
ফয়জুল্লাহ রিয়াদ
ফয়জুল্লাহ রিয়াদ
সকল লেখা

স্থিতিশীল দেশ গড়তে আদর্শ শাসকের ৬ করণীয়
মানুষের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক স্বস্তি এবং অধিকার নিশ্চিত হওয়ার মধ্যেই একটি দেশের প্রকৃত স্থিতি নিহিত। শাসকের হাতে রাষ্ট্রের ক্ষমতা যেমন আমানত, তেমনি জনগণের অধিকার নিশ্চিত করাও তার দায়িত্ব। শাসনব্যবস্থাকে ন্যায়বিচার ও আমানত হিসেবে বিবেচনা করেছে ইসলাম। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ

আপন খালুর সঙ্গে নিজের মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার বিধান কী
ইসলামে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে বংশীয় পবিত্রতা এবং আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষার স্বার্থে সুনির্দিষ্ট বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। কোরআন-হাদিসে স্থায়ী ও সাময়িক নিষিদ্ধ নারীদের (মাহরাম) যে তালিকা দেওয়া হয়েছে, তার আলোকে ফিকহের ইমামগণ প্রতিটি সূক্ষ্ম বিষয়ের সমাধান প্রদান করেছেন।

যাঁর আগমন ছিল সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত
মানবসভ্যতার ইতিহাসে এমন অনেক মনীষীর আবির্ভাব ঘটেছে, যাঁরা কোনো জাতি, অঞ্চল, সম্প্রদায় কিংবা বিশেষ কাজের কল্যাণে স্মরণীয় হয়ে আছেন। কিন্তু মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমন ছিল সমগ্র পৃথিবীর মানুষের জন্য আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ। তাঁর নবুওয়াত কোনো ভূখণ্ডের সীমারেখায় আবদ্ধ ছিল না। তাঁর দয়া ও কল্যাণ বিশ্ব

শান্তি প্রতিষ্ঠায় নবী (সা.)-এর যুগান্তকারী ৪ উদ্যোগ
মাত্র ১৫ বছর বয়সে ‘হারবুল ফুজ্জার’ বা অন্যায় যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে তিনি ব্যথিত হন। সংঘাত বন্ধ, দুর্বল ও এতিমদের সাহায্য এবং দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মক্কার যুবকদের সংগঠিত করে গড়ে তোলেন ইতিহাসের প্রথম শান্তি সংঘ...

দুনিয়ার মোহ ও মুমিনের জীবনভাবনা
মানুষের জীবন একটি স্বল্পকালীন যাত্রা। পথের দুই ধারে কত রং, প্রলোভন আর আকর্ষণ; ধনদৌলতের ঝলক, খ্যাতির হাতছানি, ক্ষমতার নেশা কিংবা আরাম-আয়েশের চাহিদা। এসব বৈধ নিয়ামত উপভোগ করা যাবে না, ইসলাম এমন কথা বলে না। ইসলাম বরং দুনিয়াকে আল্লাহর দেওয়া অনুগ্রহ হিসেবে গ্রহণ করতে শেখায়।

ইবাদতে স্বাদ পাওয়ার ৪ উপায়
ইবাদত বান্দা ও তার রবের মধ্যে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যম। রাসুল (সা.) ইবাদতে এমন স্বাদ পেতেন যে তিনি বলতেন, ‘নামাজে আমার চোখের শীতলতা রাখা হয়েছে।’ (সহিহুল জামে: ৩০৯৮)। প্রত্যেক মুমিনের চেষ্টা হওয়া উচিত ইবাদতের সেই মধুরতা অর্জন করা। এ ক্ষেত্রে নিচের চারটি বিষয় বিশেষভাবে সহায়ক হতে পারে।

ইতিহাসের প্রথম জুমা কোথায় ও কীভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছিল
জুমাবার একটি মর্যাদাপূর্ণ দিন। এটি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব, ইমানি চেতনা ও সামাজিক সংহতির প্রতীক। বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমান মসজিদে সমবেত হয়ে এ দিন আল্লাহর ইবাদত করেন। কিন্তু এই ইবাদতের সূচনা কীভাবে হয়েছিল? এ প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে নবুওয়াতের শুরুর যুগে।

দরুদ পড়লে যেভাবে দূর হয় দুশ্চিন্তা
আল্লাহর অসংখ্য নিয়ামতের মধ্যে অন্যতম একটি হলো, তিনি মুসলিম উম্মাহকে তাঁর প্রিয় হাবিব হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর দরুদ ও সালাম পাঠের মহান আমল দান করেছেন। এ আমল রাসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ নবীর প্রতি অনুগ্রহ বর্ষণ করেন এবং ফেরেশতাগণ

মেসওয়াক কেন করবেন, ফজিলত ও উপকারিতা কী
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। ইবাদত-বন্দেগির পাশাপাশি দৈনন্দিন পরিচ্ছন্নতা ও সুস্বাস্থ্যের প্রতিও ইসলাম বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। মেসওয়াক তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এটি দাঁত পরিষ্কারের প্রাকৃতিক উপায়ের পাশাপাশি মহানবী (সা.)-এর গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নাহ।

স্বপ্নে বিভিন্ন প্রাণীর ডাক শোনার ব্যাখ্যা কী, ইসলাম কী বলে
ঘুমের মধ্যে বিভিন্ন প্রাণীর ডাক শোনা বা তাদের আওয়াজ শুনে ঘুম ভেঙে যাওয়া অনেকের কাছেই পরিচিত অভিজ্ঞতা। কেউ স্বপ্নে কুকুরের ঘেউ ঘেউ শোনেন, কেউ সিংহের গর্জন, আবার কেউ মোরগ, গাধা কিংবা পাখির ডাক শুনে চিন্তিত হয়ে পড়েন। এসব স্বপ্ন কি বিশেষ কোনো অর্থ বহন করে?

স্বপ্নে অশ্লীল কিছু দেখলে কি পাপ হয়
ঘুমন্ত অবস্থায় চিন্তা ও কল্পনার ওপর মানুষের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে না। সে ইচ্ছা করলেও কোনো নির্দিষ্ট স্বপ্ন দেখতে পারে না, আবার অপছন্দের স্বপ্নও ঠেকাতে পারে না। এ কারণেই ইসলাম স্বপ্নকে মানুষের ইচ্ছাকৃত কর্মের অন্তর্ভুক্ত করেনি।

বৃষ্টির সময় রাসুল (সা.) যে ৪ আমল করতেন
আকাশে মেঘ জমে বৃষ্টি বর্ষিত হওয়া আল্লাহ তাআলার অসীম রহমতের অপূর্ব নিদর্শন। বৃষ্টি যেমন মৃত জমিনকে জীবিত করে তোলে, তেমনি মানুষের অন্তরেও এনে দেয় প্রশান্তি ও সজীবতা। বৃষ্টির সময় নবীজি (সা.) বিশেষ কিছু আমল ও কাজ করতেন, যা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত ও শিক্ষণীয় আদর্শ।

স্বপ্নে দুধ দেখা যে সুসংবাদের ইঙ্গিত
ঘুমের ঘোরে মানুষ নানা রকম স্বপ্ন দেখে, যার বেশির ভাগেই গভীর অর্থ বা ইঙ্গিত থাকে। ইসলামি স্বপ্নতত্ত্বে দুধকে সাধারণত পবিত্রতা, ফিতরাত (স্বাভাবিক মানবপ্রকৃতি), হালাল জীবিকা, ইলম (জ্ঞান) ও কল্যাণের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

স্বপ্নে সালাম ও মুসাফাহা করতে দেখা কিসের ইঙ্গিত
স্বপ্ন মানুষের জীবনের এক রহস্যময় অধ্যায়। কখনো তা আনন্দের, কখনো ভয়ের, আবার কখনো গভীর চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ইসলাম স্বপ্নকে সম্পূর্ণ অস্বীকারও করে না, আবার জীবনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভিত্তিও বানায় না। তবে কিছু স্বপ্নের সম্ভাব্য ব্যাখ্যা প্রাচীন মুসলিম মনীষীরা তাঁদের অভিজ্ঞতার আলোকে লিপিবদ্ধ করেছেন।

স্বপ্নে জিন-ভূত দেখলে কী হয়, ইসলাম কী বলে
কোরআন ও হাদিসে জিন ও শয়তানের অস্তিত্ব সন্দেহাতীতভাবে স্বীকৃত। তবে স্বপ্নে তাদের দেখা মানেই বাস্তবে এর প্রভাব পড়েছে—এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। প্রাচীন মুসলিম স্বপ্ন-ব্যাখ্যাকারীরা বিভিন্ন পরিস্থিতি অনুযায়ী স্বপ্নে জিন-শয়তান দেখার সম্ভাব্য ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা তুলে ধরেছেন।

স্বপ্নে মৃত্যু দেখা কিসের ইঙ্গিত
স্বপ্নে মৃত্যু দেখলে অধিকাংশ মানুষ ভয় পেয়ে যান। অনেকেই মনে করেন, এমন স্বপ্ন হয়তো নিজের বা প্রিয়জনের মৃত্যুর পূর্বাভাস। কিন্তু ইসলামি স্বপ্নতত্ত্বে বিষয়টি এতটা সরল নয়। শরিয়তে এমন কোনো নির্দেশনা নেই যে, স্বপ্নে মৃত্যু দেখলেই বাস্তবে মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী। ব
