একজন প্রকৃত মুসলমানের পরিচয় তার আচার-আচরণে প্রকাশ পায়। মুসলমানের অন্যতম গুণ হচ্ছে—সে হবে শান্তিপ্রিয়, অপরের হিতকামী। কখনও তার হাত মুখ দ্বারা কেউ কষ্ট পাবে না। বরং নিরুপদ্রবে জীবনযাপন করবে।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘প্রকৃত মুসলমান সে-ই, যার হাত ও মুখ থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদে থাকে। আর প্রকৃত মুহাজির (দ্বীন বাঁচানোর উদ্দেশ্যে স্বদেশ ত্যাগকারী) সেই ব্যক্তি, যে আল্লাহর নিষিদ্ধ কর্মসমূহ ত্যাগ করে। (সহিহ্ বুখারি: ৬৪৮৪)
আর যারা অন্যের কষ্টের কারণ হয়, শুধু শুধু অকারণে যারা মানুষকে কষ্ট দেয়—তাদের ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যারা বিনা অপরাধে বিশ্বাসী পুরুষ ও নারীদের কষ্ট দেয়—তারা অবশ্যই মিথ্যা অপবাদ এবং স্পষ্ট অপরাধের বোঝা বহন করে।’ (সুরা আহজাব: ৫৮)
কারও ক্ষতি করার মাধ্যমে তাকে কষ্ট দেওয়া জঘন্য অপরাধ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘কারো জন্য অপরের কোনো প্রকার ক্ষতি করা বৈধ নয়। কোনো দুজনের জন্য প্রতিশোধমূলক পরস্পরকে ক্ষতিগ্রস্ত করাও বৈধ নয়। (মুসনাদে আহমাদ: ২৮৬৫)
মানুষকে কষ্ট দেওয়ার শাস্তি কেমন হবে—তা বলে দিয়েছেন রাসুল (সা.)। খালেদ বিন ওয়ালিদ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি দুনিয়াতে মানুষকে সবচেয়ে বেশি শাস্তি বা কষ্ট দেয়, কিয়ামতের দিন সে সবচেয়ে বেশি শাস্তি ভোগ করবে। (শুআবুল ইমান, বাইহাকি: ৫৩৫৬)
মানুষকে কষ্ট দেওয়ার শাস্তি কেমন হবে—তা বলে দিয়েছেন রাসুল (সা.)। খালেদ বিন ওয়ালিদ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি দুনিয়াতে মানুষকে সবচেয়ে বেশি শাস্তি বা কষ্ট দেয়, কিয়ামতের দিন সে সবচেয়ে বেশি শাস্তি ভোগ করবে। (শুআবুল ইমান, বাইহাকি: ৫৩৫৬)
তাই একজন মুসলমান হিসেবে আমাদের কর্তব্য হলো, অপরের কষ্টের কারণ হওয়া থেকে নিজেকে সংযত রাখা। বিশেষ করে যদি আমরা হাত ও মুখকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি, তাহলে তা আমাদের জন্য অধিক সহজতর হবে। কারণ, এই দুই অঙ্গের মাধ্যমেই মানুষ অন্যকে বেশি কষ্ট দিয়ে থাকে।

হানাফি মাজহাব অনুযায়ী এক সালামে দুই বৈঠকে তিন রাকাত বিতরের নামাজ পড়া ওয়াজিব। তবে অন্য মাজহাবে এক রাকাত বিতর পড়ারও অবকাশ রয়েছে। হানাফি মাজহাব মেনে চলা ব্যক্তির জন্য তিন রাকাত বিতরের নামাজ পড়তে হবে। যেসব মাজহাবে এক রাকাত বিতর আদায় করা হয়, এমন কোনো মাজহাবের ইমামের পেছনে হানাফি মাজহাব মেনে চলা...
১৬ ঘণ্টা আগে
প্রতিদিনই জীবিকা, শিক্ষা কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনে আমাদের ঘর থেকে বের হতে হয়। কিন্তু বাইরের এ সময়টুকুতে আমরা কতটুকু নিরাপদ? দুর্ঘটনা, অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ; কিংবা শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে বাঁচতে একজন মুমিনের প্রধান হাতিয়ার হলো আল্লাহর ওপর ভরসা বা তাওয়াক্কুল।
১৮ ঘণ্টা আগে
একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।
১ দিন আগে
একজন সচেতন অভিভাবক হিসেবে সন্তানের শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি আত্মিক সুরক্ষার জন্য মহান আল্লাহর ওপর ভরসা করা একান্ত প্রয়োজন। নবী করিম (সা.) আমাদের এমন কিছু শক্তিশালী দোয়া শিখিয়েছেন, যা নিয়মিত পাঠ করলে মহান আল্লাহ সন্তানকে যাবতীয় রোগবালাই, মহামারি এবং আকস্মিক বিপদ থেকে নিরাপদ রাখেন।
১ দিন আগে