
জাফর আব্বাস বলেন, বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, দুর্নীতির ধারণা সূচক কিংবা সুশাসনের চিত্র নিয়ে যে আলোচনা হচ্ছে, তা পাকিস্তানের বাস্তবতার সঙ্গেও মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

এ কে আজাদ বলেন, অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করতে হলে দীর্ঘ সময় ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের প্রয়োজন হয়। কোনো দুর্নীতির তথ্য প্রকাশের আগে সাংবাদিকদের সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নিতে হয়। আর তখন থেকেই চাপ শুরু হয়। তাঁর ভাষায়, ‘যার বিরুদ্ধে সংবাদ হবে, প্রথম ফোনটাই আসে আমার কাছে—যেন কোনোভাবেই সংবাদটি প্রকাশ না করা হয়।’

বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী মতকে উপেক্ষা করার প্রবণতা গভীরভাবে প্রোথিত বলেও মন্তব্য করেন কামাল আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্রের নামে সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন দেখছি, কিন্তু ভিন্নমতকে যথেষ্ট জায়গা দেওয়া হচ্ছে না।’ এর প্রভাব গণমাধ্যমেও পড়ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

প্যারিসভিত্তিক গণমাধ্যমবিষয়ক বেসরকারি সংস্থা রিপোর্টার্স সানস ফ্রন্টিয়ার্স (আরএসএফ) বা রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার মাত্রা একটি সূচকের মাধ্যমে তুলে ধরে। তাদের এই ‘ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্স’ বা বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচক বলছে, বর্তমানে...