
নাঈমুল হাসান তানযীম
নাঈমুল হাসান তানযীম
সকল লেখা

রাসুল (সা.)—যাঁর হাসিতে ফুটত জান্নাতের আলো
দন্তরাজি মুক্তার মতো উজ্জ্বল, কথা বলার সময় জ্বলজ্বল করত। গায়ের রং দুধে-আলতা। নাসিকা ছিল ইগল চঞ্চুর মতো। ভরাট চোয়াল, উচ্চ গ্রীবা, নিবিড় ঘন শ্মশ্রু। তিনি ছিলেন নাতিদীর্ঘ, নাতি খর্ব—মধ্যম আকৃতির মানুষ। শরীর যেমন স্থূল ছিল না, তেমনি কৃশও ছিল না। তাঁর অঙ্গসৌষ্ঠব ছিল অপরূপ।

সমুদ্র ও নৌশিল্পে মুসলমানদের গৌরবময় ইতিহাস
মুসলমানরা তাদের সর্বপ্রথম ‘দারুস সানাআ’ প্রতিষ্ঠা করে হিজরি প্রথম শতাব্দীতে মিসরের ফুসতাত নামক স্থানে। আহমদ ইবনে তুলুন এই কারখানার উন্নতি বিধানে প্রাণান্ত চেষ্টা করেন। আখশেদি বংশের শাসকেরাও এর সবিশেষ উন্নতি সাধন করে। ফাতিমি শাসকেরা এটি ফুসতাত থেকে মাকাসে স্থানান্তর করে আরও শ্রীবৃদ্ধি ও বিস্তৃতি...

শান্তি ও ন্যায়ের আলোকবর্তিকা মহানবী (সা.)
ইসলামের সত্য বাণী দ্রুতই পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। সত্যান্বেষী মানুষেরা দলে দলে আশ্রয় নিতে থাকে ইসলামের পতাকাতলে। অন্ধকার বিদূরিত হয়ে জ্বলে ওঠে সত্যের আলো। সমাজ থেকে দূর হয়ে যায় যাবতীয় পাপ, অন্যায় আর অসাধুতা। রাসুলের সংস্পর্শ লাভে একসময়ের পাষণ্ড, নির্দয় মানুষগুলোও পরিণত হয় সোনার মানুষে।

যেভাবে সমাজে বৈষম্যহীন বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করেন রাসুল (সা.)
ইসলামের বিচারব্যবস্থায় বৈষম্যের কোনো স্থান নেই। বিচারের রায় কার্যকরে বিশ্বনবী (সা.) আপনজন-ভিন্নজন, স্বজাতি-বিজাতি এবং দেশি-বিদেশি কারও মাঝেই কোনো ধরনের ভেদাভেদকে প্রশ্রয় দিতেন না। মক্কা বিজয়ের সময় আরবের সবচেয়ে কুলীন বংশ কুরাইশ গোত্রের এক মহিলা চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত হন।

মজলুমের পাশে দাঁড়ানোর দায়বদ্ধতা
পৃথিবীর বিভিন্ন ভূখণ্ডে আজ মুসলিম উম্মাহ নির্যাতিত, নিপীড়িত। বিশেষ করে ফিলিস্তিনের মুসলমানেরা। একজন মুসলমান হিসেবে কথা ছিল তাদের পাশে দাঁড়ানো, সার্বিকভাবে সহযোগিতার হাত বাড়ানো এবং জালেম শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার। কিন্তু মুসলিম উম্মাহর নির্লিপ্ততা আর নীরব দর্শকের ভূমিকা দেখে মনে হয়...

খোদাভীতি—দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতার সোপান
‘হে ইমানদারগণ, আল্লাহকে ভয় করো। তাঁর নৈকট্য অর্জনের জন্য রাস্তা তালাশ করো এবং তাঁর রাস্তায় মেহনত করো। যাতে এসব কিছুর ফলে তোমাদের সফলতা অর্জিত হয় দুনিয়াতেও, আখিরাতেও।’ (সুরা মায়িদা: ৩৫)

মুখের ভয়াবহ ৪ গুনাহ
মুখ দ্বারা আমরা প্রতিনিয়তই মারাত্মক সব গুনাহ করি—যেগুলো কিছুতেই করা উচিত নয়। মুখের গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে পারলে জান্নাত সুনিশ্চিত। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে আমাকে তার দুই চোয়ালের মাঝের অঙ্গ অর্থাৎ জবান এবং দুই পায়ের মাঝের...

