরহাট জেলা কারাগারের জেলার খোন্দকার মো. আল-মামুন।
খোন্দকার মো. আল-মামুন বলেছেন, টাকার জন্য নয়, কারারক্ষীদের হুমকি, অন্য বন্দীকে মারধরসহ একাধিকবার কারা অপরাধের কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে তাঁকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বাগেরহাট সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা এলাকার একরাম হাওলাদার ও দেলোয়ারা একরাম দম্পতির ছেলে জুয়েল হাসান সাদ্দাম। তিনি বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের (নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন) সভাপতি। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। পরে ২০২৫ সালের ৫ এপ্রিল গোপালগঞ্জ থেকে সাদ্দামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল আদালতের নির্দেশে জুয়েল হাসানকে (সাদ্দাম) বাগেরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
২২ জুলাই ২০২৫ বাগেরহাট থেকে তাঁকে ‘প্রশাসনিক কারণে’ যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। সেই থেকে বিভিন্ন মামলায় কারাগারে ছিলেন তিনি।
বাগেরহাট কারাগারের নথি অনুযায়ী, বন্দী অবস্থায় গত বছরের ১২ মার্চ তিনি একজন সেল ইনচার্জকে (বাদশা মিয়া) হুমকি দেন এবং গালাগাল করেন। ৬ জুলাই অপর এক বন্দীকে মারধর করেন।
তবে সাদ্দামের অভিযোগ ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা’ উল্লেখ করে বাগেরহাট জেলা কারাগারের জেলার খোন্দকার মো. আল-মামুন বলেন, ‘তাঁর আচরণের কারণেই তাঁকে যশোরে পাঠানো হয়। এখানে অন্য কোনো ঘটনা নেই। আর জেলার চাইলেই কাউকে অন্য জেলে স্থানান্তর করতে পারে না। এ ধরনের ভিত্তিহীন কথার আমি প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
আল-মামুন আরও বলেন, কারারক্ষীদের হুমকি, অন্য বন্দীকে মারধরসহ একাধিকবার কারা অপরাধের কারণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে তাঁকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। বাগেরহাট কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি সব সময় আমাদের স্টাফদের এবং আশপাশের বন্দীদের সঙ্গে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ ও ভয়ভীতি দেখাতেন। এ ধরনের আচরণের মধ্যে তিনি ছিলেন।
২৩ জানুয়ারি দুপুরে সাদ্দামের বাড়ি থেকে তাঁর স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা ওরফে স্বর্ণালী (২২) ও ৯ মাস বয়সী ছেলে সেজাদ হাসান নাজিফের লাশ উদ্ধার করা হয়।
পরের দিন দুপুরে বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে মা ও ছেলের লাশ সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সুবর্ণার বাবার বাড়িতে আনা হয়। সেখানে গোসল শেষে বিকেল সোয়া ৪টার দিকে লাশবাহী গাড়িতে করে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয় তাঁদের মরদেহ। সেখানে স্ত্রী-সন্তানের লাশ শেষবারের মতো দেখেন সাদ্দাম। ওই দিন স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে রাত ১১টা ২০ মিনিটে তাঁদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্বর্ণালীর বাবার বাড়ির কবরস্থানে তাঁর ও তাঁর ছেলের পাশাপাশি দাফন সম্পন্ন হয়।

রেললাইনের পাশে দাঁড় করিয়ে রাখা ট্রাকের সঙ্গে ঘষা লেগে পর্যটক এক্সপ্রেসের বেশ কয়েকটি বগির অন্তত ১০টি দরজা খুলে পড়েছে। অল্পের জন্য ট্রেনটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায়। এতে কোনো যাত্রীর ক্ষতি হয়নি। তবে দুর্ঘটনার কারণে ট্রেনটি প্রায় এক ঘণ্টা বন্ধ থাকে। চট্টগ্রামের চন্দনাইশের খানহাট স্টেশন-সংলগ্ন...
১২ মিনিট আগে
নওগাঁর মান্দা উপজেলায় পেট্রল না পেয়ে মহাসড়ক অবরোধ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে তিন মোটরসাইকেলচালকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার শাপলা ফিলিং স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড মমিনপুর দক্ষিণ মিজি বাড়ি-সংলগ্ন ডাকাতিয়া নদীতে গোসল করতে নেমে দুই শিশু নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল বিকেলে মাঝনদী থেকে শিশু শাহদাতের (৫) লাশ উদ্ধার করেছে। সন্ধ্যা পর্যন্ত অপর শিশু মাহমুদকে (৭) এখনো পাওয়া যায়নি।
১ ঘণ্টা আগে
হোমনায় স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের বিচার দাবিতে উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষার্থীরা।
১ ঘণ্টা আগে