
প্রণোদনার অভাব, বাজারজাতকরণে সমস্যা, ভালো দাম না পাওয়ায় পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছিলেন এ দেশের কৃষক। একসময়ের সোনালী আঁশ পাটের ঐতিহ্যও তাই ঝুঁকির মুখে পড়েছিল। এমনি অবস্থায় চলতি বছর পাটের ভালো ফলনের পাশাপাশি বাজারে দাম বেড়েছে পাটের। ন্যায্যমূল্য পেয়ে খুশি কৃষকেরাও।
চলনবিল অধ্যুষিত পাবনার চাটমোহরে পাট চাষিরা এখন পাট কাটা, জাগ দেওয়া, আঁশ ছাড়ানো, ধোয়া ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। ভালো ফলন ও বাজারে নতুন পাটের উচ্চ দামে চাষিদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চাটমোহর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা মিলিয়ে এবার ৮ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে পাট আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। সেখানে আবাদ হয়েছে ৮ হাজার ৯৬০ হেক্টর জমিতে। বিঘাপ্রতি ফলনও ভালো হয়েছে।
কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, সনাতন পদ্ধতি বাদ দিয়ে আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট চাষ, পাট বীজ উৎপাদন এবং কৃষি অফিসের সার্বক্ষণিক সহায়তায় এ এলাকার পাট চাষিরা সুফল পাচ্ছেন। বর্তমানে পাটের ভালো দাম থাকায় চাষিদের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।
উপজেলার ডিবিগ্রাম ইউনিয়নের দাথিয়া কয়ড়াপাড়া গ্রামের আজিজল প্রামানিক আজকের পত্রিকাকে জানান, ১২ বিঘা জমিতে তিনি পাটের আবাদ করেছেন। তিনি বলেন, ‘দাম বেশি পাচ্ছি, ঠিক আছে, কিন্তু কামলার (কৃষিশ্রমিক) মজুরি বিঘাপ্রতি ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা লাগছে। তাও পাওয়া যাচ্ছে না। তা ছাড়া ভরা মৌসুমে পর্যাপ্ত পানিও নেই। পানির অভাবে পাট জাগ দেওয়াতেও সমস্যা হচ্ছে।’
উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নের রওশন আলী আজকের পত্রিকাকে জানান, ৬ বিঘা জমিতে তিনি পাট চাষ করেছেন। এ বছর অন্য বছরের তুলনায় পাট অনেক লম্বা হয়েছে। ৪ বিঘা জমির পাট কেটে পাটকাঠি থেকে আঁশ ছাড়িয়ে রোদে শুকাচ্ছেন। বাকি পাট কাটা ও ধোয়ার কাজ চলছে। দাম ভালো পেলে কষ্ট পুষিয়ে যাবে বলে জানান তিনি।
উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের ভাদড়া গ্রামের কৃষক মোজাম্মেল হোসেন জানান, ৭ বিঘা জমিতে তিনি পাট চাষ করেছেন। এ বছর পাটে আশানুরূপ ভালো ফলন পাওয়া যাচ্ছে। তবে ভরা মৌসুমে ফড়িয়াদের সিন্ডিকেটের কারণে অনেক সময় কৃষকেরা ন্যায্য মূল্য পান না। এ বিষয়ে সরকারের নজর দেওয়া উচিত।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাইদুর রহমান সাঈদ বলেন, চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যমতে, পাটের যে ফলন পাওয়া যাচ্ছে তাতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। রোপা আমন ধান রোপণ ও পাট কাটা একসঙ্গে শুরু হওয়ায় উপজেলা জুড়ে শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। উচ্চ মূল্যে শ্রমিক নেওয়ার কারণে উৎপাদন খরচও বাড়ছে। তবে কাঙ্ক্ষিত বাজার মূল্য পেলে পাট চাষিরা লাভবান হবেন বলে তিনি মনে করেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কুন্তলা ঘোষ আজকের বলেন, পাটপণ্যের বহুমুখী ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় দিন দিন পাটের আবাদ বাড়ছে। পাটকাঠিরও বহুমুখী ব্যবহার শুরু হয়েছে। এতে পাট চাষে কৃষকদের মধ্যে সাড়া সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে রাসায়নিক সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। এর ফলে আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে।

৮০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ওজনের রুই মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ টাকায়, এক কেজি ওজনের পাঙাশ ১৬০ টাকায় এবং ২৫০ গ্রাম ওজনের তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৫০-২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। ৪০০-৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম ১ হাজার ৮০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা এবং এক কেজি ওজনের ইলিশ...
৩ মিনিট আগে
খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে ধানমন্ডি ৫ নম্বর রোডে পরিত্যক্ত সুধাসদন বাড়িটির দ্বিতীয় তলায় দরজার ওপরে ভেন্টিলেটরের সঙ্গে নাইলনের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তাঁর শরীরে কোনো জখমের চিহ্ন নেই...
২৬ মিনিট আগে
বাঙ্গালা-ধামশ্বর সংযোগ সড়কটি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ একটি যোগাযোগমাধ্যম। এ সড়ক দিয়ে কয়েকটি ইউনিয়ন ও আশপাশের গ্রামের মানুষ নিয়মিত ঘিওর বাজার, ঘিওর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ করে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
২৯ মিনিট আগে
অভিযুক্ত রোমিরাজ দাশ গুপ্ত মা-বাবার কাছে নিজের বিয়ের দাবি জানান। মা কল্পনা দাশ গুপ্ত বিয়ে করাতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে ঘরে থাকা ধারালো ছুরি নিয়ে মায়ের গলায় আঘাত করেন। স্ত্রীকে রক্ষা করতে গেলে বাবা স্বপন দাশ গুপ্তকেও ছুরিকাঘাত করেন।
৩৫ মিনিট আগে