সৎ সঙ্গ: ইমানের পরিপূর্ণতার সোপান
সুসান্নিধ্য এবং সৎ সাহচর্যের প্রভাব অনেক। এর মাধ্যমে সহজেই মানুষের ভেতর পরিবর্তন আসে। সুসান্নিধ্য গ্রহণ তাই অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এর গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘হে ইমানদারগণ, তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সত্যবাদীদের সঙ্গে থাকো’ (সুরা তাওবা: ১১৯)

নৌশিল্পে মুসলমানদের হারিয়ে যাওয়া উৎকর্ষ
জাহাজ নির্মাণ শিল্পে আরব মুসলিমরা পূর্ণ পারদর্শিতা অর্জন করেছিল। জাহাজ নির্মাণ কারখানাকে তারা ‘দারুস সানাআ’ বলত। আরবদের বদৌলতেই আজ বিশ্ববাসী নৌশিল্পে এত উৎকর্ষ সাধন করতে সক্ষম হয়েছে। আধুনিক রণপোত শিল্প আরবরাই পত্তন করেছিল। ইউরোপের অধিবাসীরা স্পেন, সিসিলি এবং আফ্রিকায় আরবদের কাছ থেকে এই বিদ্যা...

কালের সাক্ষী শংকরপাশা মসজিদ
বাংলাদেশের নানা প্রান্তে এখনো অনেক প্রাচীন স্থাপনা সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে—সেসবের মধ্যে মসজিদের সংখ্যাই বেশি। দুর্ভাগ্য এবং হতাশার কথা হলো, সেসব মসজিদের ইতিহাস আমরা অধিকাংশই জানি না। জানার মতো তেমন আর্কাইভ কিংবা তথ্যসমৃদ্ধ পুস্তকাদিও দুর্লভ।

মানুষকে কষ্ট দিলে পরকালে যে শাস্তি পেতে হবে
একজন প্রকৃত মুসলমানের পরিচয় তার আচার-আচরণে প্রকাশ পায়। মুসলমানের অন্যতম গুণ হচ্ছে—সে হবে শান্তিপ্রিয়, অপরের হিতকামী। কখনও তার হাত মুখ দ্বারা কেউ কষ্ট পাবে না। বরং নিরুপদ্রবে জীবনযাপন করবে।

যে পাঁচ বিষয় আল্লাহকে রাগান্বিত করে
গোটা পৃথিবীটাই এখন হাতের মুঠোয়। হজ ব্যবস্থাপনায়ও প্রযুক্তি আর উদ্ভাবনীর সন্নিবেশ ঘটেছে। হজের নিবন্ধন, তাঁবু বরাদ্দ, হোটেল ভাড়া ও অন্যান্য সার্ভিস কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি, ভিসা প্রক্রিয়াকরণ প্রভৃতিই সম্পন্ন হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে।

ইমানি শক্তি বাড়ে যে ৩ আমলে
প্রত্যেক মুসলমানের জন্যই ইমানের অতি আবশ্যকীয় বিষয়গুলোর প্রতি ইমান আনা জরুরি। তবে মুমিন বান্দার ইমানের অবস্থা সব সময় সমান থাকে না। কখনো বাড়ে। কখনো কমে। তাই আমাদের উচিত, কীভাবে নিজের ইমান মজবুত ও তাজা রাখা যায়, সেই চেষ্টা অব্যাহত রাখা। এখানে ইমানি শক্তি বৃদ্ধির তিনটি আমলের কথা তুলে ধরা হলো..

ফজিলতপূর্ণ ৪ নফল নামাজ
পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কিছু নফল নামাজ রয়েছে। কোরআন-হাদিসে সেসব নামাজের ব্যাপারে অনেক ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। তাহাজ্জুদ, ইশরাক, চাশত ও আওয়াবিন সেসব নফল নামাজের মধ্যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
