
বাগেরহাট জেলার রামপালের বেলাই ব্রিজ নামক স্থানে খুলনা-মোংলা মহাসড়কে নৌবাহিনীর বাস-মাইক্রোবাসের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে দুটি শিশুসহ ১৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে এক পরিবারের ১০ জন রয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে রামপালের বেলাই ব্রিজ নামক স্থানে নৌবাহিনীর একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে তারা নিহত হন। মোংলা হাইওয়ে থানার ওসি মো. জাফর আহমেদ দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত ডা. মেহনাজ মোশাররফ বলেন, প্রথমে আমরা এক পরিবারের ৭ জনের লাশ পেয়েছি। এর মধ্যে তিন জন নারী, এক বছরের নিচে ২ জন শিশু এবং ২ জন পুরুষ রয়েছে। একজন মাইক্রেবাসের ড্রাইভার আছেন। এ ছাড়া কিছুক্ষণ আগে ১২-১৩ বছরের আরও একটি লাশ এসেছে। আরও একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। একটু আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
নিহত ৫ জনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন নাঈম শেখ, আলিফ, ঐশি, নিশারুল আলম সবুজ ও পুতুল।
রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুকান্ত কুমার পাল বলেন, দুর্ঘটনায় নিহত চারটি মরদেহ রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে।
নিহত ব্যক্তিদের প্রতিবেশী ওয়াসিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, নিহতদের মধ্যে ১০ জন একই পরিবারের সদস্য। তারা মাইক্রোবাসের যাত্রী ছিল।
কাটাখালী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক কে এম হাসানুজ্জামান বলেন, নৌবাহিনীর যাত্রীবাহী বাসটি খুলনার দিকে যাচ্ছিল। আর যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটি বিপরীত দিক থেকে আসছিল। পথে বেলাইব্রিজ নামক স্থানে দুটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মাইক্রোবাসটি দুমড়েমুচড়ে যায়। নিহতদের মধ্যে চারজন রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাদের বাড়ি মোংলায়।

একসময় স্বস্তি ও নিরাপদ যাত্রার অন্যতম মাধ্যম ছিল ট্রেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ট্রেনযাত্রাই এখন পরিণত হয়েছে ভোগান্তি আর মৃত্যুঝুঁকির যাত্রায়। লাইনচ্যুত হওয়া, ইঞ্জিনে আগুন লাগা কিংবা ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝপথে ট্রেন আটকে পড়া—নিত্যদিনের এসব ঘটনায় আতঙ্ক বাড়ছে যাত্রীদের।
৬ ঘণ্টা আগে
বরগুনার আমতলী পৌরসভার কেন্দ্রীয় লেকের সৌন্দর্যবর্ধনের প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। লেকের মধ্যে নির্মাণাধীন ওয়াকওয়েতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও ত্রুটিপূর্ণ কাজের কারণে গতকাল রোববার অবকাঠামো ধসে পড়ে।
৬ ঘণ্টা আগে
দ্বীপ জেলা ভোলায় বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়ায় (লোডশেডিং) অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রাহকেরা। বিদ্যুতের আবাসিক সংযোগের গ্রাহকেরা শুধু নন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিল্পকারখানার মালিকেরাও। বিদ্যুৎ না থাকায় বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে
যশোরের মনিরামপুরে সরকারি অর্থে দুটি খাল পুনঃখননের পর তীরে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে নিম্নমানের চারা লাগিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) দপ্তরের বিরুদ্ধে।
৬ ঘণ্টা আগে