অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে যে গুটিকয়েক ক্ষেত্রে দেশের গণতান্ত্রিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি শক্তিশালী করায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ঘটেছিল, তার মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ও মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ উল্লেখযোগ্য। এসব বিষয় রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দুটি অধ্যাদেশ বাতিল এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের নামে স্থগিতের সুপারিশ করা হয়েছে। এটিই দেশের পেছনে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়। কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে বিস্মিত হইনি। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সংস্কার, পরিবর্তন বা বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে নতুন কিছু শেখার প্রবণতা নেই। যে অধ্যাদেশগুলো তারা বাদ দিয়েছে বা স্থগিত করেছে, সেসব রাষ্ট্র সংস্কার বলতে যা বোঝায় তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে শীর্ষে বিচার বিভাগ।
এখন সরকারের পছন্দ অনুযায়ীই বিচারক নিয়োগ করার সুযোগ রাখা হচ্ছে, যেখানে দলীয় আনুগত্য হবে অন্যতম মানদণ্ড। ইতিমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রশাসক, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য নিয়োগ ইত্যাদি ক্ষেত্রে যেমন হয়েছে। সরকার এখন চাপের মুখে হয়তো বলছে, তারা দেখবে। কিন্তু তারা সুনির্দিষ্টভাবে কিছু জানায়নি।
পর্যালোচনার নামে এই আইনগুলোকে আরও দুর্বল করার সুযোগ নেওয়া হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশের মধ্যে বিধান আছে নিরাপত্তা বাহিনীর যেকোনো সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে পারবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। সেখানে স্বার্থান্বেষী মহল চাইছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ক্ষেত্রে তদন্ত করতে সরকারের পূর্বানুমতির শর্ত। আটকের ক্ষেত্রে বিচারিক অনুমোদনের পরিবর্তে সরকারের অনুমতির বিধান চাইছে। বাছাই কমিটিতে অবসরপ্রাপ্ত আমলা অন্তর্ভুক্ত করতে চায়, যেন কমিশনকে অবসরপ্রাপ্ত আমলাদের আরও একটি পুনর্বাসনস্থলে পরিণত করা যায়।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে তারা মন্ত্রণালয়ের অধীনে আনতে চাইছে। কোনো সংস্থাকে মন্ত্রণালয়ের অধীন করলে সেটি স্বাধীন থাকে না। তা ছাড়া, এটি প্যারিস নীতিমালার সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এত দিন ধরে ‘সি’ গ্রেডে রয়েছে।
তথ্যসূত্র: সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম কর্তৃক
ড. ইফতেখারুজ্জামানের সাক্ষাৎকার গ্রহণ, ৯ এপ্রিল ২০২৬, সমকাল

একসময় ক্যামেরুনের উপকূলীয় অঞ্চলের ডুয়ালা উপজাতি এবং সাওয়া জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী খাবার ছিল এনডোলে। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় খাবারটির চমৎকার স্বাদের কারণে পুরো দেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পায় এবং ক্যামেরুনের জাতীয় খাবারে পরিণত হয়। ডুয়ালা ভাষায় এনডোলে মানে তিতা পাতা।
৩ দিন আগে
শত শত বছর আগে আরবের মরুভূমিতে ঘুরে বেড়ানো বেদুইনদের কাছে আধুনিক উপায়ে খাবার সংরক্ষণের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। তারা যখন শিকার করত বা পশু জবাই করত, তখন এগুলোর মাংস যেন নষ্ট না হয়ে দীর্ঘদিন ভালো থাকে ও সহজে বহন করা যায়, সেজন্য মাটির নিচে মাংস রান্নার এক পদ্ধতি আবিষ্কার করে তারা।
৮ দিন আগে
এস্তোনিয়ায় রাই বা কালো রুটি সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার। সে দেশের নাগরিকেরা প্রতিদিন খাবারের তালিকায় রাখে এটি। এই রুটির নাম লেইব। এটি মূলত কালো রাই আটা, পানি, লবণ ও টক খামির দিয়ে তৈরি হয়। ঘনত্ব বাড়াতে অনেক সময় এতে বীজ বা ওটস মেশানো হয়। খামিরটি দীর্ঘ সময় ধরে, প্রায় ১৮ থেকে ২৪ ঘণ্টা গাঁজানো হয়।
৯ দিন আগে
অনেকে গরম-গরম স্যুপ ও নুডলস খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু উত্তর কোরিয়াবাসীর কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবার ঠান্ডা নুডলস। তাঁদের এই ঠান্ডা নুডলসের নাম পিয়ংইয়ং ন্যাংমাইয়ন। বাকহুইট বা ঢেমশির আটা থেকে তৈরি লম্বা লম্বা সেদ্ধ নুডলস ছেড়ে দেওয়া হয় হালকা স্বাদের ঠান্ডা গরু বা শূকরের মাংসের ঝোল এবং মুলার...
১৬ দিন আগে