
নাটোরে বোতলে তেল না দেওয়ায় একটি ফিলিং স্টেশনের বিক্রয়কর্মীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাতে শহরের হাফরাস্তা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মারধরের শিকার বিক্রয়কর্মীর নাম সানু রায় (৪৫)। তিনি নাটোর পেট্রোলিয়াম এজেন্সির বিক্রয়কর্মী। হামলাকারী শাহীন আলী শহরের হাফরাস্তা এলাকার বাসিন্দা।
জানা গেছে, গতকাল রাত ৮টার দিকে অভিযুক্ত শাহীন একটি বোতল নিয়ে ফিলিং স্টেশনে আসেন। তিনি বিক্রয়কর্মী সানুর কাছে তেল চান। ঘণ্টার পর ঘণ্টা দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষমাণ মোটরসাইকেলচালকেরা আগে তেল পাবেন জানিয়ে সানু বোতলে তেল দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বেশ কিছু সময় বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মেজাজ হারিয়ে শাহীন পাশের একটি ফার্নিচারের দোকান থেকে কাঠের বাটাম এনে সানুর ওপর অতর্কিত আক্রমণ করেন। এতে তাঁর দুই হাত জখম হয়। এ সময় তেলের অপেক্ষায় থাকা মোটরসাইকেলচালকেরা শাহীনকে ঘিরে ধরলে তিনি দ্রুত সটকে পড়েন। পরে ফিলিং স্টেশনের অন্য স্টাফরা সানুকে উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
আহত বিক্রয়কর্মী সানু বলেন, ‘ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে যেসব বাইকার লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন, তাঁদের রেখে হুট করে শাহীন এসে বোতলে তেল চান। আমি বলেছি, আপনাকে তেল দিলে এখানে অন্যরা খেপে গিয়ে পরিস্থিতি খারাপ করতে পারে। এটা শুনে সে আমার ওপর হামলা করে। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছি।’
নাটোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর ফিলিং স্টেশনটিতে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। বর্তমানে আগের মতোই তেল বিক্রি হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

কক্সবাজারের টেকনাফ শাহপরীর দ্বীপসংলগ্ন নাফ নদী এলাকা থেকে অপহরণের চার দিনের মাথায় ১৪ জন বাংলাদেশি জেলেকে ছেড়ে দিয়েছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি।
৯ মিনিট আগে
পটুয়াখালীর বাউফলে চাঁদা না পেয়ে তরমুজচাষিকে কুপিয়ে-পিটিয়ে আহত করার জেরে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে উজ্জ্বল কর্মকার (৩০) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
মাদারীপুরে গ্যাস সিলিন্ডারভর্তি ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে অজয় কুমার হাওলাদার নামে পিকআপচালক নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া গুরুতর আহত হন তাঁর সহকারী।
১ ঘণ্টা আগে
টিকিট সংগ্রহ, চিকিৎসক দেখানো, ওষুধ নেওয়া থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে আসা রোগী ও তাঁদের স্বজনদের। সেই সঙ্গে রোগীদের কাছে নতুন আতঙ্কের নাম ট্রলি বয়। ট্রলি ব্যবহার করলেই তাঁরা রোগীপ্রতি নিচ্ছেন ৮০-১০০ টাকা।
৯ ঘণ্টা আগে