নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সহসম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার অনুসারীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন।
ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে রোববার দুপুর ১২টার দিকে জেলার দুটি আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিষয়ে শুনানি শুরু হয়। প্রস্তাবনায় বিজয়নগর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন—বুধন্তী, চান্দুরা ও হরষপুরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসন থেকে কেটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা জানায় কমিশন।
শুনানিতে প্রস্তাবের পক্ষে যুক্তি দেন রুমিন ফারহানা। এর বিরোধিতা করেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. আতাউল্লাহ। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জড়িয়ে পড়ে হাতাহাতিতে। আতাউল্লাহর অভিযোগ, তাঁর দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। অপর দিকে রুমিন ফারহানা বলেন, প্রথমে তাঁকে ধাক্কা দেওয়া হয়, এরপর তাঁর অনুসারীরাও পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখান।
এ ঘটনার প্রতিবাদে রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত সরাইলের শাহবাজপুর এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন রুমিন ফারহানার অনুসারীরা। জেলা বিএনপির সদস্য ও সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলা ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে যান চলাচল বন্ধ করা হয়। এতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোশারফ হোসাইন ও থানার ওসির অনুরোধে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘রুমিন ফারহানা শুধু আমাদের এলাকার নেত্রী নন, তিনি জাতীয় নেত্রী। তাঁর ওপর হামলার প্রতিবাদে আমরা অবরোধ করেছি। ইউএনও ও ওসির অনুরোধে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছি।’

একই ঘটনায় বিজয়নগরের বুধন্তী ইউনিয়নেও মহাসড়ক অবরোধের খবর পাওয়া গেছে। রুমিন ফারহানার শিকড় বিজয়নগরের বুধন্তী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে হলেও বর্তমানে তিনি সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামের বাসিন্দা।
এদিকে মো. আতাউল্লাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে রোববার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করেছে তাঁর অনুসারীরা। জানা গেছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হতে চান রুমিন ফারহানা। অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান জেলা বিএনপি সভাপতি খালেদ হোসেন (মাহবুব শ্যামল) ও এনসিপি নেতা মো. আতাউল্লাহ।

বিএনপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক সহসম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার অনুসারীরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন।
ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে রোববার দুপুর ১২টার দিকে জেলার দুটি আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ বিষয়ে শুনানি শুরু হয়। প্রস্তাবনায় বিজয়নগর উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন—বুধন্তী, চান্দুরা ও হরষপুরকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসন থেকে কেটে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা জানায় কমিশন।
শুনানিতে প্রস্তাবের পক্ষে যুক্তি দেন রুমিন ফারহানা। এর বিরোধিতা করেন এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মো. আতাউল্লাহ। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। জড়িয়ে পড়ে হাতাহাতিতে। আতাউল্লাহর অভিযোগ, তাঁর দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে। অপর দিকে রুমিন ফারহানা বলেন, প্রথমে তাঁকে ধাক্কা দেওয়া হয়, এরপর তাঁর অনুসারীরাও পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখান।
এ ঘটনার প্রতিবাদে রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত সরাইলের শাহবাজপুর এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন রুমিন ফারহানার অনুসারীরা। জেলা বিএনপির সদস্য ও সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলা ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে যান চলাচল বন্ধ করা হয়। এতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় এবং ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোশারফ হোসাইন ও থানার ওসির অনুরোধে অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়।
বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘রুমিন ফারহানা শুধু আমাদের এলাকার নেত্রী নন, তিনি জাতীয় নেত্রী। তাঁর ওপর হামলার প্রতিবাদে আমরা অবরোধ করেছি। ইউএনও ও ওসির অনুরোধে কর্মসূচি প্রত্যাহার করেছি।’

একই ঘটনায় বিজয়নগরের বুধন্তী ইউনিয়নেও মহাসড়ক অবরোধের খবর পাওয়া গেছে। রুমিন ফারহানার শিকড় বিজয়নগরের বুধন্তী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামে হলেও বর্তমানে তিনি সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামের বাসিন্দা।
এদিকে মো. আতাউল্লাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে রোববার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ করেছে তাঁর অনুসারীরা। জানা গেছে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হতে চান রুমিন ফারহানা। অন্যদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান জেলা বিএনপি সভাপতি খালেদ হোসেন (মাহবুব শ্যামল) ও এনসিপি নেতা মো. আতাউল্লাহ।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে