আনহেল দি মারিয়া, লিওনেল মেসি—মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে আজ দুজনের চোখেই দেখা গেছে জল। দুই বন্ধুর কান্নার কারণ ছিল ভিন্ন। আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচ হওয়ায় দি মারিয়া অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। মেসি কেঁদেছেন ম্যাচের মাঝপথে চোটে পড়ে ছিটকে যাওয়ার কষ্টে।
মেসি, দি মারিয়া—দুজনেই আজ কলম্বিয়ার বিপক্ষে কোপা আমেরিকার ফাইনালে আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশে ছিলেন। ম্যাচের ৬৫ মিনিটে গোড়ালির চোটের কাছে হার মেনে মাঠ ছাড়তে হয় মেসিকে। ডাগআউটে হতাশায় বুট ছুড়ে মারলেন, মুখ ঢেকে অঝোরে কাঁদলেন আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ড। অন্যদিকে ম্যাচের ১১৭ মিনিটের সময় দি মারিয়াকে বদলি করে নামানো হয় নিকোলাস ওতামেন্দিকে। তখনই ছলছল চোখে হাত নেড়ে ভক্ত-সমর্থকদের থেকে বিদায় নেন দি মারিয়া। ১৬ বছরের সতীর্থ মেসিসহ বাকি সতীর্থদের জড়িয়ে ধরে কাঁদতে দেখা গেছে দি মারিয়াকে।
আর্জেন্টিনা-কলম্বিয়া ফাইনাল যখন টাইব্রেকারে গড়ানো সময়ের ব্যাপার ছিল, সে সময় আর্জেন্টাইন ভক্ত-সমর্থকদের আনন্দের উপলক্ষ এনে দেন লাওতারো মার্তিনেজ। ১১২ মিনিটে লাওতারোর গোলেই কলম্বিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে ২০২৪ কোপা আমেরিকা জেতে আর্জেন্টিনা। সতীর্থ মেসির কথা জিজ্ঞেস করা হলে ম্যাচ শেষে দি মারিয়া বলেন, ‘সে (মেসি) যেভাবে মাঠ ছেড়ে চলে গেছে, সেটা আসলেই দুর্ভাগ্যের। তবে ধরে নিয়েছিলাম যে চোটটা অত গুরুতর না। শেষ পর্যন্ত আজ আমরা জিততে পেরেছি। তাকে আমরা খুশি করতে পেরেছি।’
১৬ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার তো কম সময় নয়। দীর্ঘ এই সময়ে মেসিসহ বর্তমান আর্জেন্টিনার হুলিয়ান আলভারেজ, এনজো ফার্নান্দেজদের সঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে দি মারিয়ার। জয় দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি টানার পর ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন দি মারিয়া, ‘আমি বুঝতে পারছি না কী বলব। এই প্রজন্মের খেলোয়াড়দের কাছে সত্যিই অনেক কৃতজ্ঞ। সবচেয়ে সেরা উপায়ে এটা (দি মারিয়ার ক্যারিয়ার) শেষ হয়েছে।’
ফাইনালে গোল মানেই আর্জেন্টিনার জয়—২০২১ কোপা আমেরিকা, ২০২২ ফিনালিসিমা, ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপ পর্যন্ত সেই ধারাবাহিকতা বজায় ছিল দি মারিয়ার। তবে আজ মায়ামির হার্ড রকে তাতে ব্যত্যয় ঘটে। একের পর এক সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ড। কলম্বিয়ার গোলরক্ষক ক্যামিলো ভার্গাসের কাছে পরাস্ত হয়েছেন বারবার।
২০০৮ থেকে শুরু করে ২০২৪—১৬ বছরের মেসি-দি মারিয়া জুটির পথচলা শেষ হলো আজ। আর্জেন্টিনার জার্সিতে চারটি মেজর টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতেছেন দুই বন্ধু। আন্তর্জাতিক ফুটবলে দি মারিয়া ১৪৫ ম্যাচ খেলে করেছেন ৩১ গোল এবং অ্যাসিস্ট করেছেন ৩২ গোলে। কোপা আমেরিকায় করেছেন ৫ গোল।
আরও পড়ুন:

সময়ের দুই তারকা ফুটবলার লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর তুলনা চলে এখনো। দুই জনের ইউরোপ পর্ব তিন বছর আগে শেষ হলেও তুলনা কিন্তু থেমে নেই। শুধু কি ক্লাব পর্যায়েই? আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সেটা চলমান। তবে এবারের বিশ্বকাপে দুই জনের পারফরম্যান্স দুই মেরুতে। পর্তুগালের কোচ রবার্তো মার্তিনেসও দুই জনের তুলনা
১৭ মিনিট আগে
জিতলেই যে বাংলাদেশ সেমিফাইনালে উঠত, তা নয়। তাকিয়ে থাকতে হতো সন্ধ্যায় শুরু হতে যাওয়া ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের দিকে। হিসাব থাকত নেট রানরেটেরও। কিন্তু ভারত-অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই সমীকরণ থেকে বাদ পড়ল নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ।
২ ঘণ্টা আগে
তামিম ইকবালের রেকর্ড ভাঙতে মুশফিকুর রহিমের প্রয়োজন ছিল কেবল তিনটি ছক্কা। হারারেতে আজ তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শুরু হওয়া সিরিজের একমাত্র টেস্টে মুশফিকের নতুন রেকর্ড গড়ার সমূহ সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু ছক্কা তো দূরে থাক, মুশফিক দুই অঙ্কের রানও করতে পারেননি। বাংলাদেশও প্রথম দিন থেকেই
২ ঘণ্টা আগে
এক ক্লাবে দীর্ঘ ১৫-২০ বছর খেলার উদাহরণ বর্তমানে দেখা যায় না বললেই চলে। কখনো ক্লাবগুলোর সঙ্গে ফুটবলারদের চুক্তি ফুরিয়ে যায়। অনেক সময় নানান ঘটনায় খেলোয়াড়েরা স্বেচ্ছায় ক্লাব বদলান। থিয়াগো আলমাদা যে ক্ষণে ক্ষণে ক্লাব পরিবর্তন করা ফুটবলারদের এক জন। সাত বছরের ক্যারিয়ারে পাঁচটি ভিন্ন ক্লাবের হয়ে খেলছেন তিন
৩ ঘণ্টা আগে