শনিবার, ২২ জুন ২০২৪

সেকশন

 

মুজিবনগর সরকার: ঐক্য বনাম অনৈক্য

দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ও দৃঢ়চেতা নেতা তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় হঠকারিতা রোধ, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দলগুলোর মধ্যে মোটামুটি সৌহার্দ্য রক্ষা এবং স্বাধীনতার পথে অগ্রসর হওয়ার জন্য যথাসম্ভব সমন্বয় সাধন ও সঠিক পথে অগ্রসর করে নেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হয়। 

আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৭:৩৩

মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তাজউদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাঙালি জাতির রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন। ওই দিন তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভা আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ করে। এর আগে ১০ এপ্রিল গঠন করা হয়েছিল স্বাধীন বাংলা সরকারের মন্ত্রিসভা।

তখন জাতীয় পরিষদের ১৬৭ সদস্যের মধ্যে ১৫০ জন এবং ২৯০ জন প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যের মধ্যে দুই শতাধিকের সমর্থন ওই সরকারের প্রতি ছিল বলে জানা যায়। মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণের পর বাংলাদেশের এই প্রথম সরকারের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ স্বতঃস্ফূর্ত থেকে সংগঠিত পর্যায়ে প্রবেশ করে। বৈদ্যনাথতলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর।

এটা সবার জানা যে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালি জাতির ওপর আক্রমণ শুরু করে এবং বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

বঙ্গবন্ধু তাঁর সহকর্মীদের নিরাপদ স্থানে গিয়ে যুদ্ধ পরিচালনার নির্দেশনাও গ্রেপ্তার হওয়ার আগেই দিয়েছিলেন। তাঁর পরামর্শ ও নির্দেশনা অনুযায়ী নেতারা ভিন্ন ভিন্ন পথে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে যান। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমদ ও ব্যারিস্টার আমীর-উল ইসলাম সীমান্ত অতিক্রমের পর বিএসএফের তৎকালীন প্রধান রুস্তমজীর সহযোগিতায় দিল্লিতে যোগাযোগ করলে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর দপ্তর থেকে তাজউদ্দীন আহমদকে দিল্লি যাওয়ার কথা জানানো হয়। ব্যারিস্টার আমীর-উলকে সঙ্গে নিয়ে তাজউদ্দীন দিল্লি গিয়ে নানা রকম তৎপরতার পর ৪ এপ্রিল তাজউদ্দীন একা দেখা করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে। এই সাক্ষাৎকারের মধ্য দিয়েই মূলত রচিত হয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতার আনুষ্ঠানিক ভিত্তি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমদ সরাসরি বৈঠকে মিলিত হওয়ার বিষয়টি ওই সময় ছিল একটি মোড় ঘোরানো ঘটনা। এর আগের দিনই ইন্দিরা গান্ধীর পরামর্শকেরা তাজউদ্দীনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার গঠিত হয়েছে কি না। তাই ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে আলোচনার প্রথমেই উপস্থিত বুদ্ধি প্রয়োগ করে তাজউদ্দীন বলেন, বঙ্গবন্ধু কর্তৃক স্বাধীনতা ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই একটি সরকার গঠন করা হয়েছে। নিজেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উপস্থাপন করে রাষ্ট্রপতিসহ মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও নাম জানান তিনি। ইন্দিরা গান্ধী সব ধরনের সাহায্য-সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে পরবর্তী বৈঠকে তা সুনির্দিষ্ট করার কথা বলেন।

তাজউদ্দীনের এই উপস্থিত বুদ্ধি বিলম্ব না ঘটিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করতে ও দেশ-বিদেশে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ করার ক্ষেত্রে নিষ্পত্তিমূলক ভূমিকা রাখে। নেতৃত্ব গ্রহণের বিষয়টি যদি ওইভাবে তাৎক্ষণিক সমাধান না হতো, তাহলে আওয়ামী লীগের নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিরা বসে তা সমাধান করতে পারতেন না বলেই পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ থেকে অনুমান করা যায়। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্যেও ব্যক্তির বুদ্ধিমত্তা যে প্রভাবক ভূমিকা পালন করে তা অস্বীকার করা যাবে না। বঙ্গবন্ধুর মতো ক্যারিশমাটিক নেতা না হলেও তাজউদ্দীনের বুদ্ধির দীপ্তি যে ব্যতিক্রমী ছিল, মুজিবনগর সরকার গঠন ও পরবর্তী ঘটনাবলি তার প্রমাণ দেয়।

সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ সফল করার জন্য কয়েকটি উপাদান প্রয়োজন।

এক. দৃঢ়তাপূর্ণ নেতৃত্ব ও একশিলা রাজনৈতিক দল, দুই. যুক্তিসংগত কারণ, তিন. রাজনৈতিক দলসহ জনগণের দৃঢ় ও ব্যাপক সমর্থন, চার. মুক্তিযোদ্ধাদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল ও সমরাস্ত্র সরবরাহ এবং পাঁচ. প্রতিবেশী দেশসহ বিশ্ববাসীর সমর্থন।

অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় প্রধান নেতা তাজউদ্দীনের নেতৃত্ব গ্রহণ ও ভারতের সমর্থনের ভেতর দিয়ে উল্লিখিত শর্তগুলো মোটামুটি পূরণ হয়। দেরি না করে তাজউদ্দীনের নেতৃত্ব গ্রহণ, ইন্দিরা গান্ধীর যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বাংলাদেশকে হানাদারমুক্ত করার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রতিরোধ সংগ্রামকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আওয়ামী লীগের মধ্যেই অন্তত দুটি স্বতন্ত্র উদ্যোগ ছিল। এ ছাড়া সাবেক সেনা অফিসার, রুশপন্থী কমিউনিস্ট পার্টি ও মোজাফফর ন্যাপ এবং নানা গ্রুপে বিভক্ত চীনপন্থী কমিউনিস্টদের পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা উদ্যোগ ছিল। নানা টানাপোড়েন ও ঘাত-প্রতিঘাত সত্ত্বেও তাজউদ্দীন আহমদ বিচক্ষণতার সঙ্গে অগ্রসর হওয়ার নজির রেখেছেন। তাজউদ্দীন আহমদ ভারতে পৌঁছেই উপলব্ধি করেছিলেন, সমন্বিত ও ঐক্যবদ্ধ সশস্ত্র লড়াই ছাড়া দেশ স্বাধীন করা সম্ভব নয়, বিশেষভাবে ভারতের সাহায্য ছাড়া তা অগ্রসর করা কঠিন। এই দুই লক্ষ্য অর্জনের জন্য তিনি তাঁর কাজের পরিকল্পনা ও ছক আঁকেন।

আওয়ামী লীগে বঙ্গবন্ধুর পর দ্বিতীয় প্রধান নেতা ছিলেন তাজউদ্দীন। আর জাতীয় পরিষদের ডেপুটি লিডার ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। তাই বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে তিনি অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হবেন, এটা অনেকটা অবধারিত ছিল। তাজউদ্দীন আহমদ প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত সদস্য হলেও আওয়ামী লীগ পার্লামেন্টারি দল প্রাদেশিক পরিষদের নেতা নির্বাচিত করেছিল ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীকে। এ এইচ এম কামারুজ্জামান ছিলেন পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তাই জাতীয় পরিষদের সদস্য কামারুজ্জামান বা প্রাদেশিক পরিষদের নেতা এম মনসুর আলীর প্রধানমন্ত্রী পদের প্রত্যাশী হওয়াটা অস্বাভাবিক ছিল না। অন্যদিকে ধূর্ত মোশতাক সব সময়ই পদলোভী ও ষড়যন্ত্রকারী ছিলেন। তাই প্রধান ও কার্যকরী উদ্যোগ হিসেবে প্রথমেই দলীয় কোনো বৈঠক না করে তাজউদ্দীনের প্রধানমন্ত্রীর পদ নেওয়া নিয়ে বিতর্ক অস্বাভাবিক ছিল না। আওয়ামী লীগ মহলে তা হতেই থাকে। তবে স্বাধীনতার পক্ষের রাজনৈতিক দল ও জনগণ তাজউদ্দীনকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সর্বান্তঃকরণে মেনে নেওয়ায় এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী স্বাভাবিক কারণেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁকে সাদরে গ্রহণ করায় অন্য কিছু হওয়া সম্ভব ছিল না।

মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের একান্ত সহকারী ফারুক আজিজ খান পরবর্তী সময়ে তাঁর স্মৃতিকথায় লিখেছেন: দলীয় নেতৃত্বের মধ্যে অনেকেই মনে করতেন যে তাঁরাই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার যোগ্য দাবিদার। এ জন্য তাঁদের নিজস্ব যুক্তিও ছিল। প্রধানমন্ত্রীর জন্য এটাই সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ সমস্যা ছিল—অন্তত প্রথম দিকে। অনেক প্রভাবশালী এমএনএ তাজউদ্দীনের বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন খন্দকার মোশতাক ও মিজানুর রহমান চৌধুরী। অধ্যাপক ইউসুফ আলী উত্তরবঙ্গের একটি অংশের নেতৃত্ব দিতেন, যাঁরা প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ছিলেন। তবে তাঁরা অত সরব ছিলেন না। সিলেটের এমএনএ দেওয়ান ফরিদ গাজী এবং চট্টগ্রামের এমপি জহুর আহমেদ চৌধুরী মুজিবনগর সরকারের সমালোচক ছিলেন।...বরিশালের তরুণ এমএনএ নূরুল ইসলাম মনজুর সরকারের তীব্র সমালোচক ছিলেন। এ রকম আরও কয়েকজন ছিলেন। আমি দেখছিলাম যে দুর্ভাগ্যজনকভাবে শেখ মুজিবের অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে কোনো চেইন অব কমান্ড নেই। আর এটা আসলে নেতৃত্বের সংকটকেই তুলে ধরেছে। বেশ কয়েকজন প্রতিদ্বন্দ্বী থাকলেও যেকোনো একজনকে প্রধানমন্ত্রী বিবেচনা করা কঠিন ছিল। তাজউদ্দীন সাহেব একাধিকবার বলেছেন, আওয়ামী লীগ অনেক বড় দল। এর সমস্যাও অনেক বড়। (বসন্ত ১৯৭১, পৃষ্ঠা ১৩৪)

বড় দল আওয়ামী লীগ এখনো কি বড় সমস্যা নিয়েই চলছে না?

দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ও দৃঢ়চেতা নেতা তাজউদ্দীন আহমদ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় হঠকারিতা রোধ, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দলগুলোর মধ্যে মোটামুটি সৌহার্দ্য রক্ষা এবং স্বাধীনতার পথে অগ্রসর হওয়ার জন্য যথাসম্ভব সমন্বয় সাধন ও সঠিক পথে অগ্রসর করে নেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হয়। তবে শুরুতেই পদলাভের জন্য টানাপোড়েন মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময় তো বটেই, এমনকি স্বাধীন দেশের রাজনীতিকেও গভীরভাবে প্রভাবিত করে। অনৈক্য ছিল কিন্তু ঐক্যই শেষ পর্যন্ত নিয়ামক ভূমিকা পালন করেছিল।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিজয়ী দলের নেতা শেখ মুজিবের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। নানা টালবাহানার পর ২৫ মার্চ রাতে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। অনেকটা তাৎক্ষণিকভাবেই বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে দাঁড়ায় প্রতিবেশী দেশ ভারত ও বৃহৎ শক্তি হিসেবে পরিচিত সোভিয়েত ইউনিয়ন। রাজনৈতিক শক্তি ও সাধারণ মানুষ যখন চরম বিপদাপন্ন ও কিংকর্তব্যবিমূঢ়, তখন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারতের সমর্থন মানুষের মনে আশার সঞ্চার করেছিল নিঃসন্দেহে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ যদি সীমান্ত বন্ধ রাখত এবং ভারতের জনগণ যদি শরণার্থীদের সাদরে গ্রহণ না করত, তাহলে অসহায়ত্ব কোন পর্যায়ে পৌঁছাত—তা কল্পনাও করা যায় না। আবার সোভিয়েত ইউনিয়ন যদি চুপ থাকত, তাহলে আমেরিকা হয়তো আরও আক্রমণাত্মক অবস্থান নিত।

ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রাথমিক বক্তব্য ও অবস্থানে সম্ভবত ভূরাজনৈতিক কারণে কিছুটা ভিন্নতা থাকলেও শেষ পর্যন্ত দুই দেশের রাজনৈতিক পার্থক্য কমে চূড়ান্ত পর্যায়ে একবিন্দুতে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিজয় নিশ্চিত করেছে।

ভারত কেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে রাজনৈতিক ও সামরিক দিক দিয়ে সরাসরি সহায়তা করল, এই সহায়তার পেছনে ভারতের স্বার্থ কতটা ছিল কিংবা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পেছনে ভারতের কতটা নেপথ্য ইন্ধন বা ষড়যন্ত্র ছিল, সে সব নিয়ে বিতর্ক ছিল এবং আছে।

পাকিস্তানের কাঠামোর মধ্যে এই অঞ্চলের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ না হওয়া, ভোটের রায় কার্যকরে অনীহা দেখানোয় নিশ্চয়ই ভারতের কোনো ভূমিকা ছিল না। যুদ্ধ বাংলাদেশ শুরু করেনি। আক্রান্ত হয়ে তারা প্রতিরোধ করে।

সবকিছুরই পূর্বাপর আছে, আগে-পিছে রাজনীতি এবং অপরাজনীতিও আছে। মুক্তিযুদ্ধও কোনোভাবেই রাজনীতি ও অপরাজনীতিমুক্ত ছিল না। রাজনীতি ও অপরাজনীতি থেকে আমরা এখনো বের হতে পারছি না।

লেখক: বিভুরঞ্জন সরকার, জ্যেষ্ঠ সহকারী সম্পাদক

আজকের পত্রিকা 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     

    সংকট নেই, তবু বাড়ল সবজি, মাছের দাম

    সাক্ষাৎকার

    আমাদের আরও অনেক কিছু দেওয়ার আছে: টিপু

    সিনেমা: তুফানের আন্তর্জাতিক মুক্তি ২৮ জুন

    শিল্পকলায় নবরসের নাটক ‘উনপুরুষ’

    ভারতের সঙ্গে চুক্তির আগে দেশের নিরাপত্তার কথা ভাবতে হবে

    ধূসর রুক্ষ মহানগরীতে বিপন্ন নাগরিক জীবন

    অস্ট্রেলিয়া-ধাক্কার পরই বাংলাদেশের ভারত-পরীক্ষা

    যুক্তরাষ্ট্রকে উড়িয়ে দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দুশ্চিন্তা বাড়ল ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকারও