আমরা যে স্থায়ী গণমাধ্যম কমিশনের কথা বলেছি, সেই ধারণাটি এসেছে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল থেকে। সংবাদপত্রের নিয়মনীতি-নৈতিকতার মান থাকে, তারা যাতে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করে, আবার যাতে তাদের স্বাধীনতাটাও সংরক্ষিত হয়। কারও হস্তক্ষেপ, বিশেষ করে সরকারের হস্তক্ষেপ, সেগুলো যাতে স্বাধীন সাংবাদিকতাকে বাধাগ্রস্ত না করে। সেটি দেখভাল করার কর্তৃত্ব বা তদারকি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল আছে।
যখন থেকে টেলিভিশন বেসরকারি খাতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার, তখনই তারা বলেছিল, একটা সম্প্রচার কমিশনের কথা। আমরা বললাম প্রেস কাউন্সিল এবং এই সম্প্রচার কমিশন—এ দুটোর ভূমিকা এক জায়গায় করে একটা নতুন কমিশন করা হোক। এবং সেই প্রতিষ্ঠানটা হবে স্থায়ী গণমাধ্যম কমিশন। যেখানেই গেছি, সব জায়গা থেকেই প্রেস কাউন্সিলের কর্মক্ষমতা, এটার দক্ষতা, এটার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠান চলছে না, এটা দিয়ে লাভ হচ্ছে না আমাদের, এটা একটা ব্যর্থ প্রতিষ্ঠান। যে প্রতিষ্ঠান ব্যর্থ, সেই প্রতিষ্ঠানকে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করার কোনো অর্থ হয় না। সে কারণেই আমরা একটা নতুন প্রতিষ্ঠানের কথা বলেছি যে স্থায়ী গণমাধ্যম কমিশন হোক। সেটা কেমন হবে, তার একটা খসড়া অধ্যাদেশ আমরা তৈরি করে দিয়েছি। সেখানে আমরা বলেছি কীভাবে এই কমিশনের সদস্যরা নির্বাচিত হবেন, এই কমিশন কার কাছে জবাবদিহি করবে এবং এই কমিশনের অর্থ আসবে কোথা থেকে। এখনকার প্রেস কাউন্সিলের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা তারা সরকারের অনুদানের ওপর নির্ভরশীল।
যখনই কারোর অনুদানের ওপর নির্ভরশীল হবেন, তখনই তার একটা প্রভাব, তার একটা নিয়ন্ত্রণ সেই প্রতিষ্ঠানের ওপর পড়বে, থাকবে। এটা থেকে বের হওয়ার কোনো উপায় নেই। এ কারণে আমরা বলেছি, গণমাধ্যমের যে স্বনিয়ন্ত্রণ, সেটার জন্য গণমাধ্যমকেই অর্থায়ন করতে হবে এই গণমাধ্যম কমিশনে। এবং সেটা কীভাবে সম্ভব, সেই ফর্মুলা আমরা দিয়েছি।
তথ্যসূত্র: উদিসা ইসলাম কর্তৃক গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান সিনিয়র সাংবাদিক কামাল আহমেদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ, ২০২৫ সালের ৮ আগস্ট ‘বাংলা ট্রিবিউন’-এর অনলাইন সংস্করণ থেকে সংগৃহীত

১৯৬০-এর দশকে ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র ডমিনিকান প্রজাতন্ত্রে উদ্ভূত হলেও বাচাটা এখন বিশ্বজুড়েই নাচা হয়। বাচাটা মিউজিকের সুর-তালে পরিবেশিত হয় এই সামাজিক যুগল নৃত্যটি। ডমিনিকান বাচাটা নাচতে হলে দ্রুত গতিতে পা সঞ্চালন করতে হয়। আধুনিক বাচাটা পশ্চিমা দেশগুলোতে বেশি জনপ্রিয়—এতে পায়ের কাজের চেয়ে...
১ দিন আগে
বাংলাদেশ গত এক দশকে জেন্ডার-বৈষম্য কমাতে অগ্রগতি করলেও কন্যাশিশুদের অধিকার রক্ষায় বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ সূচকে অবস্থান উন্নত হলেও শিশুবিবাহ, ধর্ষণ ও সহিংসতা বৃদ্ধি উদ্বেগজনক। প্রায় ৫১ শতাংশ মেয়ের ১৮ বছরের আগে বিয়ে হয়, যা তাদের শিক্ষা, দক্ষতা, সক্ষমতা...
৭ দিন আগে
১৯৭০-এর দশকের শেষ আর ১৯৮০-এর দশকের শুরুর দিকে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ অ্যাঙ্গোলায় বিকাশ হয় একটি সামাজিক নৃত্যের, যেটির নাম কিজোম্বা। দেশটির কিমবুন্দু ভাষায় কিজোম্বা শব্দের অর্থ হলো ‘পার্টি’ বা ‘উৎসব’।
৮ দিন আগে
বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলের একটি জনপ্রিয় লোকনৃত্য ঝুমুর নাচ। নাচটি বিশেষভাবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর এবং ঝাড়খন্ড, ওডিশা, আসাম অঞ্চলের চা-জনগোষ্ঠী ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষদের মধ্যে ব্যাপকভাবে প্রচলিত। বাংলাদেশের কিছু সীমান্তবর্তী এলাকায়ও ঝুমুর নাচের প্রভাব দেখা যায়।
৯ দিন আগে