নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার একটি হিসেবে হাওরাঞ্চলে অভিঘাত মোকাবিলায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দাবি করেছে পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থা। আজ শুক্রবার বিকেলে সিলেট নগরের জিন্দাবাজার এলাকায় একটি কনফারেন্স হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় সংগঠনের পক্ষ থেকে এ দাবি তুলে ধরা হয়।
‘জলবায়ু বাজেট ও বাংলাদেশের হাওর’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাসমির রেজা। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহর সভাপতিত্বে এবং পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রজত সরকারের উপস্থাপনায় সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ও এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তাক আহমদ, বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মাহমুদা সুলতানা, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহাদাত চৌধুরী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হাসিনা বেগম, সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সাবেক পরিচালক শহীদুল ইসলাম সোহেল, কবি পুলিন রায়।
মূল প্রবন্ধে কাসমির রেজা ১৬ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। এতে হাওর এলাকার জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দাবি করা হয়। হাওর অঞ্চলে মাছের প্রজননকালে মাছ ধরা বন্ধ রাখা এবং ওই সময় জেলেদের প্রণোদনা দেওয়া, বজ্রপাতে হতাহতের সংখ্যা কমাতে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার জন্য এ বছর বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার দাবি করা হয়। এ ছাড়া প্রস্তাবনায় সুনামগঞ্জে একটি পূর্ণাঙ্গ আবহাওয়া অফিস স্থাপন, হাওরের বিদ্যালয়ের জন্য সরকারিভাবে নৌকা বরাদ্দ করা, হাওরের গ্রামগুলোকে ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা করতে গ্রাম প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণ, ফসল রক্ষা বাঁধের বিকল্প হিসেবে হাওরের নদী ও বিল ক্যাপিটাল ড্রেজিং করা, স্বল্প জীবনের ধান আবিষ্কারের জন্য গবেষণা ও আবিষ্কৃত ধান কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে বাজেট বরাদ্দ রাখার দাবি জানানো হয়। প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়, হাওরের উন্মুক্ত জলাশয় লিজ দেওয়া বন্ধ করা এবং অভয়াশ্রমগুলো সংরক্ষণ করা, সরাসরি হাওরের প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে উপযুক্ত মূল্যে সরকারিভাবে অধিক হারে ধান কেনা, হাওরের পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় টেকসই কর্মসূচি গ্রহণ করা এবং উড়াল সেতু, সীমান্ত সড়কসহ চলমান প্রকল্পগুলোর জন্য বরাদ্দ নিশ্চিত করা, হাওর অঞ্চলে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা সব হাওর উপজেলার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য হাওর ভাতা চালু করা, হাওরে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, কৃষির পাশাপাশি শিল্প ও সেবা খাতের প্রসার ঘটানো, হাওরে বেকারত্ব রোধে বিকল্প কর্মসংস্থানের সৃষ্টি ও পরিবেশবান্ধব ও কমিউনিটিভিত্তিক পর্যটনের ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে হাওরের সব প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
আলোচক অধ্যাপক মাহমুদা সুলতানা বলেন, হাওর এলাকার কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে যাতে শহরের জনসংখ্যার ওপর চাপ না বাড়ে। পরিবেশসম্মত পর্যটনকে আরও উৎসাহিত করতে হবে। উচ্চ আয়ের পরিবারের মানুষজন তাদের অতিরিক্ত ঘরে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা করে দিতে পারে। কমিউনিটিভিত্তিক ট্যুরিজমের ফলে এলাকার মানুষ উপকৃত হবে।
অধ্যাপক ড. মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘উন্নয়নের নামে আমরা যেন হাওরের ক্ষতি না করি।’ তিনি আরও বলেন, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় যেন একটা গতানুগতিক বিশ্ববিদ্যালয় না হয়, হাওরের বিষয়গুলো নিয়ে যেন অধ্যয়ন ও গবেষণা হয়। আর অধ্যাপক ড. শাহাদাত চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে হাওরের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় এর দাবি জানান।
অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অধ্যাপিকা শাহীন আক্তার, নারী উদ্যোক্তা সেলিনা চৌধুরী, সুলতানা রাজিয়া কলি, অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, ক্লিন সিটি সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা নাজিব আহমেদ, নাবিদ হাসান, হাবিবুর রহমান মাসরুর প্রমুখ।

জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার একটি হিসেবে হাওরাঞ্চলে অভিঘাত মোকাবিলায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দাবি করেছে পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থা। আজ শুক্রবার বিকেলে সিলেট নগরের জিন্দাবাজার এলাকায় একটি কনফারেন্স হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় সংগঠনের পক্ষ থেকে এ দাবি তুলে ধরা হয়।
‘জলবায়ু বাজেট ও বাংলাদেশের হাওর’ শীর্ষক এই আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাসমির রেজা। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহর সভাপতিত্বে এবং পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রজত সরকারের উপস্থাপনায় সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ও এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তাক আহমদ, বিশেষ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মাহমুদা সুলতানা, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহাদাত চৌধুরী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি হাসিনা বেগম, সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সাবেক পরিচালক শহীদুল ইসলাম সোহেল, কবি পুলিন রায়।
মূল প্রবন্ধে কাসমির রেজা ১৬ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। এতে হাওর এলাকার জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ দাবি করা হয়। হাওর অঞ্চলে মাছের প্রজননকালে মাছ ধরা বন্ধ রাখা এবং ওই সময় জেলেদের প্রণোদনা দেওয়া, বজ্রপাতে হতাহতের সংখ্যা কমাতে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার জন্য এ বছর বাজেটে বিশেষ বরাদ্দ রাখার দাবি করা হয়। এ ছাড়া প্রস্তাবনায় সুনামগঞ্জে একটি পূর্ণাঙ্গ আবহাওয়া অফিস স্থাপন, হাওরের বিদ্যালয়ের জন্য সরকারিভাবে নৌকা বরাদ্দ করা, হাওরের গ্রামগুলোকে ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা করতে গ্রাম প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণ, ফসল রক্ষা বাঁধের বিকল্প হিসেবে হাওরের নদী ও বিল ক্যাপিটাল ড্রেজিং করা, স্বল্প জীবনের ধান আবিষ্কারের জন্য গবেষণা ও আবিষ্কৃত ধান কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে বাজেট বরাদ্দ রাখার দাবি জানানো হয়। প্রস্তাবনায় আরও বলা হয়, হাওরের উন্মুক্ত জলাশয় লিজ দেওয়া বন্ধ করা এবং অভয়াশ্রমগুলো সংরক্ষণ করা, সরাসরি হাওরের প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে উপযুক্ত মূল্যে সরকারিভাবে অধিক হারে ধান কেনা, হাওরের পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় টেকসই কর্মসূচি গ্রহণ করা এবং উড়াল সেতু, সীমান্ত সড়কসহ চলমান প্রকল্পগুলোর জন্য বরাদ্দ নিশ্চিত করা, হাওর অঞ্চলে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা সব হাওর উপজেলার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য হাওর ভাতা চালু করা, হাওরে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা, কৃষির পাশাপাশি শিল্প ও সেবা খাতের প্রসার ঘটানো, হাওরে বেকারত্ব রোধে বিকল্প কর্মসংস্থানের সৃষ্টি ও পরিবেশবান্ধব ও কমিউনিটিভিত্তিক পর্যটনের ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে হাওরের সব প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
আলোচক অধ্যাপক মাহমুদা সুলতানা বলেন, হাওর এলাকার কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে যাতে শহরের জনসংখ্যার ওপর চাপ না বাড়ে। পরিবেশসম্মত পর্যটনকে আরও উৎসাহিত করতে হবে। উচ্চ আয়ের পরিবারের মানুষজন তাদের অতিরিক্ত ঘরে পর্যটকদের থাকার ব্যবস্থা করে দিতে পারে। কমিউনিটিভিত্তিক ট্যুরিজমের ফলে এলাকার মানুষ উপকৃত হবে।
অধ্যাপক ড. মোস্তাক আহমেদ বলেন, ‘উন্নয়নের নামে আমরা যেন হাওরের ক্ষতি না করি।’ তিনি আরও বলেন, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় যেন একটা গতানুগতিক বিশ্ববিদ্যালয় না হয়, হাওরের বিষয়গুলো নিয়ে যেন অধ্যয়ন ও গবেষণা হয়। আর অধ্যাপক ড. শাহাদাত চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে হাওরের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় এর দাবি জানান।
অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অধ্যাপিকা শাহীন আক্তার, নারী উদ্যোক্তা সেলিনা চৌধুরী, সুলতানা রাজিয়া কলি, অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, ক্লিন সিটি সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা নাজিব আহমেদ, নাবিদ হাসান, হাবিবুর রহমান মাসরুর প্রমুখ।

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
১৩ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
২ ঘণ্টা আগে