Ajker Patrika

ফিলিং স্টেশনে তেলের মজুত বাড়েনি, ভিড় আগের মতোই

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
ফিলিং স্টেশনে তেলের মজুত বাড়েনি, ভিড় আগের মতোই
ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নিতে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের দীর্ঘ সারি। আজ সোমবার রাজধানীর বিজয় সরণি এলাকায়। ছবি: আজকের পত্রিকা

সরকার জ্বালানি তেল সরবরাহব্যবস্থার ওপর বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথা জানালেও বাস্তবে ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের মজুত বাড়েনি। প্রায় ১০ দিন ধরে রেশনিং পদ্ধতি চালুর কারণে অনেক যানবাহন চাহিদামতো তেল সংগ্রহ করতে পারেনি। ফলে আজ সোমবার বিকেলেও ঢাকার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে গণপরিবহন ও ব্যক্তিগত গাড়িগুলোকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় থাকতে দেখা গেছে।

আজ দুপুরে ঢাকার ক্লিন ফুয়েল এজেন্সির একজন বিক্রয়কর্মী বলেন, ‘পর্যাপ্ত তেল মজুত না থাকার কারণে পাম্পের সবগুলো বুথ চালু করিনি। ডিপো থেকে এখনো পর্যাপ্ত তেল দেওয়া হচ্ছে না। সকালে তিন গাড়ি তেল আসছে, যা রাত ৮টার মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। বিকেলে আবার তেলের জন্য ডিপোতে গাড়ি পাঠালে তারা আর তেল দিতে সম্মত হয়নি। হেড অফিসে যোগাযোগ করতে বলেছে। আবার হেড অফিস থেকে বলা হচ্ছে, গত বছর মার্চের এই দিনে যতটুকু তেল নিয়েছিলাম, আজকেও ততটুকু তেল দেবে। কিন্তু নানান কারণে আমার পাম্পের সামনে ভিড় তো কমছে না। আপনি নিজেও দেখতে পাচ্ছেন।’

পদ্মা অয়েলের ডিলার ক্লিন ফুয়েল। সেখানকার ব্যবস্থাপক সরওয়ার আলমের সঙ্গে যখন কথা হচ্ছিল, তখন তাঁর পাম্পের সামনে কয়েক শ প্রাইভেট কার, মিনিবাস, পিকআপ ও মোটরসাইকেল অপেক্ষমাণ ছিল।

ঢাকার মহাখালীতে ময়মনসিংহগামী অরিন ট্রাভেলস ও ইমাম পরিবহনের চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঢাকায় ভিড়ের কারণে তাঁরা ময়মনসিংহ থেকেই তেল সংগ্রহ করেছেন। তবে সেখানেও এক ঘণ্টার বেশি সময় অপেক্ষায় থাকতে হয়েছিল।

ইমাম পরিবহনের চালক হুমায়ুন কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রেশনিং যখন চলছিল, তখন চার-পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষায় থেকে তেল সংগ্রহ করেছি মাত্র দুই হাজার টাকার। এখন গতকাল রাতে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করে ১০ হাজার টাকার তেল সংগ্রহ করেছি। পরিস্থিতি আগের চেয়ে উন্নত হলেও সংকট পুরোপুরি কাটেনি।’

মহাখালী রয়েল ফিলিং স্টেশনের একজন বিক্রয়কর্মী জানান, তাঁদের পাম্পে সাড়ে পাঁচ হাজার লিটার ডিজেল ও সাড়ে পাঁচ হাজার লিটার অকটেন দেওয়া হয়েছিল গতকাল রাতে। সকাল ৯টার মধ্যে তা শেষ হয়ে গেছে। ফলে দুপুর পর্যন্ত তাঁরা অলস বসে আছেন। ডিপো থেকে তেল সংগ্রহে গাড়ি গেলেও নিশ্চিত কোনো খবর আসেনি।

এদিন বেলা আড়াইটার দিকে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা যায় ঢাকার বিজয় সরণিতে ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে। সেখানে অপেক্ষমাণ গাড়ির সারি জাহাঙ্গীর গেট পর্যন্ত চলে গেছে। একজন প্রাইভেট কারচালক জানান, বেলা ১১টার দিকে লাইনে দাঁড়িয়ে বেলা আড়াইটার দিকে তিনি পাম্পের কাছাকাছি পৌঁছেছেন।

সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে সরকারি বিপণন কোম্পানি মেঘনা পেট্রোলিয়াম ও পদ্মা অয়েলের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কেউ ফোন ধরেননি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রকাশ্যে গুলি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে হত্যা, আটক ১

এনসিপি নেতারা গণভোট নিয়ে অর্ধেক বুঝেছেন: আইনমন্ত্রী

ইসরায়েলে শব্দের ১২ গুণ গতির ‘ড্যান্সিং মিসাইল’ নিক্ষেপ ইরানের, বৈশিষ্ট্য কী

র‍্যাবের নতুন ডিজি আহসান হাবীব, এসবি প্রধান নুরুল আমিন, সিআইডি প্রধান মোসলেহ উদ্দিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত