শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি

পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ। গত দেড় বছরে আর কোনো কাজ হয়নি। এখন প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। তাঁরা দ্রুত নির্মাণকাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন। এদিকে অধিগ্রহণ করা বিস্তীর্ণ জমিতে এখন চাষ হচ্ছে তরমুজ।
জাজিরার নাওডোবা এবং শিবচরের কুতুবপুর এলাকায় ১২০ একর জমিতে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পটির নাম ‘শেখ হাসিনা তাঁতপল্লি’। এটি ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর উদ্বোধন করা হয়। প্রথম পর্যায়ে জমি অধিগ্রহণ, ভূমি উন্নয়নে মাটি ভরাট এবং প্রকল্প এলাকায় সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এখন প্রকল্পের নাম ‘হাজী শরীয়তউল্লাহ তাঁতপল্লি’ করার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরুর অপেক্ষায় আছে তারা। জানা গেছে, এই প্রকল্পে ৬ তলা ভবনে প্রত্যেক তাঁতির জন্য ৬০০ ফুটের কারখানা এবং ৮০০ ফুটের আবাসন সুবিধা, আন্তর্জাতিক মানের শোরুম, প্রশিক্ষণকেন্দ্র রয়েছে। তাঁতিদের ছেলেমেয়েদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থাকার কথা রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা-শরীয়তপুর সড়কের দুই পাশে তাঁতপল্লির জন্য নির্ধারিত জায়গা পড়ে আছে। এক পাশে কাশবন এবং পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে স্থানটি। আনসার সদস্যদের থাকার জন্য একটি টিনশেড অবকাঠামো থাকলেও তা পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। দরজা, জানালা ভাঙা। অন্যদিকে সড়কের অপর পাশে নাওডোবা এলাকার অংশের পরিত্যক্ত ভূমিতে তরমুজ চাষ করছেন কৃষকেরা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অনেক দিন ধরে সরকারি জায়গা পড়ে থাকায় পরীক্ষামূলকভাবে তরমুজের আবাদ করেছেন ওই এলাকার চাষিরা।
শিবচরের কুতুবপুর এলাকার কৃষক ইসমাইল খান বলেন, ‘প্রায় দেড় বছর ধরে কাজ বন্ধ। আগে লোকজন আসত, এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। আমাদের কৃষিজমি তাঁতপল্লিতে পড়েছে। আমরা অধিগ্রহণের টাকাও পেয়েছি। তবে এখন কাজ বন্ধ থাকায় তাঁতপল্লি নির্মাণ হবে কি না জানা নেই। তাঁতপল্লিটি নির্মিত হলে এই এলাকার উন্নয়ন হবে।’
স্থানীয় আরেক কৃষক বলেন, ‘তখন ফসলি জমি দিয়েছি। উন্নয়নের স্বার্থে সরকার জমি নিয়েছে। আমরাও খুশি ছিলাম, এলাকায় শিল্পকারখানা হবে। এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এখন কাজ বন্ধ। আদৌ তাঁতপল্লি হবে কি না, তা অনিশ্চিত। আমরা চাই, বর্তমান সরকার দ্রুত তাঁতপল্লির কাজ শুরু করুক।’
জাজিরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘তাঁতপল্লির জায়গাটি অনেক দিন ধরে পড়ে আছে। সরকারি এই জায়গায় তরমুজ চাষের জন্য স্থানীয় চাষিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করলে অনুমতি দেওয়া হয়। এই এলাকায় তরমুজের আবাদ নতুন। পরীক্ষামূলক এই চাষাবাদের জন্য জায়গাটি দেওয়া হয়েছে।
শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজান বলেন, ‘তাঁতপল্লির বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’

পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ। গত দেড় বছরে আর কোনো কাজ হয়নি। এখন প্রকল্পটির ভবিষ্যৎ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। তাঁরা দ্রুত নির্মাণকাজ শুরুর দাবি জানিয়েছেন। এদিকে অধিগ্রহণ করা বিস্তীর্ণ জমিতে এখন চাষ হচ্ছে তরমুজ।
জাজিরার নাওডোবা এবং শিবচরের কুতুবপুর এলাকায় ১২০ একর জমিতে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পটির নাম ‘শেখ হাসিনা তাঁতপল্লি’। এটি ২০১৮ সালের ১ নভেম্বর উদ্বোধন করা হয়। প্রথম পর্যায়ে জমি অধিগ্রহণ, ভূমি উন্নয়নে মাটি ভরাট এবং প্রকল্প এলাকায় সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এখন প্রকল্পের নাম ‘হাজী শরীয়তউল্লাহ তাঁতপল্লি’ করার প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরুর অপেক্ষায় আছে তারা। জানা গেছে, এই প্রকল্পে ৬ তলা ভবনে প্রত্যেক তাঁতির জন্য ৬০০ ফুটের কারখানা এবং ৮০০ ফুটের আবাসন সুবিধা, আন্তর্জাতিক মানের শোরুম, প্রশিক্ষণকেন্দ্র রয়েছে। তাঁতিদের ছেলেমেয়েদের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থাকার কথা রয়েছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা-শরীয়তপুর সড়কের দুই পাশে তাঁতপল্লির জন্য নির্ধারিত জায়গা পড়ে আছে। এক পাশে কাশবন এবং পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে স্থানটি। আনসার সদস্যদের থাকার জন্য একটি টিনশেড অবকাঠামো থাকলেও তা পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। দরজা, জানালা ভাঙা। অন্যদিকে সড়কের অপর পাশে নাওডোবা এলাকার অংশের পরিত্যক্ত ভূমিতে তরমুজ চাষ করছেন কৃষকেরা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অনেক দিন ধরে সরকারি জায়গা পড়ে থাকায় পরীক্ষামূলকভাবে তরমুজের আবাদ করেছেন ওই এলাকার চাষিরা।
শিবচরের কুতুবপুর এলাকার কৃষক ইসমাইল খান বলেন, ‘প্রায় দেড় বছর ধরে কাজ বন্ধ। আগে লোকজন আসত, এখন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। আমাদের কৃষিজমি তাঁতপল্লিতে পড়েছে। আমরা অধিগ্রহণের টাকাও পেয়েছি। তবে এখন কাজ বন্ধ থাকায় তাঁতপল্লি নির্মাণ হবে কি না জানা নেই। তাঁতপল্লিটি নির্মিত হলে এই এলাকার উন্নয়ন হবে।’
স্থানীয় আরেক কৃষক বলেন, ‘তখন ফসলি জমি দিয়েছি। উন্নয়নের স্বার্থে সরকার জমি নিয়েছে। আমরাও খুশি ছিলাম, এলাকায় শিল্পকারখানা হবে। এলাকার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এখন কাজ বন্ধ। আদৌ তাঁতপল্লি হবে কি না, তা অনিশ্চিত। আমরা চাই, বর্তমান সরকার দ্রুত তাঁতপল্লির কাজ শুরু করুক।’
জাজিরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘তাঁতপল্লির জায়গাটি অনেক দিন ধরে পড়ে আছে। সরকারি এই জায়গায় তরমুজ চাষের জন্য স্থানীয় চাষিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করলে অনুমতি দেওয়া হয়। এই এলাকায় তরমুজের আবাদ নতুন। পরীক্ষামূলক এই চাষাবাদের জন্য জায়গাটি দেওয়া হয়েছে।
শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম ইবনে মিজান বলেন, ‘তাঁতপল্লির বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে এ বিষয়ে খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।’

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
২ ঘণ্টা আগে
সিলেটবাসী এবং ভ্রমণে আসা পর্যটকদের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম রেলপথ। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই রেলযাত্রা হয়ে উঠছে বিরক্তির ও ভোগান্তির। টিকিট-সংকট, জরাজীর্ণ অবকাঠামো, ইঞ্জিনের ত্রুটি ও সংকটের কারণে নিয়মিতই ট্রেনের সময়সূচি বিপর্যস্ত হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে