এমন অনেক বিষয় আছে যেগুলো বৈজ্ঞানিক ভাবে ভুল। কিন্তু যুগের পর যুগ মানুষ বিশ্বাস ও চর্চা করে চলেছে বলে সেগুলোই সত্য বলে মনে হয়। খাবার ও রান্নাতেও এমন অনেক পদ্ধতি আছে যেগুলো যুগের পর যুগ ধরে আমরা ভুল জানি। অবাক করা বিষয় হলেও সেগুলোকে কখনোই ভুল বলে মনে হয় না। রান্না ও খাবারের ক্ষেত্রে এমন ৭টি ভুল বিষয় রইল আপনাদের জন্য।
গাজর খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো হয়
এটি আসলে একটি আর্মি প্রোপাগান্ডা। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই মিথ ছড়িয়েছিল ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ার ফোর্স। তারা প্রচার করেছিল, নিয়মিত গাজর খাওয়া তাদের পাইলটদের দৃষ্টিশক্তি উন্নত করেছে। তখন থেকেই বিশ্ব এটি বিশ্বাস করতে শুরু করে। তবে এটা সত্য যে গাজর বিটা ক্যারোটিন নামে এক ধরনের ভিটামিনে সমৃদ্ধ। এটি সামগ্রিক ভাবে চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। তবে এটি কারও রাতকানা রোগ ভালো করে না বা দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে না।
স্টেকের চেয়ে ব্রকলিতে প্রোটিন বেশি থাকে
অনেকেই মনে করেন স্টেক কেন খাব? এর চেয়ে ব্রকলি খেয়েই স্টেকের সমান প্রোটিন পাওয়া সম্ভব। তবে এই ধারণাটি সম্পূর্ণ ভুল। ব্রকলি স্বাস্থ্যকর খাবার। এতে আসলেই প্রোটিন থাকে। তবে তা স্টেকের চেয়ে বেশি নয়। একটি স্টেকের সমান প্রোটিন পেতে অনেকগুলো ব্রকলি খেতে হবে। কেউ যদি উদ্ভিদ ভিত্তিক ডায়েট অনুসরণ করলে প্রোটিনের অভাব দূর করতে প্রচুর পরিমাণে মসুর ডাল ও পালংশাক খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন।
অনেকক্ষণ মেরিনেট করে রাখলে মাংসের স্বাদ বাড়ে
এটিও একটি মিথ। যত বেশি সময় মাংস মেরিনেট করে রাখা হবে, ততই এটি সুস্বাদু হবে। মেরিনেট পদ্ধতি অবশ্যই মাংসের বাহ্যিক অংশে ভেষজ বা ফলের স্বাদ বাড়াতে পারে। তবে যতক্ষণই মেরিনেট করে রাখা হোক না কেন মসলা মাংসের গভীরে প্রবেশ করে না। আর তাই লম্বা সময় ধরে মেরিনেট করে রাখার প্রয়োজনীয়তা কিছুটা কম বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে। কারণ যতক্ষণই মেরিনেট করে রাখা হোক না কেন মাংসের নির্দিষ্ট স্তরের পর মসলা প্রবেশ করবে না। শুধু তাই নয়, মাংসকে অম্লীয় মেরিনেটে খুব বেশিক্ষণ রেখে দেওয়া হলে তা মাংসের পৃষ্ঠের কাছের প্রোটিন বন্ধনগুলোকে দুর্বল করে দেয়।
ঢালাই-লোহার প্যানে দীর্ঘ সময় টমেটো রান্না নয়
টমেটোর মতো অ্যাসিডিক খাদ্য উপাদানগুলোকে কাস্ট-আয়রন প্যানে দীর্ঘ সময় ধরে রান্না করা হলে ধাতব অণু নির্গত হয়। যা গন্ধ তৈরি করে এবং প্যানের মসলাকে ক্ষতিকর করে তোলে। আমেরিকার টেস্ট কিচেন পরিচালিত একটি পরীক্ষায় জানা গেছে, যতক্ষণ অ্যাসিডিক খাবার কাস্ট-আয়রন প্যানে ৩০ মিনিটের কম সময় ধরে রান্না করা হলে এর কোনো খারাপ প্রভাব থাকে না।
দুধ পান হাড় ভাঙা রোধ করে
এটি আসলে মিথ। দুধ ক্যালসিয়ামের দারুণ উৎস, যা হাড়ের জন্য ভালো। তাই এই খাবারটির বিষয়ে বহু মিথ প্রচলিত আছে। তবে স্ট্যানফোর্ড পুষ্টিবিজ্ঞানী ক্রিস্টোফার গার্ডনার জানিয়েছেন, দুধ পান হাড়ের ঘনত্ব উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। কিন্তু এটি হাড় ভেঙে যাওয়া রোধ করে না। এর বদলে নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে হাড় শক্তিশালী করার পরামর্শ দেন তিনি।
রান্না করা সবজির চেয়ে কাঁচা সবজি স্বাস্থ্যকর
এটি আংশিক সত্য। অনেকেই মনে করে, শাকসবজি রান্না করা হলে এর মধ্যে থাকা পুষ্টি ধ্বংস হয়ে যায়। কিন্তু এই ধারণা সবক্ষেত্রে ঠিক নয়। গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, কিছু শাকসবজি রান্না করলে তার পুষ্টি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে ভালোভাবে শোষিত হতে পারে। তবে বেশ কিছু সবজি, যেমন ব্রকলি কাঁচা অবস্থায় স্বাস্থ্যকর। মূল লক্ষ্য হলো সবজি খাওয়া। দুই উপায়য়েই সবজি স্বাস্থ্যকর।
পাস্তা পানিতে তেল যোগ
অনেকেরই ধারণা পাস্তার পানিতে তেল মেশালে সেগুলো দলা বাঁধে না। এই ধারণাটি আসলে ভুল। পাস্তার পানিতে তেল যোগ করা হলে তা আসলে শুধু পানিতে ভাসে। এর কোনো প্রভাব পাস্তার ওপরে পরে না। একমাত্র সস পাস্তার সঙ্গে লেগে থাকে। পাস্তা আটকে না যাওয়ার একটি ভালো উপায় হলো, এটি রান্না করার সময় মাঝে মাঝে নাড়তে থাকা।

মায়ের পর একে একে পাঁচ ভাইবোনকে যেন চোখের সামনে হারিয়ে যেতে দেখেছেন বার্ব। তাঁরা কেউই মারা যাননি, কিন্তু বয়স চল্লিশের কোঠায় পৌঁছানোর পর আচরণে এমন পরিবর্তন আসতে শুরু করে যে, ধীরে ধীরে তাঁরা হয়ে ওঠেন নিজেদেরই অচেনা মানুষ।
৪ ঘণ্টা আগে
আজকাল ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের ফিড স্ক্রল করলেই ভেসে ওঠে আবেগঘন ভালোবাসার মুহূর্ত। কোনোটিতে দেখা যায়, নদীর তীরে বা কোনো ছাদের রঙিন আলোকসজ্জায় হাঁটু গেড়ে প্রিয় মানুষটির দিকে আংটি ও একগুচ্ছ তাজা গোলাপ বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আবার কোনোটিতে দেখা যায় একদম সারপ্রাইজ আয়োজনে চোখের জল আর হাসির আবহে আংটি বদল...
৬ ঘণ্টা আগে
প্রতিদিনের ব্যস্ততায় হঠাৎ মনে হতে পারে মাসের পর মাস কেটে যাচ্ছে, কিন্তু জীবনের দিনগুলো যেন স্মৃতিহীন একটি ঝাপসা ক্যানভাস। সকালে গাড়ি বা বাইক চালিয়ে কর্মস্থলে যাওয়া, দুপুরের খাবার খাওয়া বা রাতের আড্ডা। কোনো কিছুই যেন স্পষ্টভাবে মনে নেই। জীবন যখন কোনো বিশেষ অনুভূতি ছাড়া কেবল অভ্যাসের বশে চলতে
৯ ঘণ্টা আগে
একুশ শতকের শুরুর দিকের ভারতীয় সিনেমার কাল্পনিক নারী চরিত্রগুলো কেবল সিনেমার গণ্ডিতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তাঁরা ছিলেন জীবন্ত ট্রেন্ড-সেটার বা স্টাইলের এমন সব উদাহরণ, যা একটি প্রজন্মের পছন্দ-অপছন্দ ও আত্ম-উপলব্ধি গড়ে দিয়েছিল। এককথায় নিজেরা কিছু বলার আগেই তাঁদের পোশাক বলে দিত চরিত্রটি কেমন। ২০২৬ সালে...
১২ ঘণ্টা আগে