জি-২০ সম্মেলনের আগে বাংলাদেশের ঝাউতলা পটুয়াখালী নামের একটি জায়গার ছবিকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে কাশ্মীরের শ্রীনগরের বুলেভার্ড রোড হিসেবে।
টুইটারে দেওয়া ছবিটির পরিচয় করিয়ে দিতে গিয়ে বলা হয়েছে, জি-২০ সম্মেলনের আগে আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে বুলেভার্ড রোডের অনেক সংস্কার করা হয়েছে। আজ সোমবারই কাশ্মীরে শুরু হতে যাচ্ছে এই সম্মেলন।
ছবির এই ভুল ধরেছে ভারতের অনলাইন পোর্টাল দ্য কুইন্ট ডটকম। ‘Jhautola Patuakhali’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে ছবিটি নেওয়া হয়েছে বলে গণমাধ্যমটির অনুসন্ধানে বের হয়। যিনি শেয়ার করেছেন, তাঁর নাম আকিব মির। প্রোফাইল ঘেঁটে তাঁকে বিজেপির সমর্থক বলেই মনে হয়। পোস্টে তিনি ট্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে; বিজেপির প্রেসিডেন্ট জেপি নাড্ডাও বাদ পড়েননি।
গুগল ম্যাপে কাশ্মীরের বুলেভার্ড রোডটি শনাক্ত করেও টুইটারের ছবিটির সঙ্গে মিল পাওয়া যায়নি। ইউটিউবে বুলেভার্ড রোডের সাম্প্রতিক একটি ভিডিও পরীক্ষা করেও এর সঙ্গে ভাইরাল হওয়া ছবিটির কোনো মিল পাওয়া যায়নি।
এদিকে শ্রীনগরের বুলেভার্ড রোডে সেন্ট্রাল পুলিশ রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের টহলের একটি ছবি ১৮ মে প্রকাশ করে সিয়াসাত ডেইলি। এর সঙ্গেও ভাইরাল ছবিটির কোনো মিল ছিল না।
এবার জি-২০ সম্মেলন ডাল হ্রদের তীরে অবস্থিত কাশ্মীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে (এসকেআইসিসি) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার ২০১৯ সালের আগস্টে বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর এটি জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথম কোনো বৈশ্বিক আয়োজন।
কুইন্ট ডটকম তাদের অনুসন্ধানের উপসংহার টানে এভাবে, জি-২০ সম্মেলনের আগে শ্রীনগরের ‘সংস্কার করা’ এক সড়ক হিসেবে ভুলক্রমে বাংলাদেশের একটি সড়কের ছবি দেওয়া হয়েছে।

গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, ইরানের হামলার ভয়ে ইসরায়েলের জেরুজালেমে ‘গডকে লেখা চিঠি’ বা প্রার্থনার নোট সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।
৩ দিন আগে
গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, ইরানের হামলায় ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ছোট ভাই নিহত হয়েছেন। এমনকি জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী বেন গভির নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
৩ দিন আগে
ইরানের হামলা থেকে বাঁচতে মার্কিন পুলিশ ভয়ে আজান দিতে শুরু করেছে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে এমন দাবি নেটিজেনদের নজর কেড়েছে।
৪ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি কিছু ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, ইরানে পাহাড়ের গুহায় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির গোপন কারখানা রয়েছে। সেখানে পুরোদমে অস্ত্র তৈরির কাজ চলছে।
৪ দিন আগে