
এ বছর চলনবিলে বেশি নজর কেড়েছে বালিহাঁস, বক ও রাতচোরা প্রজাতির পাখি। তবে সব আনন্দ ম্লান করে দিচ্ছে অসাধু শিকারিদের দৌরাত্ম্য। কোথাও জাল, কোথাও বিষটোপ বা ফাঁদ পেতে নির্বিচারে ধরা হচ্ছে পরিযায়ী ও দেশি পাখি। এতে হুমকির মুখে পড়ছে বিলে জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য।

‘আগের বছরগুলোতে আমি সারা দিন কাজ করে প্রতিদিন ৪০০-৫০০ টাকা রোজগার করে সংসার চালাতাম। এ বছর মাছের অভাবে বেকার দিন কাটাচ্ছি। কোনো কাজ নাই।’ কথাগুলো পাবনার চাটমোহর উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের নিমাইচড়া গ্রামের শুঁটকি তৈরির শ্রমিক রহিমা বেগমের। চলনবিলে পর্যাপ্ত মাছ না পাওয়ায় শুঁটকির অসংখ্য চাতাল...

দিনের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে নৌকার পর নৌকা ভিড়ছে চলনবিল অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মাকড়শনে। এটি শামুকের আড়ত। সকাল থেকে এখানে শুরু হয় জমজমাট ক্রয়-বিক্রয়।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বেলা ১১টায় পাবনার চাটমোহর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা বলেন, ‘আমরা চলনবিলের বিনিময়ে বিশ্ববিদ্যালয় চাই না। আমরা যেমন বিশ্ববিদ্যালয় চাই, তেমনি চলনবিলও চাই।’