নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারকের সঙ্গে অসদাচরণ করার ঘটনায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঢাকা বার ইউনিটের আহ্বায়ক খোরশেদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সনদ বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
গতকাল রোববার (১৮ মে) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে জানানো হয়, তিন কার্যদিবসের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
অন্য আইনজীবীরা হলেন জাতীয়বাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক মিলন, ফোরামের ঢাকা বার ইউনিটের সদস্য মো. জাবেদ ও এস এম ইলিয়াস হাওলাদার।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন গভীর ক্ষোভ ও চরম উদ্বেগের সঙ্গে জানাচ্ছে যে, ১৭ মে দুপুরে ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চলমান এজলাসে কিছু আইনজীবী কর্তৃক বিচারক ও বিচারকার্যের প্রতি প্রকাশ্য অবমাননা, চিৎকার-চেঁচামেচি, অশ্রাব্য গালিগালাজ, অশালীন মন্তব্য, আদালতের দৈনন্দিন কার্যতালিকা (কজলিস্ট) ছুড়ে ফেলা ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের যে ন্যক্কারজনক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, তা দেশের বিচার বিভাগ, বিচারক ও আইনের শাসনের প্রতি সরাসরি হুমকি এবং সুস্পষ্ট ফৌজদারি অপরাধ। একপর্যায়ে এমন পরিস্থিতি হয় যে, বিচারককে বাধ্য হয়ে এজলাস ত্যাগ করতে হয়। এ ধরনের আচরণের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সনদ বাতিল করার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।
এর আগে গতকাল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে চার আইনজীবীর বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার লিখিত ব্যাখ্যা চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, আইনজীবীদের আচরণ দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।
ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুনাইদের আদালতে গত শনিবার দুপুরে এক হত্যাচেষ্টা ও চাঁদা দাবির মামলায় আসামির জামিন শুনানির সময় বিচারকের সঙ্গে অসদাচরণের ঘটনা ঘটে। জামিন না দেওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেটকে আওয়ামী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে তকমা দেওয়া হয়। তাঁকে গালিগালাজের ঘটনাও ঘটে।
আরও খবর পড়ুন:

ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারকের সঙ্গে অসদাচরণ করার ঘটনায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ঢাকা বার ইউনিটের আহ্বায়ক খোরশেদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সনদ বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। পাশাপাশি তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
গতকাল রোববার (১৮ মে) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে জানানো হয়, তিন কার্যদিবসের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
অন্য আইনজীবীরা হলেন জাতীয়বাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক মিলন, ফোরামের ঢাকা বার ইউনিটের সদস্য মো. জাবেদ ও এস এম ইলিয়াস হাওলাদার।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন গভীর ক্ষোভ ও চরম উদ্বেগের সঙ্গে জানাচ্ছে যে, ১৭ মে দুপুরে ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চলমান এজলাসে কিছু আইনজীবী কর্তৃক বিচারক ও বিচারকার্যের প্রতি প্রকাশ্য অবমাননা, চিৎকার-চেঁচামেচি, অশ্রাব্য গালিগালাজ, অশালীন মন্তব্য, আদালতের দৈনন্দিন কার্যতালিকা (কজলিস্ট) ছুড়ে ফেলা ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের যে ন্যক্কারজনক ঘটনা সংঘটিত হয়েছে, তা দেশের বিচার বিভাগ, বিচারক ও আইনের শাসনের প্রতি সরাসরি হুমকি এবং সুস্পষ্ট ফৌজদারি অপরাধ। একপর্যায়ে এমন পরিস্থিতি হয় যে, বিচারককে বাধ্য হয়ে এজলাস ত্যাগ করতে হয়। এ ধরনের আচরণের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সনদ বাতিল করার আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।
এর আগে গতকাল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে চার আইনজীবীর বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তার লিখিত ব্যাখ্যা চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, আইনজীবীদের আচরণ দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।
ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুনাইদের আদালতে গত শনিবার দুপুরে এক হত্যাচেষ্টা ও চাঁদা দাবির মামলায় আসামির জামিন শুনানির সময় বিচারকের সঙ্গে অসদাচরণের ঘটনা ঘটে। জামিন না দেওয়ায় ম্যাজিস্ট্রেটকে আওয়ামী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে তকমা দেওয়া হয়। তাঁকে গালিগালাজের ঘটনাও ঘটে।
আরও খবর পড়ুন:

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে