ফুলগাজী (ফেনী) সংবাদদাতা

ফেনীর পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলাঘেঁষা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোয় দীর্ঘদিন ধরে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে ভারতীয় বিভিন্ন মোবাইল ফোন কোম্পানির সিম কার্ড। শুধু সীমান্তে নয়, এমন সিমের ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে খোদ ফেনী শহরেও; যা ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করছেন রাজনীতিকেরা।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ফেনী সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সিম কার্ড ব্যবহার করেন চোরাকারবারিরা। সম্প্রতি এর ব্যবহার বৃদ্ধিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে গেছে। সীমান্তঘেঁষা উপজেলাগুলোর তরুণেরা জানান, তাঁরা মোবাইল ফোনে ব্যবহার করেন ভারতীয় কোম্পানির এয়ারটেল, জিও, ভোডাফোন, রিলায়েন্স, এয়ারসেল, টেলিনরসহ বিভিন্ন কোম্পানির সিম। দেশীয় মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর ইন্টারনেট সেবা না পেয়ে বাধ্য হয়ে তাঁরা এসব সিম কার্ড ব্যবহার করেন।
ছাগলনাইয়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলমগীর বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জন্য সুখকর নয়। এই সিমগুলো অসাধু লোকেরা ব্যবহার করে দেশকে বিপদে ফেলতে চাইছে। আমরা সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
এদিকে সীমান্তে দীর্ঘদিন ভারতীয় সিম কার্ডের অবাধ ব্যবহারের খবর জানে না সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ। এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভারতীয় সিমের বিষয়টি আমরা জেনেছি, এটি জাতীয় ইস্যু। বিষয়টি সরকারকে জানানোর চেষ্টা করব।’
জেলা প্রশাসক মনিরা হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাইনি। যদি এ রকম কোনো সিম কার্ড পাওয়া যায়, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
দেড় হাজার টাকায় মেলে সিম কার্ড: সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোয় সরেজমিনে জানা গেছে, ছাগলনাইয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন শুভপুর ও মহামায়া; ফুলগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী সদর ইউনিয়ন, আমজাদহাট, আনন্দপুর, মুন্সীরহাট এবং পরশুরাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন বক্সমাহমুদ ও মির্জানগরের বিভিন্ন গ্রামে ভারতীয় সিম কার্ড ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে ইন্টারনেটও ব্যবহার করে গ্রামবাসী। শুধু তা-ই নয়, ভারতীয় মোবাইল নেটওয়ার্ক এতই শক্তিশালী, ফেনী শহরে বসেও ভারতীয় মোবাইল ফোন কোম্পানির নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে নেট দুনিয়ায় সহজ বিচরণ সম্ভব হচ্ছে। জানা গেছে, দেড় থেকে ৫ হাজার টাকায় পাওয়া যায় ভারতীয় সিম কার্ড।
ভারতীয় সিম বিক্রি চক্রের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ভারতীয় সিম কার্ডগুলো দেড় হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা দামে বিক্রি করে থাকি। ইদানীং এর বিক্রি বাড়ছে।’
ভারতীয় মোবাইল সিম কার্ড ব্যবহারকারী বাংলাদেশি এক নাগরিক জানান, বাংলাদেশের মোবাইল কোম্পানিগুলোর নেটওয়ার্ক না থাকায় তাঁরা বাধ্য হয়েই ভারতীয় সিম কার্ড ব্যবহার করছেন। বাংলাদেশি সিম অপারেটর কোম্পানিগুলোকে বারবার অনুরোধ করেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি।
এবারের নির্বাচন বানচালে ভারতীয় মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহারের শঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনীতিকেরা। দেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় মোবাইল নেটওয়ার্কের ব্যবহার হুমকি হিসেবে দেখছেন উল্লেখ করে পরশুরাম উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মনির চেয়ারম্যান বলেন, ভারতে বসে সন্ত্রাসীরা এবারের নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছে। তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।
জেলা জামায়াতে ইসলামীর আইনজীবী শাখার সহসভাপতি অ্যাডভোকেট এমদাদ হোসাইন বলেন, ‘ভিনদেশি সিম রাষ্ট্রের গোপনীয়তার জন্য হুমকি। নির্বাচন উপলক্ষে অবৈধ অস্ত্রও দেশের অভ্যন্তরে এসেছে শুনেছি। বিষয়টি খুবই উদ্বেগের।’

ফেনীর পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলাঘেঁষা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য। সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোয় দীর্ঘদিন ধরে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে ভারতীয় বিভিন্ন মোবাইল ফোন কোম্পানির সিম কার্ড। শুধু সীমান্তে নয়, এমন সিমের ব্যবহারের প্রমাণ মিলেছে খোদ ফেনী শহরেও; যা ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করছেন রাজনীতিকেরা।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ফেনী সীমান্ত এলাকায় ভারতীয় সিম কার্ড ব্যবহার করেন চোরাকারবারিরা। সম্প্রতি এর ব্যবহার বৃদ্ধিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে গেছে। সীমান্তঘেঁষা উপজেলাগুলোর তরুণেরা জানান, তাঁরা মোবাইল ফোনে ব্যবহার করেন ভারতীয় কোম্পানির এয়ারটেল, জিও, ভোডাফোন, রিলায়েন্স, এয়ারসেল, টেলিনরসহ বিভিন্ন কোম্পানির সিম। দেশীয় মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর ইন্টারনেট সেবা না পেয়ে বাধ্য হয়ে তাঁরা এসব সিম কার্ড ব্যবহার করেন।
ছাগলনাইয়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলমগীর বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জন্য সুখকর নয়। এই সিমগুলো অসাধু লোকেরা ব্যবহার করে দেশকে বিপদে ফেলতে চাইছে। আমরা সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’
এদিকে সীমান্তে দীর্ঘদিন ভারতীয় সিম কার্ডের অবাধ ব্যবহারের খবর জানে না সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশ। এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার মো. শফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভারতীয় সিমের বিষয়টি আমরা জেনেছি, এটি জাতীয় ইস্যু। বিষয়টি সরকারকে জানানোর চেষ্টা করব।’
জেলা প্রশাসক মনিরা হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমরা এ ধরনের কোনো অভিযোগ পাইনি। যদি এ রকম কোনো সিম কার্ড পাওয়া যায়, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
দেড় হাজার টাকায় মেলে সিম কার্ড: সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোয় সরেজমিনে জানা গেছে, ছাগলনাইয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন শুভপুর ও মহামায়া; ফুলগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী সদর ইউনিয়ন, আমজাদহাট, আনন্দপুর, মুন্সীরহাট এবং পরশুরাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ইউনিয়ন বক্সমাহমুদ ও মির্জানগরের বিভিন্ন গ্রামে ভারতীয় সিম কার্ড ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে ইন্টারনেটও ব্যবহার করে গ্রামবাসী। শুধু তা-ই নয়, ভারতীয় মোবাইল নেটওয়ার্ক এতই শক্তিশালী, ফেনী শহরে বসেও ভারতীয় মোবাইল ফোন কোম্পানির নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে নেট দুনিয়ায় সহজ বিচরণ সম্ভব হচ্ছে। জানা গেছে, দেড় থেকে ৫ হাজার টাকায় পাওয়া যায় ভারতীয় সিম কার্ড।
ভারতীয় সিম বিক্রি চক্রের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘ভারতীয় সিম কার্ডগুলো দেড় হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা দামে বিক্রি করে থাকি। ইদানীং এর বিক্রি বাড়ছে।’
ভারতীয় মোবাইল সিম কার্ড ব্যবহারকারী বাংলাদেশি এক নাগরিক জানান, বাংলাদেশের মোবাইল কোম্পানিগুলোর নেটওয়ার্ক না থাকায় তাঁরা বাধ্য হয়েই ভারতীয় সিম কার্ড ব্যবহার করছেন। বাংলাদেশি সিম অপারেটর কোম্পানিগুলোকে বারবার অনুরোধ করেও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি।
এবারের নির্বাচন বানচালে ভারতীয় মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহারের শঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনীতিকেরা। দেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় মোবাইল নেটওয়ার্কের ব্যবহার হুমকি হিসেবে দেখছেন উল্লেখ করে পরশুরাম উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মনির চেয়ারম্যান বলেন, ভারতে বসে সন্ত্রাসীরা এবারের নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করছে। তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা জরুরি।
জেলা জামায়াতে ইসলামীর আইনজীবী শাখার সহসভাপতি অ্যাডভোকেট এমদাদ হোসাইন বলেন, ‘ভিনদেশি সিম রাষ্ট্রের গোপনীয়তার জন্য হুমকি। নির্বাচন উপলক্ষে অবৈধ অস্ত্রও দেশের অভ্যন্তরে এসেছে শুনেছি। বিষয়টি খুবই উদ্বেগের।’

রাষ্ট্রায়ত্ত অগ্রণী ব্যাংক পিএলসির কাছ থেকে নেওয়া বিপুল অঙ্কের ঋণ পরিশোধ না করেই ব্যাংকের কাছে বন্ধক রাখা সম্পত্তি গোপনে ভেঙে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জভিত্তিক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান মেসার্স জয়নব ট্রেডিং লিমিটেডের বিরুদ্ধে।
৪ ঘণ্টা আগে
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট ফেনী জেনারেল হাসপাতালের প্রসূতি ওয়ার্ডের এক পাশে সন্তান প্রসবের জন্য অস্ত্রোপচার কক্ষ (ওটি)। অন্য পাশের একটি কক্ষে রাখা হয় প্রসূতিদের। কিন্তু প্রসূতি ও নবজাতকদের সংক্রমণ ঝুঁকিতে ফেলে স্পর্শকাতর এই ওয়ার্ডের মধ্যেই নিয়মিত রান্নাবান্না ও খাওয়া-দাওয়া করছেন হাসপাতালের নার্সরা।
৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকা শহরের উত্তর থেকে দক্ষিণে নির্বিঘ্নে যান চলাচলের লক্ষ্য নিয়ে ৪৬.৭৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণকাজ ১৪ বছর ধরে চলমান। ২০২৩ ও ২০২৪ সালে আংশিকভাবে যান চলাচলের জন্য চালু হলেও নানা জটিলতায় প্রকল্পের কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি।
৫ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-আংশিক সাতকানিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদের দেড় বছরের ব্যবধানে সম্পদ ২১ কোটি থেকে বেড়ে ৪১ কোটির ঘরে পৌঁছেছে। হোটেল ব্যবসা ও দোকানপাট ভাড়া দিয়ে এক বছর আগেও তিনি বার্ষিক করতেন ১ কোটি টাকার ওপরে।
৫ ঘণ্টা আগে