ঢামেক প্রতিবেদক

রাজধানীতে চলন্ত বাসে অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মেডিকেল সেন্টারের এক চিকিৎসক। পরে বাসের রাজধানীর গুলিস্তান থেকে বাসের স্টাফরা তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন। রোববার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ থেকে বাসে করে ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ওই চিকিৎসক হলেন সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাজ্জাদ হোসেন (৫২)। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে কর্মরত। তাঁর বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায়। বর্তমানে তিনি সবুজবাগ বাসাবো এলাকায় থাকেন বলে জানিয়েছেন তাঁর বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক।
তত্ত্বাবধায়ক সোনা মিয়া আজকের পত্রিকা'কে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে কর্মরত সাজ্জাদ হোসেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও এলাকায় নিয়মিত রোগী দেখতে যান। আজ রোগী দেখা শেষে ইফতারের পর দোয়েল পরিবহনের একটি বাসে করে ঢাকায় ফিরছিলেন। পথে ওই বাসে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েন তিনি। বাসের স্টাফরা তাঁকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে গুলিস্তান শেষ স্টপেজে বাস থেকে নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
তিনি আরও বলেন, ওই চিকিৎসককে স্টোমাক ওয়াশ করানো হয়েছে। তাঁর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় হাসপাতালটির পুরাতন বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে রাখা হয়। পরে সেখান থেকে সিসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানেই বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ভুক্তভোগী ওই চিকিৎসক।
এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদ আলম বলেন, ‘ওই চিকিৎসককে সিসিইউতে ভর্তি রাখা হয়েছে। তাঁর অবস্থা গুরুতর। ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে।’
আরও খবর পড়ুন:

রাজধানীতে চলন্ত বাসে অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মেডিকেল সেন্টারের এক চিকিৎসক। পরে বাসের রাজধানীর গুলিস্তান থেকে বাসের স্টাফরা তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন। রোববার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ থেকে বাসে করে ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ওই চিকিৎসক হলেন সহযোগী অধ্যাপক ডা. সাজ্জাদ হোসেন (৫২)। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে কর্মরত। তাঁর বাড়ি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলায়। বর্তমানে তিনি সবুজবাগ বাসাবো এলাকায় থাকেন বলে জানিয়েছেন তাঁর বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক।
তত্ত্বাবধায়ক সোনা মিয়া আজকের পত্রিকা'কে বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে কর্মরত সাজ্জাদ হোসেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও এলাকায় নিয়মিত রোগী দেখতে যান। আজ রোগী দেখা শেষে ইফতারের পর দোয়েল পরিবহনের একটি বাসে করে ঢাকায় ফিরছিলেন। পথে ওই বাসে অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়েন তিনি। বাসের স্টাফরা তাঁকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে গুলিস্তান শেষ স্টপেজে বাস থেকে নামিয়ে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
তিনি আরও বলেন, ওই চিকিৎসককে স্টোমাক ওয়াশ করানো হয়েছে। তাঁর অবস্থা গুরুতর হওয়ায় হাসপাতালটির পুরাতন বার্ন ইউনিটের আইসিইউতে রাখা হয়। পরে সেখান থেকে সিসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানেই বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ভুক্তভোগী ওই চিকিৎসক।
এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাসুদ আলম বলেন, ‘ওই চিকিৎসককে সিসিইউতে ভর্তি রাখা হয়েছে। তাঁর অবস্থা গুরুতর। ঘটনাটি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে।’
আরও খবর পড়ুন:

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে