ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের আবাসিক হল থেকে ধ্রুবজিৎ কর্মকার নামের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর কক্ষ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। তাঁর এই মৃত্যুর জন্য দেশের শিক্ষাব্যবস্থা দায়ী বলে চিরকুটে লেখা রয়েছে।
আজ রোববার দুপুরে কলেজের অমর একুশে হলের ৩০৭ নম্বর কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে গামছা দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় ধ্রুবজিৎ কর্মকারের লাশ পাওয়া যায়।
চিরকুটে লেখা রয়েছে, ‘সরি মা, বাবা। আমি ধ্রুবজিৎ, সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। কার্ডের পিন (.......), টাকাগুলো মাকে দিয়ে দিও। আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা। পরেরবার ফার্মেসি নিয়ে পড়ব। এত চাপ আমার পক্ষে নেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। বিদায়। হরে কৃষ্ণ।’
জানা গেছে, শিক্ষার্থী ধ্রুবজিৎ কর্মকার ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার বিজয়পুর গ্রামের মনোতোষ কর্মকার ও সুপ্তা কর্মকার দম্পতির ছেলে। তিনি ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের তৃতীয় বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষার্থী ছিলেন।

কলেজ অধ্যক্ষ প্রকৌশলী অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকা'কে বলেন, শিক্ষার্থী ধ্রুবজিৎ চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছেন। তাঁর একাডেমিক পরীক্ষা চলছিল। আজও পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষার হলে তিনি নকলসহ ধরা পড়েন। এ সময় দায়িত্বরত শিক্ষকেরা তাঁর খাতা নিয়ে তাঁকে হল থেকে বের করে দেন। এ ঘটনার পর ধ্রুবজিৎ তাঁর কক্ষে গিয়ে আত্মহত্যা করেন। বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অধ্যক্ষ আরও বলেন, ধ্রুবজিৎ কিছুদিন ধরেই হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। হয়তো পরীক্ষায় নকল নিয়ে ধরা পড়ে তিনি মানসিকভাবে আরও ভেঙে পড়েছিলেন। ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও দুঃখজনক। ঘটনাটি তাঁর পরিবারকে জানানো হয়েছে।
ধ্রুবজিৎ কর্মকারের সহপাঠীরা জানান, পরীক্ষার হলে নকল নিয়ে ধরা পড়ার পর বহিষ্কারের ভয়ে স্যারদের পায়ে ধরে অনেক কান্নাকাটি করেছিলেন ধ্রুবজিৎ। এরপরই তিনি হলে এসে ফ্যানের সঙ্গে গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ সময় তাঁর কক্ষের সহপাঠীরা পরীক্ষার হলে ছিলেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক সজীব কুমার বাড়ই বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। ওই শিক্ষার্থীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
আরও খবর পড়ুন:

ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের আবাসিক হল থেকে ধ্রুবজিৎ কর্মকার নামের এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাঁর কক্ষ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়। তাঁর এই মৃত্যুর জন্য দেশের শিক্ষাব্যবস্থা দায়ী বলে চিরকুটে লেখা রয়েছে।
আজ রোববার দুপুরে কলেজের অমর একুশে হলের ৩০৭ নম্বর কক্ষে ফ্যানের সঙ্গে গামছা দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় ধ্রুবজিৎ কর্মকারের লাশ পাওয়া যায়।
চিরকুটে লেখা রয়েছে, ‘সরি মা, বাবা। আমি ধ্রুবজিৎ, সবার কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। কার্ডের পিন (.......), টাকাগুলো মাকে দিয়ে দিও। আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা। পরেরবার ফার্মেসি নিয়ে পড়ব। এত চাপ আমার পক্ষে নেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। বিদায়। হরে কৃষ্ণ।’
জানা গেছে, শিক্ষার্থী ধ্রুবজিৎ কর্মকার ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার বিজয়পুর গ্রামের মনোতোষ কর্মকার ও সুপ্তা কর্মকার দম্পতির ছেলে। তিনি ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের তৃতীয় বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষার্থী ছিলেন।

কলেজ অধ্যক্ষ প্রকৌশলী অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকা'কে বলেন, শিক্ষার্থী ধ্রুবজিৎ চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছেন। তাঁর একাডেমিক পরীক্ষা চলছিল। আজও পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষার হলে তিনি নকলসহ ধরা পড়েন। এ সময় দায়িত্বরত শিক্ষকেরা তাঁর খাতা নিয়ে তাঁকে হল থেকে বের করে দেন। এ ঘটনার পর ধ্রুবজিৎ তাঁর কক্ষে গিয়ে আত্মহত্যা করেন। বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অধ্যক্ষ আরও বলেন, ধ্রুবজিৎ কিছুদিন ধরেই হতাশাগ্রস্ত ছিলেন। হয়তো পরীক্ষায় নকল নিয়ে ধরা পড়ে তিনি মানসিকভাবে আরও ভেঙে পড়েছিলেন। ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও দুঃখজনক। ঘটনাটি তাঁর পরিবারকে জানানো হয়েছে।
ধ্রুবজিৎ কর্মকারের সহপাঠীরা জানান, পরীক্ষার হলে নকল নিয়ে ধরা পড়ার পর বহিষ্কারের ভয়ে স্যারদের পায়ে ধরে অনেক কান্নাকাটি করেছিলেন ধ্রুবজিৎ। এরপরই তিনি হলে এসে ফ্যানের সঙ্গে গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ সময় তাঁর কক্ষের সহপাঠীরা পরীক্ষার হলে ছিলেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক সজীব কুমার বাড়ই বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। ওই শিক্ষার্থীর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
আরও খবর পড়ুন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে