
নবীজি (সা.)-এর প্রতিটি পদক্ষেপই ছিল বিশ্বশান্তি ও সংঘাত নিরসনের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা। ঐতিহাসিক চার ধাপে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁর যুগান্তকারী অবদান নিচে
১. হিলফুল ফুজুল গঠন: মাত্র ১৫ বছর বয়সে ‘হারবুল ফুজ্জার’ বা অন্যায় যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে তিনি ব্যথিত হন। সংঘাত বন্ধ, দুর্বল ও এতিমদের সাহায্য এবং দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠায় মক্কার যুবকদের সংগঠিত করে গড়ে তোলেন ইতিহাসের প্রথম শান্তি সংঘ ‘হিলফুল ফুজুল’, যা প্রায় ৫০ বছর ধরে সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখে।
২. ঐতিহাসিক মদিনা সনদ: মদিনায় হিজরতের পর মুসলিম, অমুসলিম ও বিবদমান আউস-খাজরাজ গোত্রের মধ্যে ঐক্য গড়তে ৪৭ ধারার একটি সনদ প্রণয়ন করেন। এটি পৃথিবীর প্রথম লিখিত সংবিধান, যা ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সকল নাগরিকের সমান অধিকার সুনিশ্চিত করে।
৩. হুদাইবিয়ার সন্ধি: ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে আপাতদৃষ্টিতে একপেশে মনে হলেও কেবল শান্তি প্রতিষ্ঠার স্বার্থে কুরাইশদের সঙ্গে ১০ বছরের যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর করেন। পবিত্র কোরআন এই দূরদর্শী সিদ্ধান্তকে ‘প্রকাশ্য বিজয়’ বলে ঘোষণা করে, যা পরে মক্কা বিজয়ের দ্বার উন্মুক্ত করে দেয়।
৪. ক্ষমার নজির—মক্কা বিজয়: রক্তপাতহীন মক্কা বিজয়ের পর দীর্ঘদিনের নির্যাতনকারী শত্রুদের কোনো প্রতিশোধ না নিয়ে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন। এই নজিরবিহীন মহানুভবতা প্রমাণ করে তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল ক্ষমা ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠা।
মহানবী (সা.) ছিলেন এক অতুলনীয় রাষ্ট্রনায়ক ও শান্তির প্রতীক। বর্তমান সংঘাতময় বিশ্বে শান্তি ও সম্প্রীতি ফেরাতে তাঁর দেখানো পথই অন্যতম সমাধান।

দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি পদে, প্রতিটি নিশ্বাসে মানুষ মহান আল্লাহর করুণা ও সাহায্যের মুখাপেক্ষী। রবের সাহায্য ছাড়া মানুষের কোনো প্রচেষ্টা বা প্রার্থনাই পূর্ণতা পায় না। আর আল্লাহর অফুরন্ত রহমত ও অনুকম্পা লাভের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো ‘দোয়া’।
৬ ঘণ্টা আগে
মুমিনের দৈনন্দিন প্রতিটি বৈধ কর্ম, যদি তা সঠিক নিয়তে এবং শরিয়তের সীমারেখা মেনে সম্পাদন করা হয়, তবে তা-ই ইবাদতে পরিণত হয়। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘বলুন, আমার নামাজ, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মৃত্যু—সবই বিশ্বজগতের প্রতিপালক আল্লাহর জন্য।’ (সুরা আনআম: ১৬২)। জীবনের সবকিছুই যখন আল্লাহর জন্য....
১০ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১৫ ঘণ্টা আগে
জুমার নামাজ ইসলামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। ‘জুমুআহ’ শব্দের অর্থ একত্র হওয়া বা সমবেত হওয়া। সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন শুক্রবারে প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানরা মসজিদে একত্র হয়ে জামাতের সঙ্গে জোহরের নামাজের পরিবর্তে যে নামাজ আদায় করেন, সেটিই জুমার নামাজ। এর গুরুত্ব এত বেশি যে, পবিত্র কোরআনে ‘জুমুআহ’...
১ দিন আগে