
বিচারপতিদের অপসারণ–সংক্রান্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় রিভিউ চেয়ে করা আবেদনের শুনানি হবে কাল রোববার। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ছয় বিচারপতির আপিল বেঞ্চে এই বিষয়ে শুনানির জন্য কার্যতালিকায় আবেদনটি ১ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে।
বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে ২০১৪ সালে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়। তবে এর বৈধতা নিয়ে রিট করলে চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৬ সালের ৫ মে হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।
ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। একই বছরের ৩ জুলাই তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের সাত সদস্যের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ সর্বসম্মতিতে আপিলটি খারিজ করে রায় দেন।
২০১৭ সালের ১ আগস্ট আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। পরে একই বছরের ২৪ ডিসেম্বর ওই রায় রিভিউ চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। যা নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
১৯৭২ সালের সংবিধানে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ছিল। ১৯৭৫ সালে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ক্ষমতা দেওয়া হয় রাষ্ট্রপতিকে। ১৯৭৭ সালে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়, যা পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়।
খন্দকার দেলোয়ার হোসেন বনাম ইটালিয়ান মার্বেল ওয়ার্কস মামলায় ২০০৫ সালে হাইকোর্ট সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী বাতিল করেন। ২০১০ সালে আপিল বিভাগ তা বহাল রাখেন। তবে অধিকতর স্বচ্ছতা ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতার রক্ষাকবচ বিবেচনায় সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধান বলবৎ রাখেন আপিল বিভাগ।
২০১১ সালে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধান অপরিবর্তিত রেখে জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়। ২০১৪ সালে ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা আবারও সংসদের হাতে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। এক রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৬ সালে তা অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় পদগুলোয় রদবদলের চার দিন পর আরও ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ পদে পরিবর্তন আনা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সেনাসদর থেকে এ-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। এর আগে গত রোববার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় পদগুলোয় একদফা রদবদল করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৬ ও ৭ এবং গাইবান্ধা–৪ আসনের ফলাফল চ্যালেঞ্জ এবং ভোট পুনরায় গণনার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল এসব আবেদন গ্রহণ করে...
৩ ঘণ্টা আগে
বিদ্যুৎ খাতের পাহাড়সম লোকসান কমাতে এবং গ্রাহকের ওপর বাড়তি চাপ না দিতে বিদ্যুতের দাম নিয়ে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকদের সঙ্গে সমঝোতার চিন্তা করছে সরকার। এ ছাড়া সিস্টেম লস কমিয়ে এনেও কিছুটা স্বস্তি দেওয়া সম্ভব বলে মনে করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
৩ ঘণ্টা আগে
সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্টদের যুক্তরাজ্যে থাকা আরও ৫১৮টি ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই নির্দেশ দেন।
৩ ঘণ্টা আগে