Ajker Patrika

সাঈদ হায়দার

সম্পাদকীয়
সাঈদ হায়দার

সাঈদ হায়দার স্মৃতিচারণা করেছেন এভাবে: ‘দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলো, সংঘর্ষের তীব্রতা কমল না। প্রতিবাদমুখর ছাত্র-জনতাকে পুলিশ লাঠি চালিয়ে শান্ত করতে পারল না। তারা গুলি চালালো, গুলি চালালো মেডিকেল কলেজের ছাত্রাবাসের সামনের রাস্তায়। জব্বার আর রফিক প্রাণ হারালো। আমাদের ছাত্রাবাসের ভেতর প্রবেশ করে অনেকেই আশ্রয় নেয় হাসপাতালের অঙ্গনে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র বরকত দাঁড়িয়ে ছিল বারো নম্বর ব্যারাকের বারান্দায়। নির্বিচারে আবার গুলি চালায় পুলিশ। একটা গুলি এসে লাগে বরকতের ঊরুতে। আহত বরকতকে দ্রুত অপসারণ করা হয় হাসপাতালে। কিন্তু সব চেষ্টা বৃথা। শল্যবিদদের শত চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো গেল না।

ইতিমধ্যে ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষের ফলে পটপরিবর্তন হয়ে পড়ে। পুলিশি ধরপাকড় আর নির্যাতনের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরিষদের সদস্যরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গন থেকে আন্দোলনের কেন্দ্র তখন মেডিকেল কলেজ ছাত্রাবাসে এসে পড়ল।...বিশ নম্বর ব্যারাকে সংসদের নিজস্ব মাইক লাগানো হলো। কন্ট্রোল রুম স্থাপিত হলো সেখানে।’

ছবি: সংগৃহীত

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত