
ভার্জিনিয়া থেকে নির্বাচিত ডেমোক্রেটিক পার্টির কংগ্রেসম্যান ডন বেয়ার। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে তাঁর পরিবারের গাড়ির ডিলারশিপের ব্যবসা আছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম গাড়ি ডিলারদের একজন, যারা নিজের প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট চালু করেছিলেন।
স্বাভাবিকভাবেই বলা যায়, প্রযুক্তি সম্পর্কে ডন বেয়ারের ধারণা একেবারেই সামান্য নয়। তবে তাতে তিনি সন্তুষ্ট নন। নিজের প্রযুক্তিজ্ঞান আরও শাণিয়ে নিতে ৭৩ বছর বয়সে কলেজে ভর্তি হয়েছেন তিনি। উদ্দেশ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথা এআই সম্পর্কে আরও জানাবোঝা তৈরি করা।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা এআই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসে বেশ আলোচনা শুরু হয়েছে। আর সেই আলোচনায় নিজের অবস্থান আরও স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করতে ৭৩ বছর বয়সে ডন বেয়ার ভর্তি হয়েছেন জর্জ ম্যাসন ইউনিভার্সিটিতে।
প্রযুক্তি যত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, বয়স্ক মার্কিন আইনপ্রণেতা ও বিচারকেরা প্রায়শই প্রযুক্তি বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্ত বোঝার ব্যাপারে নিজেদের অপারগতা প্রকাশ করছেন। ডন বেয়ার তাঁদেরই একজন। তবে তাঁর নিজের জানাবোঝার কমতি দূর করার এই উদ্যোগ বেশ প্রশংসনীয়।
সম্প্রতি ভার্জিনিয়া শহরতলিতে জর্জ ম্যাসন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বিকেলের ক্লাস শেষে এপির মুখোমুখি হয়েছিলেন ডন বেয়ার। তিনি বলেন, ‘আমি এআইয়ের ব্যাপারে আশাবাদী হতে চাই। আমরা কল্পনাও করতে পারি না যে, এআইয়ের কারণে আমাদের জীবন আগামী পাঁচ, দশ বা বিশ বছর পর কতটা আলাদা হবে।’
মার্কিন এই আইনপ্রণেতা আরও বলেন, ‘...শিগগিরই হয়তো আমাদের পেছনে রোবট চোখ রাঙিয়ে আসবে না কিন্তু এর বাইরেও আমাদের আরও গভীর অস্তিত্ব ঝুঁকি আছে, যা আমাদের মনোযোগ দিয়ে দেখতে হবে।’
বেয়ার জানান, ছোটবেলা থেকেই কম্পিউটারে তাঁর ভীষণ আগ্রহ। যখন এআই জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় হিসেবে আবির্ভূত হয় তখন থেকেই তিনি বিষয়টি নিয়ে আরও জানতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। নিজের বয়সের চেয়ে অনেক কম বয়সীদের সঙ্গে ক্লাস করার বিষয়ে বেয়ার বলেন, ‘তাঁরা যখন সহপাঠী হিসেবে একজন কংগ্রেসম্যানকে নিজেদের পাশে দেখে তখন তাদের বেশির ভাগই বিচলিত বলে মনে হয় না।’
মার্কিন এই আইনপ্রণেতা জানান, তিনি কম্পিউটার কোড কীভাবে লিখতে হয়, তাও শিখছেন। তিনি বলেন, ‘আমি খুঁজে পাচ্ছি যে কোড শেখা একধরনের গাণিতিক, অ্যালগরিদমিক শিক্ষা, যা ধাপে ধাপে শিখতে হয়। বিষয়টি আমাকে অন্য অনেক বিষয়ে আলাদাভাবে চিন্তা করতে সাহায্য করছে।’

ইরানে চলমান যুদ্ধ ও অর্থনৈতিক সংকট সাধারণ মানুষের জীবনে বহুমাত্রিক চাপ তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে দেশটির কর্মসংস্থান আরও সংকুচিত হচ্ছে, মূল্যস্ফীতি বাড়ছে এবং ইন্টারনেট সীমাবদ্ধতা মানুষের আয়ের পথ বন্ধ করে দিচ্ছে। ফলে অনেকের জীবন এখন ‘শূন্য আয়’-এর...
৭ ঘণ্টা আগে
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ইরানের ওপর চাপ বাড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হরমুজ প্রণালিতে কোনো নৌযানকে মাইন বসাতে দেখলে সেটিকে সরাসরি ধ্বংস বা গুলি করে ডুবিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
৮ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি গাঁজা পুনঃ শ্রেণিবিন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কয়েক মাস ধরে ফেডারেল পর্যালোচনার পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত তাঁর নিজ দলের কিছু রিপাবলিকান নেতার মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
সশস্ত্র বাহিনীর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় প্রথমে এপামিনোডাস জাহাজটি লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। এরপর ইউফোরিয়া ও এমএসসি ফ্রান্সেসকা নামে আরও দুটি জাহাজে গুলি চালানো হলে তারা থামতে বাধ্য হয়।
৮ ঘণ্টা আগে