
নওগাঁর মহাদেবপুরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ৮২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে বাইসাইকেল এবং ৫৫ জন নারীর মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব উপকরণ বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নওগাঁ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হুদা বাবুল।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মানুজরা মুশাররফসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ফজলে হুদা বাবুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে আন্তরিক। কাউকে পেছনে ফেলে নয়, সবাইকে সঙ্গে নিয়েই দেশ এগিয়ে যাবে। শিক্ষা ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আর্থসামাজিক উন্নয়নে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা গ্রহণে উৎসাহিত এবং নারীদের স্বাবলম্বী করতেও এটি সহায়ক হবে।’
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ‘বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা (পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্যতীত)’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাইসাইকেল এবং নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।

খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে ধানমন্ডি ৫ নম্বর রোডে পরিত্যক্ত সুধাসদন বাড়িটির দ্বিতীয় তলায় দরজার ওপরে ভেন্টিলেটরের সঙ্গে নাইলনের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তাঁর শরীরে কোনো জখমের চিহ্ন নেই...
২২ মিনিট আগে
বাঙ্গালা-ধামশ্বর সংযোগ সড়কটি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ একটি যোগাযোগমাধ্যম। এ সড়ক দিয়ে কয়েকটি ইউনিয়ন ও আশপাশের গ্রামের মানুষ নিয়মিত ঘিওর বাজার, ঘিওর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ করে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
২৫ মিনিট আগে
অভিযুক্ত রোমিরাজ দাশ গুপ্ত মা-বাবার কাছে নিজের বিয়ের দাবি জানান। মা কল্পনা দাশ গুপ্ত বিয়ে করাতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে ঘরে থাকা ধারালো ছুরি নিয়ে মায়ের গলায় আঘাত করেন। স্ত্রীকে রক্ষা করতে গেলে বাবা স্বপন দাশ গুপ্তকেও ছুরিকাঘাত করেন।
৩০ মিনিট আগে
গতকাল রাত দেড়টার দিকে ৫-৬ জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে কারখানা দুটিতে প্রবেশ করে। পরে সেখানে দায়িত্বরত কর্মচারী আসাদুল ও তাঁর স্ত্রী লাবনী বেগমকে চেতনানাশক ওষুধ প্রয়োগ করে অচেতন করে তাঁদের হাত-পা বেঁধে ফেলে।
৩৬ মিনিট আগে