
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর দনিয়া এলাকার একটি বাসায় শাহিদা বেগম (৬৮) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বাসা থেকে স্বর্ণালংকার ও টাকা খোয়া গেছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবার।
গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে খবর পেয়ে দনিয়ার রসুলপুরে একটি বাসার সাততলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে যাত্রাবাড়ী থানা-পুলিশ। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।
যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, নিহত শাহিদা বেগম ছেলের বউ শারমিন আক্তারকে নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন। ছেলে বিল্লাল হোসেন মালয়েশিয়াপ্রবাসী। শারমিন একটি ডেন্টাল ক্লিনিকে চাকরি করতেন। শনিবার রাত শারমিন কাজ থেকে বাসায় ফিরে দেখতে পান, বাসার সবকিছু এলোমেলো এবং তাঁর শাশুড়ির রক্তাক্ত দেহ পড়ে আছে। এরপর থানায় বিষয়টি জানান তিনি।
এসআই আরও জানান, নিহত শাহিদার গলার বামপাশে একটি ধারালো অস্ত্রের আঘাত আছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা বাসায় ঢুকে মূল্যবান জিনিস, টাকাপয়সা নেওয়ার চেষ্টা করে। ওই নারী দেখে ফেলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর গলার বামপাশে আঘাত করে। তাঁর গলার চেইন, কানের দুল ও পাঁচ হাজার টাকা খোয়া গেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এসআই জানান, এ ছাড়া অন্য কোনো কারণ আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আশপাশে সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত নারীর বাড়ি কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া থানার শীদলাই গ্রামে। স্বামীর নাম মৃত শফিকুল ইসলাম সরকার।

এনবিআরের কাস্টমস বিভাগের সহকারী কমিশনার জাহাঙ্গীর কবির ও মবিন উল ইসলাম, সাবেক সহকারী কমিশনার মো. জয়নাল আবেদীন, রাজস্ব কর্মকর্তা জমির হোসেন, রাজস্ব কর্মকর্তা এ এইচ এম নজরুল ইসলাম, আমির হোসেন সরকার, গৌরাঙ্গ চন্দ্র চৌধুরী, ফরিদ উদ্দিন সরকার ও মো. মঞ্জুরুল হক, সাবেক রাজস্ব কর্মকর্তা...
১৯ মিনিট আগে
কয়েক দিনের ভারী বর্ষণে ফেনী নদীর পানি বেড়েছে। এতে খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার কয়েকটি এলাকার বসতবাড়ি, ফসল ও মৎস্য খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্গত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এসেছে রামগড় ব্যাটালিয়ন (৪৩ বিজিবি)।
২৫ মিনিট আগে
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় একটি মাইক্রোবাস থেকে গলদা চিংড়ির রেণু জব্দ করেছে মৎস্য অধিদপ্তর। পরে রেণুগুলো মধুমতী নদীতে অবমুক্ত করা হয়। এ সময় মাইক্রোবাসে থাকা শ্রমিককে এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।
২৯ মিনিট আগে
হবিগঞ্জে বন্যার পানি কমতে শুরু করায় আশ্রয়কেন্দ্র ও প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে মানুষ নিজ ঘরে ফিরছে। তবে কাদা, ভাঙাচোরা ঘরবাড়ি ও ক্ষয়ক্ষতিতে দুর্ভোগ কমেনি। খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত ৩৫ গ্রামের অন্তত ৫০ হাজার মানুষের মধ্যে রানু বেগম ও সেলিনা বেগমের মতো অনেকেই ঘর হারিয়ে সহায়তা চাইছেন।
৩২ মিনিট আগে