নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জুলাই গণ-অভুত্থানের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলমের ফেসবুক পোস্টে কমেন্ট করে বরখাস্ত হয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. নাজমুল হুদা। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি কমেন্ট করার অপরাধে ২০ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সৈয়দা সাদিয়া নূরীয়া স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে নাজমুল হুদাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
সম্প্রতি, ফেসবুকে স্যাড রিয়েক্ট দেওয়ায় সম্প্রতি মৎস্য অধিদপ্তরের পাঁচ কর্মকর্তাকে শোকজ করার ঘটনার পর নাজমুল হুদার বরখাস্তের তথ্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সৈয়দা সাদিয়া নূরীয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অফিশিয়াল সিদ্ধান্তে বরখাস্ত করা হয়েছে। আমি শুধু ডেস্ক অফিসার হিসেবে স্বাক্ষর করেছি।’
জানা গেছে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ফেসবুকে সারজিস আলমের একটি পোস্টে নাজমুল হুদা কমেন্ট লেখেন, ‘আপনারা স্বৈরাচারী সরকারের দোসরদের সচিব বানানোর জন্য ডিও দেন, আবার বড় বড় কথা বলেন।’ কমেন্টের পরের দিনই নাজমুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এখানেই শেষ নয়, ভুক্তভোগী নাজমুলকে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করতে তাঁর বিরুদ্ধে গত ১৩ মার্চ বিভাগীয় মামলাও করা হয়।
মামলার অভিযোগনামায় বলা হয়, ‘আপনার উপরিউক্ত মন্তব্য/বক্তব্য জাতীয় ঐক্য চেতনার পরিপন্থী—যা ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রকে হেয়প্রতিপন্ন, জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে মর্মে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ধরনের অবিবেচনাপ্রসূত বক্তব্যে মাননীয় উপদেষ্টা মহোদয়গণদের হেয় করা হয়েছে। প্রজাতন্ত্রের একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মচারী হিসেবে আপনার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হতে এ ধরনের মন্তব্য/বক্তব্য প্রদান সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী অসদাচরণের শামিল।’
এদিকে, নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা এজাহারের কপির ছবি দিয়ে ১৭ মে রাতে অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য একটি পোস্ট করেন। সেই পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘সার্জিস আলমকেও স্যার ডাকতে হবে নাকি এখন?।’ ওই পোস্টে সারজিস আলম মন্তব্যে লেখেন, তিনি ভুক্তভোগীর সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন। শাস্তি প্রত্যাহারের অনুরোধ করবেন। তা ছাড়া চাকরি ফিরে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তবে ভুক্তভোগী নাজমুল হুদা আজকের পত্রিকা'কে বলেন, ‘সারজিস আলম যোগাযোগ করেছে। তবে সে ভালোভাবে বললে বরখাস্তের আদেশ বাতিল হতো।’ কমেন্টের বিষয়ে তিনি জানান, মন্ত্রণালয়ের সচিব তোফাজ্জেল হোসেনের চাপে সেই কমেন্ট তিনি ডিলিট করে দিয়েছেন।
আরও খবর পড়ুন:

জুলাই গণ-অভুত্থানের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলমের ফেসবুক পোস্টে কমেন্ট করে বরখাস্ত হয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. নাজমুল হুদা। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি কমেন্ট করার অপরাধে ২০ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সৈয়দা সাদিয়া নূরীয়া স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে নাজমুল হুদাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
সম্প্রতি, ফেসবুকে স্যাড রিয়েক্ট দেওয়ায় সম্প্রতি মৎস্য অধিদপ্তরের পাঁচ কর্মকর্তাকে শোকজ করার ঘটনার পর নাজমুল হুদার বরখাস্তের তথ্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সৈয়দা সাদিয়া নূরীয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অফিশিয়াল সিদ্ধান্তে বরখাস্ত করা হয়েছে। আমি শুধু ডেস্ক অফিসার হিসেবে স্বাক্ষর করেছি।’
জানা গেছে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ফেসবুকে সারজিস আলমের একটি পোস্টে নাজমুল হুদা কমেন্ট লেখেন, ‘আপনারা স্বৈরাচারী সরকারের দোসরদের সচিব বানানোর জন্য ডিও দেন, আবার বড় বড় কথা বলেন।’ কমেন্টের পরের দিনই নাজমুলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। এখানেই শেষ নয়, ভুক্তভোগী নাজমুলকে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করতে তাঁর বিরুদ্ধে গত ১৩ মার্চ বিভাগীয় মামলাও করা হয়।
মামলার অভিযোগনামায় বলা হয়, ‘আপনার উপরিউক্ত মন্তব্য/বক্তব্য জাতীয় ঐক্য চেতনার পরিপন্থী—যা ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা রাষ্ট্রকে হেয়প্রতিপন্ন, জনমনে অসন্তোষ বা অপ্রীতিকর মনোভাব সৃষ্টি করতে পারে মর্মে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ধরনের অবিবেচনাপ্রসূত বক্তব্যে মাননীয় উপদেষ্টা মহোদয়গণদের হেয় করা হয়েছে। প্রজাতন্ত্রের একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মচারী হিসেবে আপনার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হতে এ ধরনের মন্তব্য/বক্তব্য প্রদান সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী অসদাচরণের শামিল।’
এদিকে, নাজমুল হুদার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা এজাহারের কপির ছবি দিয়ে ১৭ মে রাতে অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য একটি পোস্ট করেন। সেই পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘সার্জিস আলমকেও স্যার ডাকতে হবে নাকি এখন?।’ ওই পোস্টে সারজিস আলম মন্তব্যে লেখেন, তিনি ভুক্তভোগীর সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন। শাস্তি প্রত্যাহারের অনুরোধ করবেন। তা ছাড়া চাকরি ফিরে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
তবে ভুক্তভোগী নাজমুল হুদা আজকের পত্রিকা'কে বলেন, ‘সারজিস আলম যোগাযোগ করেছে। তবে সে ভালোভাবে বললে বরখাস্তের আদেশ বাতিল হতো।’ কমেন্টের বিষয়ে তিনি জানান, মন্ত্রণালয়ের সচিব তোফাজ্জেল হোসেনের চাপে সেই কমেন্ট তিনি ডিলিট করে দিয়েছেন।
আরও খবর পড়ুন:

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহকারী একান্ত সচিব-২ গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর স্ত্রী রহিমা আক্তারের নামে থাকা একটি ১০ তলা ভবন ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ গজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
দুদক জানিয়েছে, সাতজন নিম্ন আয়ের মানুষের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে কাগুজে প্রতিষ্ঠান খুলে মোট ৪৬ কোটি ৭৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে একটি চক্র। সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও রুকমিলা জামান ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব ঋণ জালিয়াতিতে সহায়তা করেন। এ ঘটনায় সাইফুজ্জামানের ভাই ও ইউসিবির সাবেক পরিচালক আনিসুজ্জামান
৩ ঘণ্টা আগে
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচনী পরিবেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কমিশন থেকে সমন্বয় সেল, ভিজিল্যান্স টিম, মনিটরিং টিমসহ রিটার্নিং কর্মকর্তার সমন্বয়ে অনেকগুলো কমিটি রয়েছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারসহ নানা ধরনের নির্দেশনা আগের আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক সভায় দেওয়া হয়েছিল।
৩ ঘণ্টা আগে
সিআইডির অনুসন্ধান অনুযায়ী, চক্রটি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, গুলশান শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। অভিযোগসংশ্লিষ্ট মো. কামরুজ্জামান ২০১৫ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগদান করেন।
৪ ঘণ্টা আগে