Ajker Patrika

পল্লবীতে শিশুর মাথা বিচ্ছিন্ন: যৌন নির্যাতনের ঘটনা ধামাচাপা দিতেই হত্যা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
আপডেট : ২০ মে ২০২৬, ১০: ১৬
পল্লবীতে শিশুর মাথা বিচ্ছিন্ন: যৌন নির্যাতনের ঘটনা ধামাচাপা দিতেই হত্যা
স্বপ্না আক্তার। ছবি: সংগৃহীত

‎রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সেই শিশুকে যৌন নির্যাতনের পর ঘটনা ধামাচাপা দিতেই হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পল্লবী থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন নজরুল ইসলাম।

‎তিনি বলেন, শিশুটিকে সম্ভবত যৌন নির্যাতনের পর ব্লিডিং (রক্তপাত) হওয়ায় ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গুম করতে তার মাথা ও হাত বিচ্ছিন্ন করা হয়।

‎এর আগে মঙ্গলবার সকালে মিরপুরের পল্লবী এলাকায় দ্বিতীয় শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকে (৮) হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পার্শ্ববর্তী ফ্ল্যাটের এক দম্পতিকে আটক করা হয়।

‎ঘটনার বিষয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিশুটির মা মেয়েকে খুঁজতে খুঁজতে অভিযুক্তদের কক্ষে যান। এ সময় দরজা না খুলে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা (৩০)। পরে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার (২৬) দরজা খুললে ঘরের ভেতরে শিশুটির মাথা বিচ্ছিন্ন মরদেহ দেখতে পান শিশুটির মা।

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, হৃদয়বিদারক ও নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের মাত্র সাত ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে এবং তার সহযোগী স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মিরপুর ১১ নম্বরের মিল্লাত ক্যাম্প সংলগ্ন বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় তথ্য ও আলামত সংগ্রহের কাজ চলমান। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া মৃত শিশুর বিচ্ছিন্ন মাথাসহ অন্যান্য আলামতও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

‎এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, শিশু হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত