অনেকের মতে, প্রাচীন রাজা বা জমিদারের লাঠিয়াল বাহিনীর হাতে কাঠিনাচের সূত্রপাত। পরবর্তীকালে ভূমিজ সম্প্রদায়ের মানুষ এটিকে গ্রহণ করে এবং নিজস্ব রূপ দেয়। এটি মূলত একটি দলগত পরিবেশনা, যেখানে শিল্পীরা হাতে দুটি ছোট কাঠি নিয়ে ছন্দে ছন্দে তালে তাল মিলিয়ে নাচেন। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের কিছু অঞ্চলে এই নৃত্যের প্রচলন দেখা যায়। গুজরাটে প্রচলিত ‘ডান্ডিয়া’ নাচের সঙ্গে কিছুটা সাদৃশ্য লক্ষ করা গেলেও কাঠিনৃত্যের সঙ্গে এর পার্থক্য রয়েছে। সিলেট অঞ্চলের চা-শ্রমিকদের মধ্যে নাচটির প্রচলন দেখা যায়। দোল বা ফাগুয়া উৎসবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে গানের দল এই নৃত্য পরিবেশন করে থাকে। নৃত্যশিল্পীদের মধ্যে একজনকে রাধা ও একজনকে কৃষ্ণ সাজানো হয়। প্রত্যেকের হাতে থাকে একটি করে আবির রাঙানো কাঠি। জোড়ায় জোড়ায় একে অপরের কাঠিতে ঠোকা দিয়ে নৃত্য করেন তাঁরা। মাদল, করতাল, বাঁশি আর কাঠির ধ্বনিতে যেন নেচে ওঠে চা-জনগোষ্ঠীর আদি-আঙিনা। শ্রীকৃষ্ণ ও রাধাকে কেন্দ্র করে গাওয়া গানগুলোর সঙ্গে পরিবেশিত হয় এই লোকনৃত্যটি। গানের মাঝে মাঝে ‘হো হো হোই’ ধ্বনি নৃত্যশিল্পীদের উৎসাহ জোগায়। এটিকে ‘কাঠিনাচের হেস-হেসানি’ বলা হয়।
লেখা ও ছবি: শিশির কুমার নাথ

ভারতবর্ষীয় ১৮৫৭ সালের বিপ্লবের পরে যখন কৃষকেরা অভ্যুত্থানে যোগ দিলেন, তখন তাঁরা যত কালেক্টরেট, যত তহশিল অফিস—ধ্বংস করেন, নথিপত্র পুড়িয়ে দেন। তাঁদের ধারণা, এই নথিপত্রই ছিল শোষণ করার হাতিয়ার। অত্যাচারের হাতিয়ার। কৃষককে তো আপনি বক্তৃতা দিয়ে শেখাবেন না, তাঁরা জিনিসটা কীভাবে দেখেন, সেটাই আমি বলছি।
৫ দিন আগে
প্রাচীনকালে স্লাভিক অঞ্চলের মানুষ একধরনের বুনো উদ্ভিদের ডাঁটা ও পাতা গেঁজিয়ে একটি টক স্যুপ তৈরি করত। প্রাচীন স্লাভিক ভাষায় এই উদ্ভিদকে ‘বোর্শেভিক’ বলা হতো। এটি থেকে পরবর্তীকালে ইউক্রেনের জাতীয় ও অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি স্যুপ ‘বোর্শ’-এর উৎপত্তি হয়। ষোড়শ শতাব্দীর দিকে ইউক্রেনীয়রা রোমানদের...
৬ দিন আগে
আফগানিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও জাতীয় খাবার কাবুলি পোলাওয়ের উৎপত্তি কিন্তু দেশটির রাজধানী কাবুল শহরে হয়নি। ধারণা করা হয়, উত্তর আফগানিস্তান এবং উজবেকিস্তানের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এই খাবারের উৎপত্তি। তবে সৌদি আরবে বসবাসকারী উত্তর আফগান অভিবাসীরা এই পদটিকে ‘বুখারি চাল’ বলে পরিচয় দেয়...
১৩ দিন আগে
গ্লানিটা হলো লিখতে না পারায়। একজন কবি লিখতে পারছেন না, এটাই তাঁর জন্য চরম অসুবিধার। অনেকে জীবিত আছেন, কিন্তু আর লিখতে পারছেন না। এটা গ্লানিকর। দুই নম্বর কথা হলো, আমার মতো যাঁরা দীর্ঘ জীবন পার করে এসেছেন, তাঁদের শারীরিক নানা অসুবিধার সৃষ্টি হয়। যেমন আমার চোখ নেই, অস্পষ্ট দেখি।
১৯ দিন আগে