বান্দরবান প্রতিনিধি

বান্দরবানের রুমা ও থানচি থানার মামলায় কেএনএফ সদস্য সন্দেহে আটক ৫২ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে তাদের বান্দরবানের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হলে এ নির্দেশ দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নাজমুল হোছাইন।
যৌথ বাহিনীর অভিযানে এ পর্যন্ত ১৯ জন নারী ও ৩৫ জন পুরুষসহ মোট ৫৪ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে এলিজাবেথ বম নামের এক নারী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় তাকে পর্যবেক্ষণে রাখার পাশাপাশি মঙ্গলবার ৫২ জনকেই কারাগারে পাঠানো হয়। অন্য দুজন গতকাল সোমবারই কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান সদর কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক এ কে ফজলুল হক।
কারাগারে পাঠানো পুরুষেরা হলেন জেলার রুমা উপজেলার ২ নম্বর রুমা সদর ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বেথেলপাড়া এলাকার সাপলিয়ান থাং বম (২১), লাল রিন সাং বম (২৫), সাইরাস বম (২৫), মুন থাং লিয়ান বম (৩৩), পাছুং বম (৪৪), ভান লাল দিক বম (৩২), জাসুয়া বম (৪২), ভারৌ সাং বম (৩২), নলথন বম (৫৫), লাল রাম তিয়াম বম (৪৪), লালদাম লিয়াম বম (৩৬), লম জুয়াল বম (৫০), রাম থাং লিয়ান বম (১৭), ভান রুয়াত ময় বম (২৩), লাল ইমানুএল বম (৪৩), লালমুন লিয়ান বম (২৮), লাল থাং পুই বম (১৯), জেমস মিলটন বম (৩৪), রোসাং লিয়ান বম (৩০), লাল রোয়াত লম বম (৪৫), লাল দিন থার বম (৪০), জৌনুন নাং বম (৪৫), রেম থন বম (৬০), পেনাল বম (৬০), রুয়াল কম লিয়ান বম (৫৫), লাল রাওখম বম (৩৭), ভান লাল সম বম (৩৪), লাল রুয়াই বম (৫২), পাইন্দু এলাকার লিয়ান লুয়াই থাং বম (২৪) ও গিলবার্ট বম (১৭), ভানুনুন নুয়াম বম (৩০), জেমিনিউ বম (২৬), গাড়িচালক মো. কফিল উদ্দিন সাগর (২৮) ও রুমা সোনালী ব্যাংকের জুনিয়র কর্মকর্তা (ক্যাশিয়ার) লাল তন লিয়ান বম (৫৪)।
নারীরা হলেন একই এলাকার আজিং বম (২০), লালসিং পার বম (৩০), ভান রিন কিম বম (৩৬), আতং বম (৩০), আলমন বম (২২), লাল মুন এং বম (১৯), লাল নুন জির বম (৩৪), মেলরি বম (২৬), লাল নুন বম (২৪), নেম পেন বম (৩৮), এলিজাবেত বম (৩০), লালত্নাহাকিম বম (৩০), পারঠা জোয়াল বম (১৯), জিং রোল এং বম (৩২), লাল নুন কিম বম (২৫), টিনা বম (১৮), লেরী বম (২৩) ও শিউলি বম (২১), আমে লনচেও বম (২২)।
প্রসঙ্গত, বান্দরবানের রুমা ও থানচি উপজেলায় দফায় দফায় ব্যাংকে হামলা, টাকা ও অস্ত্র লুট এবং ব্যাংক ম্যানেজার নেজাম উদ্দিনকে অপহরণের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ ও ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের বিভিন্ন ধারায় ৮টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় তাদের আটক করা হয়।

বান্দরবানের রুমা ও থানচি থানার মামলায় কেএনএফ সদস্য সন্দেহে আটক ৫২ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার দুপুরে তাদের বান্দরবানের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলা হলে এ নির্দেশ দেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নাজমুল হোছাইন।
যৌথ বাহিনীর অভিযানে এ পর্যন্ত ১৯ জন নারী ও ৩৫ জন পুরুষসহ মোট ৫৪ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে এলিজাবেথ বম নামের এক নারী অন্তঃসত্ত্বা হওয়ায় তাকে পর্যবেক্ষণে রাখার পাশাপাশি মঙ্গলবার ৫২ জনকেই কারাগারে পাঠানো হয়। অন্য দুজন গতকাল সোমবারই কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বান্দরবান সদর কোর্ট পুলিশ পরিদর্শক এ কে ফজলুল হক।
কারাগারে পাঠানো পুরুষেরা হলেন জেলার রুমা উপজেলার ২ নম্বর রুমা সদর ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বেথেলপাড়া এলাকার সাপলিয়ান থাং বম (২১), লাল রিন সাং বম (২৫), সাইরাস বম (২৫), মুন থাং লিয়ান বম (৩৩), পাছুং বম (৪৪), ভান লাল দিক বম (৩২), জাসুয়া বম (৪২), ভারৌ সাং বম (৩২), নলথন বম (৫৫), লাল রাম তিয়াম বম (৪৪), লালদাম লিয়াম বম (৩৬), লম জুয়াল বম (৫০), রাম থাং লিয়ান বম (১৭), ভান রুয়াত ময় বম (২৩), লাল ইমানুএল বম (৪৩), লালমুন লিয়ান বম (২৮), লাল থাং পুই বম (১৯), জেমস মিলটন বম (৩৪), রোসাং লিয়ান বম (৩০), লাল রোয়াত লম বম (৪৫), লাল দিন থার বম (৪০), জৌনুন নাং বম (৪৫), রেম থন বম (৬০), পেনাল বম (৬০), রুয়াল কম লিয়ান বম (৫৫), লাল রাওখম বম (৩৭), ভান লাল সম বম (৩৪), লাল রুয়াই বম (৫২), পাইন্দু এলাকার লিয়ান লুয়াই থাং বম (২৪) ও গিলবার্ট বম (১৭), ভানুনুন নুয়াম বম (৩০), জেমিনিউ বম (২৬), গাড়িচালক মো. কফিল উদ্দিন সাগর (২৮) ও রুমা সোনালী ব্যাংকের জুনিয়র কর্মকর্তা (ক্যাশিয়ার) লাল তন লিয়ান বম (৫৪)।
নারীরা হলেন একই এলাকার আজিং বম (২০), লালসিং পার বম (৩০), ভান রিন কিম বম (৩৬), আতং বম (৩০), আলমন বম (২২), লাল মুন এং বম (১৯), লাল নুন জির বম (৩৪), মেলরি বম (২৬), লাল নুন বম (২৪), নেম পেন বম (৩৮), এলিজাবেত বম (৩০), লালত্নাহাকিম বম (৩০), পারঠা জোয়াল বম (১৯), জিং রোল এং বম (৩২), লাল নুন কিম বম (২৫), টিনা বম (১৮), লেরী বম (২৩) ও শিউলি বম (২১), আমে লনচেও বম (২২)।
প্রসঙ্গত, বান্দরবানের রুমা ও থানচি উপজেলায় দফায় দফায় ব্যাংকে হামলা, টাকা ও অস্ত্র লুট এবং ব্যাংক ম্যানেজার নেজাম উদ্দিনকে অপহরণের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ ও ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের বিভিন্ন ধারায় ৮টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় তাদের আটক করা হয়।

পাঙাশ মাছ খাওয়াই যেন কাল হয়ে দাঁড়াল দেড় বছরের শিশু সিয়ামের। মাছের কাঁটা গলায় আটকে সোমবার রাতে মারা গেছে শিশু সিয়াম। ঘটনাটি ঘটেছে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পলাশবাড়ীয়া ইউনিয়নের যশোবন্তপুর গ্রামে। নিহত সিয়াম ওই গ্রামের উত্তরপাড়ার বাসিন্দা আমিনুর ব্যাপারীর ছেলে।
৩ মিনিট আগে
ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল এবং তাঁর স্ত্রী ইভ্যালির চেয়ারম্যান ও শামীমা নাসরিনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-৭-এর বিচারক মিনাজ উদ্দীন তাঁদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
৬ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘অপহরণ ও গুমের’ শিকার এক গরু ব্যবসায়ীর লাশ পদ্মা নদীতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গেছে। আজ মঙ্গলবার সদর উপজেলার আলাতুলি ইউনিয়নে পদ্মা নদীর মিডিল চর এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। ওই স্থানটি রাজশাহীর গোদাগাড়ী থানা থেকে আনুমানিক ৫০০ গজ দূরে।
১১ মিনিট আগে
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহতের পর লাশ পোড়ানোর ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। যেকোনো দিন এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। আজ মঙ্গলবার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন ট্রাইব্যুনাল।
৩১ মিনিট আগে